আমার শহর ডেস্ক

রাজধানীর সক্ষম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে আজ রোবাবর থেকে শুরু হচ্ছে অনলাইন-অফলাইন ক্লাস। শিক্ষা মন্ত্রণাল থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হবে বলে জানিয়েছেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক বি এম আব্দুল হান্নান।
এর আগে ঢাকা মহানগরে মাধ্যমিক স্তরের কিছু স্কুলে পরীক্ষামূলকভাবে শিক্ষার্থীদের জন্য তিন দিন অনলাইন ও বাকি তিন দিন অফলাইনে (সশরীরে) ক্লাস চালুর সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা এবং শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। গত ৯ এপ্রিল সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী জানান, রবিবার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস হবে।
অন্যদিকে, গতকাল শনিবার, সোমবার ও বুধবার শিক্ষার্থীরা স্কুলে উপস্থিত হয়ে অফলাইন ক্লাসে অংশ নেবে। জানতে চাইলে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক বলেন, মন্ত্রণাল এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হবে।
তবে শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছিলেন, রাজধানীর সক্ষম প্রতিষ্ঠানগুলোররোবাবর থেকে শরু করার কথা। বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে অনলাইন-অফলাইন ক্লাস চালুর বিষয়ে ৯ এপ্রিল দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী অনলাইন-অফলাইন ক্লাস করার বিষয়ে নির্দেশনা দেন।
তিনি বলেন, গতকাল শনিবার স্কুলে ক্লাস হবে, এদিন ট্রাফিক কম। রোবাবরঅনলাইনে ক্লাস করতে চাই, শিক্ষকরা স্কুলে এসে ক্লাস করবেন। সোমবার স্কুলে আনতে চাই। মঙ্গলবার স্কুলে আসবে না, অনলাইনে ক্লাস হবে। বুধবার স্কুলে আনতে চাই। বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস। গত শুক্রবার অনলাইনে ক্লাস করালে বাবা-মায়েদের সমস্যা হবে। আমরা পাইলট হিসেবে চালু করবো। কিন্তু শিক্ষকদের স্কুলে এসে ক্লাসে অংশ নিতে হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, আমরা তিন দিন অনলাইনে ও তিন দিন স্কুলে এনে ক্লাস করাবো। আমরা কাউকে ফোর্স করছি না, বৃহৎ স্কুলগুলো, ভালো স্কুলগুলোকে ব্লেন্ডিং এডুকেশনে যাওয়ার জন্য আমরা এই কাজগুলো হাতে নিয়েছি। স্কুলগুলোকে প্রিভিলেজ দিচ্ছি যে ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি কিনতে।
অনলাইন ক্লাস সারা দেশে শুরু হবে কিনা জানতে চাইলে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, মহানগরে যেখানে যানজট হয়। মহানগর বলতে বরিশালের বা ময়মনসিংহের কথা বলিনি। আমাদের শহরের (ঢাকা) রিনাউন স্কুলগুলো, যেটাতে গাড়ি নিয়ে আসে-যায়, যানজট তৈরি করে। আমরা সারা দেশ না, সারা মেট্রোপলিটন না। আমরা যদি প্রস্তুতি নিতে পারি, তাহলে সারা দেশে যাবো। হঠাৎ করে সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না। আমরা ভেবে-চিন্তে সিদ্ধান্ত নেবো।
কোন কোন স্কুলে অনলাইন-অফলাইন ক্লাস হবে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, এটা করোনা না যে আমরা জোর করে শুরু করবো। এটা ব্লেন্ডিং এডুকেশন। যারা অ্যাফোর্ড করতে পারবে, যাদের অনেক বাচ্চা গাড়িতে করে আসে তারা করবে। আমি কাউকে জোর করে করতে বলিনি।
