এবিএম আতিকুর রহমান বাশার, দেবীদ্বার

প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) ৫১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে কেক কাটায় অংশ নিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দেহরক্ষী দেবীদ্বারের বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ নায়েক আবু তাহেরের স্ত্রী রওশন আরা আক্তার।
আজ রোববার ঢাকা পিজিআর সদর দপ্তরে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে শহীদ নায়েক আবু তাহেরের স্ত্রী রৌশন আরা আক্তারও কেক কাটায় অংশ নেন।
প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) ৫১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, তিন বাহিনীর প্রধান-সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন, নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান এবং কমান্ডেন্ট প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আরিকল আলম প্রমুখ।
১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে আততায়ীর আক্রমণ হতে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিয়াউল রহমানকে রক্ষা করার জন্য নায়েক আবু তাহের নিজেকে উৎসর্গ করেন। এই অসম সাহসী এবং কর্তব্যপরায়ণ গার্ডস সদস্য হিসেবে প্রতিবছর সেনাবাহিনীর বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত হন তাঁর পরিবারের সদস্যরা।
শহীদ নায়েক মো. আবু তাহের ১৯৫২ সালের ২৫ জানুয়ারি কুমিল্লা দেবীদ্বার পৌর এলাকার বারেরা গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম সাদির বক্স। তিনি ১৯৭০ সালের ১ জুলাই পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগদান করেন। তিনি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে সেক্টর ২ এর অধীনে সক্রিয়ভাবে সম্মুখযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। পরবর্তীতে তিনি প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টে একজন গর্বিত গার্ডস সদস্য হিসেবে যোগদান করেন। সাহসী ও কর্তব্যপরায়ণ এই প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের সদস্য তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে আততায়ীর আক্রমণ হতে তৎকালীন রাষ্ট্রপতিকে রক্ষা করার জন্য তিনি নিজেকে উৎসর্গ করেন। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সাথে শহীদ নায়েক আবু তাহেরকেও রাঙ্গুনিয়া কবরস্থ করা হয়। ঘটনার দুদিন পর আবু তাহেরের লাশ কবর থেকে তুলে এনে নিজ গ্রামের বাড়ি বারেরা কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের পাশে কবর দেওয়া হয়।
শহীদ নায়েক আবু তাহেরের ২ ছেলে ও ১ মেরেয় সন্তান রয়েছেন। তাদের মধ্যে মো. সেলিম রসুলী এনএসআইয়ের ডেপুটি ডিরেক্টর পদে কর্মরত, অপর ছেলে মো. মাসুম রসুলী এনএসআইয়ের ফিল্ড অফিসার পদে কর্মরত এবং মেয়ে সেলিনা আক্তার গৃহিণী।

প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) ৫১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে কেক কাটায় অংশ নিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দেহরক্ষী দেবীদ্বারের বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ নায়েক আবু তাহেরের স্ত্রী রওশন আরা আক্তার।
আজ রোববার ঢাকা পিজিআর সদর দপ্তরে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে শহীদ নায়েক আবু তাহেরের স্ত্রী রৌশন আরা আক্তারও কেক কাটায় অংশ নেন।
প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) ৫১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, তিন বাহিনীর প্রধান-সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন, নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান এবং কমান্ডেন্ট প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আরিকল আলম প্রমুখ।
১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে আততায়ীর আক্রমণ হতে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিয়াউল রহমানকে রক্ষা করার জন্য নায়েক আবু তাহের নিজেকে উৎসর্গ করেন। এই অসম সাহসী এবং কর্তব্যপরায়ণ গার্ডস সদস্য হিসেবে প্রতিবছর সেনাবাহিনীর বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত হন তাঁর পরিবারের সদস্যরা।
শহীদ নায়েক মো. আবু তাহের ১৯৫২ সালের ২৫ জানুয়ারি কুমিল্লা দেবীদ্বার পৌর এলাকার বারেরা গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম সাদির বক্স। তিনি ১৯৭০ সালের ১ জুলাই পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগদান করেন। তিনি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে সেক্টর ২ এর অধীনে সক্রিয়ভাবে সম্মুখযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। পরবর্তীতে তিনি প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টে একজন গর্বিত গার্ডস সদস্য হিসেবে যোগদান করেন। সাহসী ও কর্তব্যপরায়ণ এই প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের সদস্য তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে আততায়ীর আক্রমণ হতে তৎকালীন রাষ্ট্রপতিকে রক্ষা করার জন্য তিনি নিজেকে উৎসর্গ করেন। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সাথে শহীদ নায়েক আবু তাহেরকেও রাঙ্গুনিয়া কবরস্থ করা হয়। ঘটনার দুদিন পর আবু তাহেরের লাশ কবর থেকে তুলে এনে নিজ গ্রামের বাড়ি বারেরা কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের পাশে কবর দেওয়া হয়।
শহীদ নায়েক আবু তাহেরের ২ ছেলে ও ১ মেরেয় সন্তান রয়েছেন। তাদের মধ্যে মো. সেলিম রসুলী এনএসআইয়ের ডেপুটি ডিরেক্টর পদে কর্মরত, অপর ছেলে মো. মাসুম রসুলী এনএসআইয়ের ফিল্ড অফিসার পদে কর্মরত এবং মেয়ে সেলিনা আক্তার গৃহিণী।