আমার শহর ডেস্ক

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, পরিবর্তিত বাস্তবতায় আমাদের তরুণদের শুধু প্রযুক্তির ব্যবহারকারী নয় বরং প্রযুক্তির উদ্ভাবক ও নির্মাতা হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এজন্য বিজ্ঞান শিক্ষা, গবেষণা এবং উদ্ভাবনে বিনিয়োগ বৃদ্ধি করার পাশাপাশি বিজ্ঞানমনস্ক সংস্কৃতি গড়ে তোলা অপরিহার্য।
আজ রোববার ঢাকায় আগারগাঁও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কমপ্লেক্স মিলনায়তনে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ উপলক্ষ্যে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান বিশ্বে যে জাতি জ্ঞান, গবেষণা ও উদ্ভাবনে যত এগিয়ে, সে জাতি অর্থনীতি, শিল্প, শিক্ষা ও উন্নয়নের ক্ষেত্রেও তত এগিয়ে। তাই বিজ্ঞানচর্চা কেবল একটি অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম নয়, এটি একটি জাতির ভবিষ্যৎ নির্মাণের ভিত্তি এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ।
তিনি বলেন, বিজ্ঞান মানবসভ্যতার অগ্রযাত্রার প্রধান চালিকাশক্তি। ইতিহাসের প্রতিটি যুগে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতি মানুষের জীবনযাত্রাকে করেছে সহজতর, সমৃদ্ধ ও উন্নত। বর্তমান বিশ্বে যে জাতি জ্ঞান, গবেষণা ও উদ্ভাবনে যত এগিয়ে, সে জাতি অর্থনীতি, শিল্প, শিক্ষা ও উন্নয়নের ক্ষেত্রেও তত এগিয়ে যায়। তাই বিজ্ঞানচর্চা কেবল একটি অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম নয়, এটি একটি জাতির ভবিষ্যৎ নির্মাণের ভিত্তি এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ।
ফকির মাহবুব আনাম আরও বলেন, বাংলাদেশ আজ উন্নয়ন ও অগ্রগতির এক নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে। আমাদের লক্ষ্য একটি উদ্ভাবনী ও প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলা। সেই লক্ষ্য অর্জনে প্রয়োজন দক্ষ মানবসম্পদ, গবেষণা-সক্ষম প্রতিষ্ঠান এবং উদ্ভাবনী চিন্তাশক্তিসম্পন্ন তরুণ প্রজন্ম।
তিনি বলেন, বিশ্ব বর্তমানে আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্সের যুগে প্রবেশ করেছে। মেধাবীদের জন্য বিশ্বের দ্বার এখন উন্মুক্ত। জ্ঞান-বিজ্ঞান ও মেধা- প্রত্যেকটা ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা সর্বত্র। প্রতিযোগিতামূলক এই বিশ্বে টিকে থাকতে হলে, যথোপযুক্ত বিজ্ঞান শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে। জ্ঞান-বিজ্ঞানে পারদর্শী হতে হবে। ব্যবহারিক এবং কারিগরি শিক্ষায় দক্ষ হতে হবে। শিক্ষা-দীক্ষা, জ্ঞান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে নিজেদের প্রস্তুত করতে না পারলে ভবিষ্যতের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়বে। আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞান আর উদ্ভাবনী প্রযুক্তির এ সুযোগে নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্য দেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন। স্বাগত বক্তব্য দেন জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কমপ্লেক্সের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ড. মো. মনিরুজ্জামান। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ও বিশিষ্ট বিজ্ঞানী এবং গবেষক ড. আব্বাস উদ্দিন আহমেদ এবং বিজ্ঞানী ও গবেষক মারজানা আক্তারকে বিজ্ঞান বিষয়ে অবদানের জন্য সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। ‘উদ্ভাবন নির্ভর বাংলাদেশ গঠনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি’ এ প্রতিপাদকে সামনে রেখে সারা দেশে ইতোপূর্বে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগীদের নিয়ে ঢাকায় জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কমপ্লেক্সে এবারের ১৪-১৬ জুন ২০২৬ তিন দিনব্যাপী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ উদযাপিত হচ্ছে।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, পরিবর্তিত বাস্তবতায় আমাদের তরুণদের শুধু প্রযুক্তির ব্যবহারকারী নয় বরং প্রযুক্তির উদ্ভাবক ও নির্মাতা হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এজন্য বিজ্ঞান শিক্ষা, গবেষণা এবং উদ্ভাবনে বিনিয়োগ বৃদ্ধি করার পাশাপাশি বিজ্ঞানমনস্ক সংস্কৃতি গড়ে তোলা অপরিহার্য।