শিক্ষা সচিব আব্দুল খালেক বলেন, ঢাকা শহরের কিছু নির্দিষ্ট স্কুল, মহানগরীর কিছু নামকরা স্কুলে, যেখানে শিশুরা গাড়িতে করে যায়। সেসব স্কুলে অনলাইনে ক্লাস চালু করা হবে। পুরান ঢাকার কাজী আলাউদ্দিন রোডের নাজিরাবাজার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক রোজিনা আক্তার শিক্ষামন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, আমার স্কুলের বেশিরভাগ শিক্ষার্থী তৃণমূল পর্যায়ের।
সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মী, সবজি বিক্রেতার সন্তানেরা পড়ে, বেশিরভাগ শিক্ষার্থীর বাসায় অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল, প্রতি ২০ জনের মধ্যে একজন পাবো কি না? সে ক্ষেত্রে আমি কী করতে যাবো?এসব শ্রেণির স্কুলের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, না। আপনাকে আমরা ইনক্লুড করিনি। আমরা বলছি, নামিদামি স্কুলগুলো, যেখানে ৯০ শতাংশের বেশি গাড়ি নিয়ে আসে, সেই স্কুলগুলোর জন্য। আপনাকে আমরা এ বিষয়ে ইনসিস্ট করছি না। যেগুলো ভালো স্কুল, সেগুলো আস্তে আস্তে শুরু করুক। তালিকাগুলো আমরা দেবো। অন্য স্কুলগুলো
সপ্তাহে পাঁচ দিন না ছয় দিন স্কুল করবে প্রশ্নে এহছানুল হক মিলন বলেন, তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, তারা তাদের মতো করে ক্লাস করবে। অর্থাৎ আগের মতো পাঁচ দিন ক্লাস করবে বলে জানান মন্ত্রী। ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলোর আগামী জুলাই থেকে ও লেভেল, এ লেভেল পরীক্ষা, তারা অনলাইনে যেতে চাইছে না।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সবার সঙ্গে আমার আলোচনা হয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য কী সিদ্ধান্ত জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, সেগুলো আরেকটি বিষয়। পরে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত হবে। অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো হবে।

রাজধানীর সক্ষম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে আজ রোবাবর থেকে শুরু হচ্ছে অনলাইন-অফলাইন ক্লাস। শিক্ষা মন্ত্রণাল থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হবে বলে জানিয়েছেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক বি এম আব্দুল হান্নান।
এর আগে ঢাকা মহানগরে মাধ্যমিক স্তরের কিছু স্কুলে পরীক্ষামূলকভাবে শিক্ষার্থীদের জন্য তিন দিন অনলাইন ও বাকি তিন দিন অফলাইনে (সশরীরে) ক্লাস চালুর সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা এবং শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। গত ৯ এপ্রিল সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী জানান, রবিবার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস হবে।
অন্যদিকে, গতকাল শনিবার, সোমবার ও বুধবার শিক্ষার্থীরা স্কুলে উপস্থিত হয়ে অফলাইন ক্লাসে অংশ নেবে। জানতে চাইলে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক বলেন, মন্ত্রণাল এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হবে।
তবে শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছিলেন, রাজধানীর সক্ষম প্রতিষ্ঠানগুলোররোবাবর থেকে শরু করার কথা। বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে অনলাইন-অফলাইন ক্লাস চালুর বিষয়ে ৯ এপ্রিল দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী অনলাইন-অফলাইন ক্লাস করার বিষয়ে নির্দেশনা দেন।
