• কুমিল্লা সিটি করপোরেশন
  • কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
  • আদর্শ সদর
  • বরুড়া
  • লাকসাম
  • দাউদকান্দি
  • আরও
    • চৌদ্দগ্রাম
    • সদর দক্ষিণ
    • নাঙ্গলকোট
    • বুড়িচং
    • ব্রাহ্মণপাড়া
    • মনোহরগঞ্জ
    • লালমাই
    • চান্দিনা
    • মুরাদনগর
    • দেবীদ্বার
    • হোমনা
    • মেঘনা
    • তিতাস
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • বাংলাদেশ
  • অপরাধ
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • মতামত
  • খেলা
  • বিনোদন
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • ইপেপার
  • ইপেপার
facebooktwittertiktokpinterestyoutubelinkedininstagramgoogle
স্বত্ব: ©️ আমার শহর

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. গাজীউল হক ভূঁইয়া ( সোহাগ)।

নাহার প্লাজা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা-৩৫০০

ই-মেইল: [email protected]

ফোন: 01716197760

> বাংলাদেশ

বর্তমান সরকার ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করতে চায় না: প্রধানমন্ত্রী

আমার শহর ডেস্ক
প্রকাশ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭: ৫৬
logo

বর্তমান সরকার ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করতে চায় না: প্রধানমন্ত্রী

আমার শহর ডেস্ক

প্রকাশ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭: ৫৬
Photo

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বর্তমান সরকার ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করতে চায় না। অতীতেও আমরা তা করিনি। ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাবার অধিকার সবার। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বাঙালি-অবাঙালি বিশ্বাসী-অবিশ্বাসী সবাই সমানভাবে অধিকার ভোগ করবে, এটাই বর্তমান সরকারের নীতি।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে সচিবালে শুভ বুদ্ধপূর্ণিমা উপলক্ষে বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের সব বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, পৃথিবীতে অনেকগুলো ধর্ম আছে। প্রতি ধর্মেরই অসংখ্য অনুসারী রয়েছেন। প্রতিটি ধর্মই মানুষকে কল্যাণের দিকে আহবান করে। প্রতিটি ধর্মেরই কিছু বিধিবদ্ধ নিয়মনীতি রয়েছে।

বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মগুরু মহামতি গৌতম বুদ্ধ তার অনুসারীদের জন্য পঞ্চশীল নীতি দিয়েছিলেন। এই পঞ্চশীল নীতি হলো প্রাণী হত্যা না করা, চুরি, ব্যাভিচার, মিথ্যা এবং মাদক থেকে বিরত থাকা। প্রেম, অহিংস এবং সর্বজীবে দয়াও বৌদ্ধ ধর্মের শিক্ষা।

তিনি বলেন, যে কয়টি জিনিস এখানে অনুসরণের কথা বলা হয়েছে এ নির্দেশনা প্রতিটি মানুষের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। রাষ্ট্রীয় বিধিবিধানের পাশাপাশি নাগরিকরা ধর্মীয় নির্দেশনাগুলো যথাযথভাবে অনুসরণ করলে সবাই মিলে একটি মানবিক রাষ্ট্র এবং সমাজ নির্মাণ করতে পারবো।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি নাগরিক প্রত্যেকেই যে যার ধর্মীয় রীতি নীতি ও অধিকার বিনা বাধায়-স্বাধীনভাবে অনুসরণ-অনুকরণ ও ভোগ করতে পারে। এমন একটি রাষ্ট্র ও সমাজ বিনির্মাণই হচ্ছে আমাদের সরকারের প্রধানতম দায়িত্ব ও অঙ্গীকার। দল-মত ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি মানুষের শান্তি এবং নিরাপত্তার সঙ্গে বসবাস করার পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর।

তিনি বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বিশ্বাসী-অবিশ্বাসী প্রতিটি মানুষের জন্যই একটি নিরাপদ বাংলাদেশ বিনির্মানের আকাঙ্খা নিয়েই মুক্তিযোদ্ধারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন করেছিলেন। মুসলমান-হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সবাই মিলে লাখো প্রাণের বিনিময়ে এই দেশটা আমরা স্বাধীন করেছিলাম।

মুক্তিযুদ্ধের সময় কে কোন ধর্মের অনুসারী, কে বিশ্বাসী কিংবা অবিশ্বাসী এটি কারো জিজ্ঞাসা ছিলো না। তাই, এই স্বাধীন বাংলাদেশ আপনার আমার ও আমাদের সবার। তারেক রহমান বলেন, বর্তমান সরকারের একটি রাজনৈতিক দর্শন ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’। বাংলাদেশে এটি বারবার প্রমাণিত হয়েছে, একমাত্র বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শনই দেশের সব বর্ণ, ধর্মীয় সম্প্রদায় ও নৃগোষ্ঠীর নিবিড় সহাবস্থান নিশ্চিত করতে পারে। তাই আপনারা কেউ নিজেদেরকে কখনই সংখ্যালঘু ভাববেন না। রাষ্ট্র আমার আপনার আমাদের সবার পরিচয়।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দীন আহমদ, ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দিপেন দেওয়ান, প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, পার্বত্য বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, পার্বত্য অঞ্চলের বিএনপি মনোনীত সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য প্রার্থী মাধবী মারমা এবং ড. সুকোমল বড়ুয়া। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর হাতে বৌদ্ধদের পক্ষ থেকে একটি শুভেচ্ছা ক্রেস্ট এবং বুদ্ধমূর্তির প্রতিবিম্ব তুলে দেন নেতারা।

