পরপর তিনবছর মহাসড়ক অবরোধ একই গার্মেন্টসের শ্রমিকদের
নিজস্ব প্রতিবেদক

বকেয়া বেতন ও ঈদ বোনাসের দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে কুমিল্লার চান্দিনায় বিক্ষোভ করেছেন ডেনিম গার্মেন্টসের শ্রমিকেরা। এ ঘটনায় মহাসড়কের উভয় পাশে অন্তত ১৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে দুর্ভোগে পড়েন চালক ও যাত্রীরা। চান্দিনা উপজেলা প্রশাসন ও হইওয়ে পুলিশ বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মালিক ও শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলেন। এক পর্যায়ে শ্রমিকদের দ্রুত সময়ের মধ্যে বকেয়া বেতন-ভাতা ও বোনাস দেওয়ার আশ্বাস দিলে তারা অবরোধ প্রত্যাহার করেন। এর আগে ২০২৫ ও ২০২৪ সালে বেতন-ভতার দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করে ওই গার্মেন্টসের শ্রমিকেরা।
গতকাল মঙ্গলবার প্রায় দুই ঘণ্টা ব্যাপী মহাসড়কের উপজেলার হাড়িখোলা মাজার এলাকায় এই অবরোধ কর্মসূচি চলে। ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রুহুল আমিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আন্দোলনরত একাধিক শ্রমিকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত তিন মাস ধরে তাদের বেতন দিচ্ছে না ডেনিম প্রসেসিং প্ল্যান্ট লিমিটেডের মালিকপক্ষ। এতে এক একজনের প্রায় ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকার বেশি বকেয়া রয়েছে। বাধ্য হয়ে তারা মহাসড়ক আবরোধ করে আন্দোলনে নামেন। এতে করে মহাসড়কের উভয় লেনে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। দেখা দেয় তীব্র যানজট। উপজেলার কুটম্বপুর থেকে নুরীতলা পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে যানজট ছড়িয়ে পড়ে।
এ বিষয়ে চান্দিনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আশরাফুল ইসলাম বলেন, চান্দিনা থানার ওসি আতিকুর রহমান, ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানার ওসি রুহুল আমিনসহ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মালিকপক্ষের সঙ্গে কথা বলি। মালিক পক্ষ দ্রুত বকেয়া বেতন-ভাতা ও বোনাস দেওয়ার আশ্বাস দিলে শ্রমিকেরা মহাসড়ক থেকে অবরোধ প্রত্যাহার করেন।
পোশাক কারখানা ডেনিম প্রসেসিং প্ল্যান্ট লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমরা শ্রমিকদের বলেছি, বৃহস্পতিবারের মধ্যে জানুয়ারি মাসের বেতন পাবেন তারা। আর ১৬ মার্চের মধ্যেই ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন ও ঈদের বোনাস পাবেন।
প্রসঙ্গত, বিভিন্ন সময়ে শ্রমিক অসন্তোষ, বেতন-ভাতা ঠিকভাবে পরিশোধ না করতে পারার কারণে ওই গার্মেন্টসের অন্তত ৬০ শতাংশ কর্মী চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন বা চাকরি হারিয়েছেন।

বকেয়া বেতন ও ঈদ বোনাসের দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে কুমিল্লার চান্দিনায় বিক্ষোভ করেছেন ডেনিম গার্মেন্টসের শ্রমিকেরা। এ ঘটনায় মহাসড়কের উভয় পাশে অন্তত ১৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে দুর্ভোগে পড়েন চালক ও যাত্রীরা। চান্দিনা উপজেলা প্রশাসন ও হইওয়ে পুলিশ বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মালিক ও শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলেন। এক পর্যায়ে শ্রমিকদের দ্রুত সময়ের মধ্যে বকেয়া বেতন-ভাতা ও বোনাস দেওয়ার আশ্বাস দিলে তারা অবরোধ প্রত্যাহার করেন। এর আগে ২০২৫ ও ২০২৪ সালে বেতন-ভতার দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করে ওই গার্মেন্টসের শ্রমিকেরা।
গতকাল মঙ্গলবার প্রায় দুই ঘণ্টা ব্যাপী মহাসড়কের উপজেলার হাড়িখোলা মাজার এলাকায় এই অবরোধ কর্মসূচি চলে। ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রুহুল আমিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আন্দোলনরত একাধিক শ্রমিকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত তিন মাস ধরে তাদের বেতন দিচ্ছে না ডেনিম প্রসেসিং প্ল্যান্ট লিমিটেডের মালিকপক্ষ। এতে এক একজনের প্রায় ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকার বেশি বকেয়া রয়েছে। বাধ্য হয়ে তারা মহাসড়ক আবরোধ করে আন্দোলনে নামেন। এতে করে মহাসড়কের উভয় লেনে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। দেখা দেয় তীব্র যানজট। উপজেলার কুটম্বপুর থেকে নুরীতলা পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে যানজট ছড়িয়ে পড়ে।
এ বিষয়ে চান্দিনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আশরাফুল ইসলাম বলেন, চান্দিনা থানার ওসি আতিকুর রহমান, ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানার ওসি রুহুল আমিনসহ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মালিকপক্ষের সঙ্গে কথা বলি। মালিক পক্ষ দ্রুত বকেয়া বেতন-ভাতা ও বোনাস দেওয়ার আশ্বাস দিলে শ্রমিকেরা মহাসড়ক থেকে অবরোধ প্রত্যাহার করেন।
পোশাক কারখানা ডেনিম প্রসেসিং প্ল্যান্ট লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমরা শ্রমিকদের বলেছি, বৃহস্পতিবারের মধ্যে জানুয়ারি মাসের বেতন পাবেন তারা। আর ১৬ মার্চের মধ্যেই ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন ও ঈদের বোনাস পাবেন।
প্রসঙ্গত, বিভিন্ন সময়ে শ্রমিক অসন্তোষ, বেতন-ভাতা ঠিকভাবে পরিশোধ না করতে পারার কারণে ওই গার্মেন্টসের অন্তত ৬০ শতাংশ কর্মী চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন বা চাকরি হারিয়েছেন।