আমার শহর ডেস্ক

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেছেন, ডেডিকেটেডলি কাজ করতে হলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে জাতিসংঘে সময় দিতেই হবে।
কিন্তু তার মানে এই নয় যে, তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকতে পারবেন না। এটা প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত এবং আমি মনে করি, তাদের দুজনের সিদ্ধান্তে এটা হবে। আজ বুধবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী কেউ দায়িত্ব নেবেন কিনা প্রশ্নে শামা ওবায়েদ বলেন, আমি এ বিষয়ে অবগত নই। সেটা অবশ্য আমি মনে করি, প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত। আমরা এই বিজয়টা অর্জন করতে পেরেছি, তখন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কীভাবে চলবে সেটা তিনি সিদ্ধান্ত নেবেন।
তিনি বলেন, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের জয়লাভ নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের জন্য অনন্য এক মাইলফলক।
শামা ওবায়েদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের যোগ্যতায় এই অর্জন সম্ভব হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, জাতিসংঘের পাশাপাশি পুরো বিশ্বই বাংলাদেশের ওপর আস্থা রেখেছে। জিয়াউর রহমান থেকে শুরু করে এখনও বিএনপি ক‚টনৈতিকভাবে সফল।
এদিকে, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, বাংলাদেশের একটি হত্যা মামলার আসামি ভারতের মেঘালয় দিয়ে পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশের পর পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। মমতার এই বক্তব্য নিয়ে বাংলাদেশের মন্তব্য করা উচিত না বলে মনে করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
তিনি বলেন, এটা আমাদের আলোচনার বিষয় নয়। শামা ওবায়েদ বলেন, একজন নেতা একটা কথা বলেছে দ্যাট ইজ নট আওয়ার ম্যাটার টু ডিসকাস। এখন যদি ভারত সরকার বাংলাদেশকে হাদির হত্যার বিষয়ে কিছু বলে অবশ্যই আমরা দেখবো। অলরেডি এটা নিয়ে কাজ চলছে, কাজ এগিয়েছে আমাদের। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এটা নিয়ে কাজ করছে। হাদী হত্যার বিচার আমরা চাই এবং যারা ধরা পড়েছে ভারতে তাদের ফেরত এনে এখানে বিচার বাস্তবায়ন করতে হবে। দ্রুত করতে হবে। সে বিষয়ে কিন্তু আমরা সচেষ্ট আছি।
তিনি বলেন, এখন ভারতে একটা ইলেকশন হয়েছে, পাশের দেশে সেখানে যিনি হেরে গেছেন তিনি বলছেন ওনাদের সরকারকে উদ্দেশ্য করে। সেটা নিয়ে এখানে আমার বাংলাদেশে আমার কমেন্ট করা উচিত হবে বলে মনে করি না। কিন্তু আমরা হাদী হত্যার বিষয়ে ডিরেক্টলি গভমেন্টের সঙ্গে কথা বলবো। কারণ এই অপরাধীদের ফেরত আনতে হরে তাদের কিন্তু ভারত সরকারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের মাধ্যমে ফেরত আনতে হবে। সেগুলো নিয়ে আমরা কাজ করছি, খুবই সিরিয়াসলি।
এটা কিন্তু এগিয়েছে, বেশ ভালো এগিয়েছে সুতরাং আমরা ওইদিকে আগাতে চাই।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেছেন, ডেডিকেটেডলি কাজ করতে হলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে জাতিসংঘে সময় দিতেই হবে।
কিন্তু তার মানে এই নয় যে, তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকতে পারবেন না। এটা প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত এবং আমি মনে করি, তাদের দুজনের সিদ্ধান্তে এটা হবে। আজ বুধবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী কেউ দায়িত্ব নেবেন কিনা প্রশ্নে শামা ওবায়েদ বলেন, আমি এ বিষয়ে অবগত নই। সেটা অবশ্য আমি মনে করি, প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত। আমরা এই বিজয়টা অর্জন করতে পেরেছি, তখন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কীভাবে চলবে সেটা তিনি সিদ্ধান্ত নেবেন।
তিনি বলেন, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের জয়লাভ নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের জন্য অনন্য এক মাইলফলক।
শামা ওবায়েদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের যোগ্যতায় এই অর্জন সম্ভব হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, জাতিসংঘের পাশাপাশি পুরো বিশ্বই বাংলাদেশের ওপর আস্থা রেখেছে। জিয়াউর রহমান থেকে শুরু করে এখনও বিএনপি ক‚টনৈতিকভাবে সফল।
এদিকে, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, বাংলাদেশের একটি হত্যা মামলার আসামি ভারতের মেঘালয় দিয়ে পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশের পর পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। মমতার এই বক্তব্য নিয়ে বাংলাদেশের মন্তব্য করা উচিত না বলে মনে করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
তিনি বলেন, এটা আমাদের আলোচনার বিষয় নয়। শামা ওবায়েদ বলেন, একজন নেতা একটা কথা বলেছে দ্যাট ইজ নট আওয়ার ম্যাটার টু ডিসকাস। এখন যদি ভারত সরকার বাংলাদেশকে হাদির হত্যার বিষয়ে কিছু বলে অবশ্যই আমরা দেখবো। অলরেডি এটা নিয়ে কাজ চলছে, কাজ এগিয়েছে আমাদের। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এটা নিয়ে কাজ করছে। হাদী হত্যার বিচার আমরা চাই এবং যারা ধরা পড়েছে ভারতে তাদের ফেরত এনে এখানে বিচার বাস্তবায়ন করতে হবে। দ্রুত করতে হবে। সে বিষয়ে কিন্তু আমরা সচেষ্ট আছি।
তিনি বলেন, এখন ভারতে একটা ইলেকশন হয়েছে, পাশের দেশে সেখানে যিনি হেরে গেছেন তিনি বলছেন ওনাদের সরকারকে উদ্দেশ্য করে। সেটা নিয়ে এখানে আমার বাংলাদেশে আমার কমেন্ট করা উচিত হবে বলে মনে করি না। কিন্তু আমরা হাদী হত্যার বিষয়ে ডিরেক্টলি গভমেন্টের সঙ্গে কথা বলবো। কারণ এই অপরাধীদের ফেরত আনতে হরে তাদের কিন্তু ভারত সরকারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের মাধ্যমে ফেরত আনতে হবে। সেগুলো নিয়ে আমরা কাজ করছি, খুবই সিরিয়াসলি।
এটা কিন্তু এগিয়েছে, বেশ ভালো এগিয়েছে সুতরাং আমরা ওইদিকে আগাতে চাই।