Thumbnail image

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বর্তমান সরকার ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করতে চায় না। অতীতেও আমরা তা করিনি। ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাবার অধিকার সবার। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বাঙালি-অবাঙালি বিশ্বাসী-অবিশ্বাসী সবাই সমানভাবে অধিকার ভোগ করবে, এটাই বর্তমান সরকারের নীতি।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে সচিবালে শুভ বুদ্ধপূর্ণিমা উপলক্ষে বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের সব বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, পৃথিবীতে অনেকগুলো ধর্ম আছে। প্রতি ধর্মেরই অসংখ্য অনুসারী রয়েছেন। প্রতিটি ধর্মই মানুষকে কল্যাণের দিকে আহবান করে। প্রতিটি ধর্মেরই কিছু বিধিবদ্ধ নিয়মনীতি রয়েছে।

বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মগুরু মহামতি গৌতম বুদ্ধ তার অনুসারীদের জন্য পঞ্চশীল নীতি দিয়েছিলেন। এই পঞ্চশীল নীতি হলো প্রাণী হত্যা না করা, চুরি, ব্যাভিচার, মিথ্যা এবং মাদক থেকে বিরত থাকা। প্রেম, অহিংস এবং সর্বজীবে দয়াও বৌদ্ধ ধর্মের শিক্ষা।

তিনি বলেন, যে কয়টি জিনিস এখানে অনুসরণের কথা বলা হয়েছে এ নির্দেশনা প্রতিটি মানুষের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। রাষ্ট্রীয় বিধিবিধানের পাশাপাশি নাগরিকরা ধর্মীয় নির্দেশনাগুলো যথাযথভাবে অনুসরণ করলে সবাই মিলে একটি মানবিক রাষ্ট্র এবং সমাজ নির্মাণ করতে পারবো।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি নাগরিক প্রত্যেকেই যে যার ধর্মীয় রীতি নীতি ও অধিকার বিনা বাধায়-স্বাধীনভাবে অনুসরণ-অনুকরণ ও ভোগ করতে পারে। এমন একটি রাষ্ট্র ও সমাজ বিনির্মাণই হচ্ছে আমাদের সরকারের প্রধানতম দায়িত্ব ও অঙ্গীকার। দল-মত ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি মানুষের শান্তি এবং নিরাপত্তার সঙ্গে বসবাস করার পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর।

তিনি বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বিশ্বাসী-অবিশ্বাসী প্রতিটি মানুষের জন্যই একটি নিরাপদ বাংলাদেশ বিনির্মানের আকাঙ্খা নিয়েই মুক্তিযোদ্ধারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন করেছিলেন। মুসলমান-হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সবাই মিলে লাখো প্রাণের বিনিময়ে এই দেশটা আমরা স্বাধীন করেছিলাম।

মুক্তিযুদ্ধের সময় কে কোন ধর্মের অনুসারী, কে বিশ্বাসী কিংবা অবিশ্বাসী এটি কারো জিজ্ঞাসা ছিলো না। তাই, এই স্বাধীন বাংলাদেশ আপনার আমার ও আমাদের সবার। তারেক রহমান বলেন, বর্তমান সরকারের একটি রাজনৈতিক দর্শন ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’। বাংলাদেশে এটি বারবার প্রমাণিত হয়েছে, একমাত্র বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শনই দেশের সব বর্ণ, ধর্মীয় সম্প্রদায় ও নৃগোষ্ঠীর নিবিড় সহাবস্থান নিশ্চিত করতে পারে। তাই আপনারা কেউ নিজেদেরকে কখনই সংখ্যালঘু ভাববেন না। রাষ্ট্র আমার আপনার আমাদের সবার পরিচয়।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দীন আহমদ, ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দিপেন দেওয়ান, প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, পার্বত্য বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, পার্বত্য অঞ্চলের বিএনপি মনোনীত সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য প্রার্থী মাধবী মারমা এবং ড. সুকোমল বড়ুয়া। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর হাতে বৌদ্ধদের পক্ষ থেকে একটি শুভেচ্ছা ক্রেস্ট এবং বুদ্ধমূর্তির প্রতিবিম্ব তুলে দেন নেতারা।

বিষয়:

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

১

মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তি কারা, সেটি এখন প্রতিষ্ঠিত সত্য : আইনমন্ত্রী

২

আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষ্যে বিএনপির সমাবেশ আজ, প্রধান অতিথি তারেক রহমান

৩

মহান মে দিবস আজ

৪

৫ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখনন করা হবে: পানি সম্পদ মন্ত্রী

৫

বর্তমান সরকার ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করতে চায় না: প্রধানমন্ত্রী

সম্পর্কিত

মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তি কারা, সেটি এখন প্রতিষ্ঠিত সত্য : আইনমন্ত্রী

মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তি কারা, সেটি এখন প্রতিষ্ঠিত সত্য : আইনমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে
আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষ্যে বিএনপির সমাবেশ আজ, প্রধান অতিথি তারেক রহমান

আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষ্যে বিএনপির সমাবেশ আজ, প্রধান অতিথি তারেক রহমান

৬ ঘণ্টা আগে
মহান মে দিবস আজ

মহান মে দিবস আজ

৭ ঘণ্টা আগে
৫ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখনন করা হবে: পানি সম্পদ মন্ত্রী

৫ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখনন করা হবে: পানি সম্পদ মন্ত্রী

১ দিন আগে