নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য হয়েছেন সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী ও কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ শাকসুর সাবেক নাট্য সম্পাদক আব্দুল হাই চৌধুরী সানু। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ১৯৯২-এর ধারা ২০(১) অনুযায়ী তাঁকে সিনেট সদস্য হিসেবে মনোনীত/নির্বাচিত করা হয়। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ মনোনয়ন দেওয়া হয়।
শিক্ষা, গবেষণা ও উন্নয়ন কর্মকান্ডে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, পেশাগত দক্ষতা এবং সমাজের প্রতি তাঁর নিবেদিত অবদানের স্বীকৃতি হিসেবেই এই মনোনয়নকে সংশ্লিষ্ট মহল গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। গত দুই দশক ধরে তিনি উন্নয়ন খাতে কাজ করে আসছেন। তাঁর বাড়ি সুনামগঞ্জ জেলায়।
সানু দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা, উন্নয়ন পরিকল্পনা, নীতি বিশ্লেষণ এবং সামাজিক উন্নয়ন কর্মকান্ডের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত রয়েছেন। বর্তমানে তিনি গবেষণা ও পরামর্শক প্রতিষ্ঠান Associates for Innovative Research and Development (AIRD) Ltd..-এর পরিচালক হিসেবে বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।
পেশাগত জীবনে তিনি IFAD, JICA এবং World Bank -এর বিভিন্ন প্রকল্পে কনসালট্যান্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। গবেষণা, নীতি প্রণয়ন, সামাজিক উন্নয়ন, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রকল্প মূল্যায়নের ক্ষেত্রে তাঁর রয়েছে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও উল্লেখযোগ্য অবদান।
ছাত্রজীবনে তিনি শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু)-এ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল মনোনীত প্যানেল থেকে নাট্য সম্পাদক পদে ভোটে জয়ী হন । পাশাপাশি সাংগঠনিক নেতৃত্ব, সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড এবং সামাজিক সম্পৃক্ততার ক্ষেত্রেও তিনি সুপরিচিত।
পেশাগত দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে তিনি ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, নেপাল, থাইল্যান্ড, লাওস, ভারত, নেদারল্যান্ডস এবং বেলজিয়ামসহ বিভিন্ন দেশ সফর করেছেন এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গবেষণা, উন্নয়ন ও নীতি-পরিকল্পনা বিষয়ে সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য হিসেবে তাঁর অন্তর্ভুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিনির্ধারণ, উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন, গবেষণার প্রসার এবং জবাবদিহিমূলক প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্ট মহল আশাবাদ ব্যক্ত করেছে।
আব্দুল হাই চৌধুরী সানু বলেন, আমি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে কৃতজ্ঞ।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য হয়েছেন সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী ও কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ শাকসুর সাবেক নাট্য সম্পাদক আব্দুল হাই চৌধুরী সানু। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ১৯৯২-এর ধারা ২০(১) অনুযায়ী তাঁকে সিনেট সদস্য হিসেবে মনোনীত/নির্বাচিত করা হয়। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ মনোনয়ন দেওয়া হয়।
শিক্ষা, গবেষণা ও উন্নয়ন কর্মকান্ডে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, পেশাগত দক্ষতা এবং সমাজের প্রতি তাঁর নিবেদিত অবদানের স্বীকৃতি হিসেবেই এই মনোনয়নকে সংশ্লিষ্ট মহল গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। গত দুই দশক ধরে তিনি উন্নয়ন খাতে কাজ করে আসছেন। তাঁর বাড়ি সুনামগঞ্জ জেলায়।
সানু দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা, উন্নয়ন পরিকল্পনা, নীতি বিশ্লেষণ এবং সামাজিক উন্নয়ন কর্মকান্ডের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত রয়েছেন। বর্তমানে তিনি গবেষণা ও পরামর্শক প্রতিষ্ঠান Associates for Innovative Research and Development (AIRD) Ltd..-এর পরিচালক হিসেবে বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।
পেশাগত জীবনে তিনি IFAD, JICA এবং World Bank -এর বিভিন্ন প্রকল্পে কনসালট্যান্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। গবেষণা, নীতি প্রণয়ন, সামাজিক উন্নয়ন, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রকল্প মূল্যায়নের ক্ষেত্রে তাঁর রয়েছে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও উল্লেখযোগ্য অবদান।
ছাত্রজীবনে তিনি শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু)-এ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল মনোনীত প্যানেল থেকে নাট্য সম্পাদক পদে ভোটে জয়ী হন । পাশাপাশি সাংগঠনিক নেতৃত্ব, সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড এবং সামাজিক সম্পৃক্ততার ক্ষেত্রেও তিনি সুপরিচিত।
পেশাগত দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে তিনি ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, নেপাল, থাইল্যান্ড, লাওস, ভারত, নেদারল্যান্ডস এবং বেলজিয়ামসহ বিভিন্ন দেশ সফর করেছেন এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গবেষণা, উন্নয়ন ও নীতি-পরিকল্পনা বিষয়ে সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য হিসেবে তাঁর অন্তর্ভুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিনির্ধারণ, উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন, গবেষণার প্রসার এবং জবাবদিহিমূলক প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্ট মহল আশাবাদ ব্যক্ত করেছে।
আব্দুল হাই চৌধুরী সানু বলেন, আমি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে কৃতজ্ঞ।