তিনি বলেন, গতকাল শনিবার স্কুলে ক্লাস হবে, এদিন ট্রাফিক কম। রোবাবরঅনলাইনে ক্লাস করতে চাই, শিক্ষকরা স্কুলে এসে ক্লাস করবেন। সোমবার স্কুলে আনতে চাই। মঙ্গলবার স্কুলে আসবে না, অনলাইনে ক্লাস হবে। বুধবার স্কুলে আনতে চাই। বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস। গত শুক্রবার অনলাইনে ক্লাস করালে বাবা-মায়েদের সমস্যা হবে। আমরা পাইলট হিসেবে চালু করবো। কিন্তু শিক্ষকদের স্কুলে এসে ক্লাসে অংশ নিতে হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, আমরা তিন দিন অনলাইনে ও তিন দিন স্কুলে এনে ক্লাস করাবো। আমরা কাউকে ফোর্স করছি না, বৃহৎ স্কুলগুলো, ভালো স্কুলগুলোকে ব্লেন্ডিং এডুকেশনে যাওয়ার জন্য আমরা এই কাজগুলো হাতে নিয়েছি। স্কুলগুলোকে প্রিভিলেজ দিচ্ছি যে ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি কিনতে।
অনলাইন ক্লাস সারা দেশে শুরু হবে কিনা জানতে চাইলে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, মহানগরে যেখানে যানজট হয়। মহানগর বলতে বরিশালের বা ময়মনসিংহের কথা বলিনি। আমাদের শহরের (ঢাকা) রিনাউন স্কুলগুলো, যেটাতে গাড়ি নিয়ে আসে-যায়, যানজট তৈরি করে। আমরা সারা দেশ না, সারা মেট্রোপলিটন না। আমরা যদি প্রস্তুতি নিতে পারি, তাহলে সারা দেশে যাবো। হঠাৎ করে সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না। আমরা ভেবে-চিন্তে সিদ্ধান্ত নেবো।
কোন কোন স্কুলে অনলাইন-অফলাইন ক্লাস হবে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, এটা করোনা না যে আমরা জোর করে শুরু করবো। এটা ব্লেন্ডিং এডুকেশন। যারা অ্যাফোর্ড করতে পারবে, যাদের অনেক বাচ্চা গাড়িতে করে আসে তারা করবে। আমি কাউকে জোর করে করতে বলিনি।
শিক্ষা সচিব আব্দুল খালেক বলেন, ঢাকা শহরের কিছু নির্দিষ্ট স্কুল, মহানগরীর কিছু নামকরা স্কুলে, যেখানে শিশুরা গাড়িতে করে যায়। সেসব স্কুলে অনলাইনে ক্লাস চালু করা হবে। পুরান ঢাকার কাজী আলাউদ্দিন রোডের নাজিরাবাজার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক রোজিনা আক্তার শিক্ষামন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, আমার স্কুলের বেশিরভাগ শিক্ষার্থী তৃণমূল পর্যায়ের।
সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মী, সবজি বিক্রেতার সন্তানেরা পড়ে, বেশিরভাগ শিক্ষার্থীর বাসায় অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল, প্রতি ২০ জনের মধ্যে একজন পাবো কি না? সে ক্ষেত্রে আমি কী করতে যাবো?এসব শ্রেণির স্কুলের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, না। আপনাকে আমরা ইনক্লুড করিনি। আমরা বলছি, নামিদামি স্কুলগুলো, যেখানে ৯০ শতাংশের বেশি গাড়ি নিয়ে আসে, সেই স্কুলগুলোর জন্য। আপনাকে আমরা এ বিষয়ে ইনসিস্ট করছি না। যেগুলো ভালো স্কুল, সেগুলো আস্তে আস্তে শুরু করুক। তালিকাগুলো আমরা দেবো। অন্য স্কুলগুলো
সপ্তাহে পাঁচ দিন না ছয় দিন স্কুল করবে প্রশ্নে এহছানুল হক মিলন বলেন, তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, তারা তাদের মতো করে ক্লাস করবে। অর্থাৎ আগের মতো পাঁচ দিন ক্লাস করবে বলে জানান মন্ত্রী। ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলোর আগামী জুলাই থেকে ও লেভেল, এ লেভেল পরীক্ষা, তারা অনলাইনে যেতে চাইছে না।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সবার সঙ্গে আমার আলোচনা হয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য কী সিদ্ধান্ত জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, সেগুলো আরেকটি বিষয়। পরে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত হবে। অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো হবে।