আজ রোববার ঢাকায় আগারগাঁও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কমপ্লেক্স মিলনায়তনে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ উপলক্ষ্যে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান বিশ্বে যে জাতি জ্ঞান, গবেষণা ও উদ্ভাবনে যত এগিয়ে, সে জাতি অর্থনীতি, শিল্প, শিক্ষা ও উন্নয়নের ক্ষেত্রেও তত এগিয়ে। তাই বিজ্ঞানচর্চা কেবল একটি অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম নয়, এটি একটি জাতির ভবিষ্যৎ নির্মাণের ভিত্তি এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ।
তিনি বলেন, বিজ্ঞান মানবসভ্যতার অগ্রযাত্রার প্রধান চালিকাশক্তি। ইতিহাসের প্রতিটি যুগে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতি মানুষের জীবনযাত্রাকে করেছে সহজতর, সমৃদ্ধ ও উন্নত। বর্তমান বিশ্বে যে জাতি জ্ঞান, গবেষণা ও উদ্ভাবনে যত এগিয়ে, সে জাতি অর্থনীতি, শিল্প, শিক্ষা ও উন্নয়নের ক্ষেত্রেও তত এগিয়ে যায়। তাই বিজ্ঞানচর্চা কেবল একটি অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম নয়, এটি একটি জাতির ভবিষ্যৎ নির্মাণের ভিত্তি এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ।
ফকির মাহবুব আনাম আরও বলেন, বাংলাদেশ আজ উন্নয়ন ও অগ্রগতির এক নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে। আমাদের লক্ষ্য একটি উদ্ভাবনী ও প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলা। সেই লক্ষ্য অর্জনে প্রয়োজন দক্ষ মানবসম্পদ, গবেষণা-সক্ষম প্রতিষ্ঠান এবং উদ্ভাবনী চিন্তাশক্তিসম্পন্ন তরুণ প্রজন্ম।
তিনি বলেন, বিশ্ব বর্তমানে আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্সের যুগে প্রবেশ করেছে। মেধাবীদের জন্য বিশ্বের দ্বার এখন উন্মুক্ত। জ্ঞান-বিজ্ঞান ও মেধা- প্রত্যেকটা ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা সর্বত্র। প্রতিযোগিতামূলক এই বিশ্বে টিকে থাকতে হলে, যথোপযুক্ত বিজ্ঞান শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে। জ্ঞান-বিজ্ঞানে পারদর্শী হতে হবে। ব্যবহারিক এবং কারিগরি শিক্ষায় দক্ষ হতে হবে। শিক্ষা-দীক্ষা, জ্ঞান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে নিজেদের প্রস্তুত করতে না পারলে ভবিষ্যতের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়বে। আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞান আর উদ্ভাবনী প্রযুক্তির এ সুযোগে নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্য দেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন। স্বাগত বক্তব্য দেন জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কমপ্লেক্সের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ড. মো. মনিরুজ্জামান। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ও বিশিষ্ট বিজ্ঞানী এবং গবেষক ড. আব্বাস উদ্দিন আহমেদ এবং বিজ্ঞানী ও গবেষক মারজানা আক্তারকে বিজ্ঞান বিষয়ে অবদানের জন্য সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। ‘উদ্ভাবন নির্ভর বাংলাদেশ গঠনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি’ এ প্রতিপাদকে সামনে রেখে সারা দেশে ইতোপূর্বে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগীদের নিয়ে ঢাকায় জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কমপ্লেক্সে এবারের ১৪-১৬ জুন ২০২৬ তিন দিনব্যাপী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ উদযাপিত হচ্ছে।