আমার শহর ডেস্ক

শুধু সেমিনার বা আলোচনা নয়, বাস্তবভিত্তিক ও টেকসই প্রকল্পের মাধ্যমে দেশ থেকে শিশুশ্রম নির্মূল করতে হবে। আর এ উদ্যোগ শুরু হতে হবে নিজের ঘর থেকেই বলে জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। আজ সোমবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ‘শিশুশ্রমকে না বলি, শোভন কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করি’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, চাইল্ড লেবার এলিমিনেশন প্ল্যাটফর্ম (সিএলইপি) এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও)।
শ্রমমন্ত্রী বলেন, শিশুশ্রমপ্রবণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করে আইএলওসহ দেশি-বিদেশি সব অংশীজনকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি বস্তি এলাকার সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের স্বাস্থ্যসুরক্ষা ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে আরও কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন। একটি শিশু সুস্থভাবে বেড়ে উঠছে কি না, তা নিশ্চিত করা সমাজের সবার দায়িত্ব। তিনি বলেন, দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ মানবসম্পদ। তাই শিশুদের শ্রমে নয়, শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে গড়ে তোলাই ভবিষ্যতের বিনিয়োগ। আগামী এক বছরের মধ্যে শিশুশ্রম নিরসনে একটি কার্যকর পাইলট কর্মসূচি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের জন্য মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন তিনি। আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, আগামী বছর দেখতে চান, পাইলট কর্মসূচির মাধ্যমে কত শতাংশ শিশুকে শ্রম থেকে ফিরিয়ে এনে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে। বক্তৃতার প্রতিশ্রুতি বাস্তবে রূপ দেওয়াই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
তিনি আরও বলেন, শিশুশ্রমবিরোধী গণসচেতনতা বাড়াতে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্পৃক্ততা জরুরি। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে দেশের মসজিদগুলোতে জুমার খুতবায় শিশুশ্রমের ক্ষতিকর দিক তুলে ধরা যেতে পারে। একইভাবে রামকৃষ্ণ মিশন, বৌদ্ধ বিহার, চার্চসহ সব ধর্মীয় উপাসনালয় ও ধর্মীয় সমাবেশেও এ বিষয়ে সচেতনতামূলক বার্তা প্রচার করা উচিত। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে শিশুশ্রম পরিস্থিতির সার্বিক চিত্র তুলে ধরা হয়। এতে এ খাতে দেশের অগ্রগতির পাশাপাশি বিদ্যমান চ্যালেঞ্জও উপস্থাপন করা হয়। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান তারফদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আইএলও বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ম্যাক্স টুনন।

শুধু সেমিনার বা আলোচনা নয়, বাস্তবভিত্তিক ও টেকসই প্রকল্পের মাধ্যমে দেশ থেকে শিশুশ্রম নির্মূল করতে হবে। আর এ উদ্যোগ শুরু হতে হবে নিজের ঘর থেকেই বলে জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। আজ সোমবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ‘শিশুশ্রমকে না বলি, শোভন কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করি’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, চাইল্ড লেবার এলিমিনেশন প্ল্যাটফর্ম (সিএলইপি) এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও)।
শ্রমমন্ত্রী বলেন, শিশুশ্রমপ্রবণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করে আইএলওসহ দেশি-বিদেশি সব অংশীজনকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি বস্তি এলাকার সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের স্বাস্থ্যসুরক্ষা ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে আরও কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন। একটি শিশু সুস্থভাবে বেড়ে উঠছে কি না, তা নিশ্চিত করা সমাজের সবার দায়িত্ব। তিনি বলেন, দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ মানবসম্পদ। তাই শিশুদের শ্রমে নয়, শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে গড়ে তোলাই ভবিষ্যতের বিনিয়োগ। আগামী এক বছরের মধ্যে শিশুশ্রম নিরসনে একটি কার্যকর পাইলট কর্মসূচি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের জন্য মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন তিনি। আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, আগামী বছর দেখতে চান, পাইলট কর্মসূচির মাধ্যমে কত শতাংশ শিশুকে শ্রম থেকে ফিরিয়ে এনে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে। বক্তৃতার প্রতিশ্রুতি বাস্তবে রূপ দেওয়াই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
তিনি আরও বলেন, শিশুশ্রমবিরোধী গণসচেতনতা বাড়াতে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্পৃক্ততা জরুরি। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে দেশের মসজিদগুলোতে জুমার খুতবায় শিশুশ্রমের ক্ষতিকর দিক তুলে ধরা যেতে পারে। একইভাবে রামকৃষ্ণ মিশন, বৌদ্ধ বিহার, চার্চসহ সব ধর্মীয় উপাসনালয় ও ধর্মীয় সমাবেশেও এ বিষয়ে সচেতনতামূলক বার্তা প্রচার করা উচিত। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে শিশুশ্রম পরিস্থিতির সার্বিক চিত্র তুলে ধরা হয়। এতে এ খাতে দেশের অগ্রগতির পাশাপাশি বিদ্যমান চ্যালেঞ্জও উপস্থাপন করা হয়। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান তারফদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আইএলও বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ম্যাক্স টুনন।