আমার শহর ডেস্ক

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে জমির সীমানা নিয়ে বিরোধের জেরে আলম মিয়া (৩০) নামের এক রিকশাচালককে ঘরে আটকে রেখে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।
গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে গফরগাঁওয়ের পড়শীপাড়া গ্রাম থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। নিহত আলম মিয়া পড়শীপাড়া গ্রামের সহরুদ্দিনের ছেলে। তিনি পেশায় রিকশাচালক।
আটককৃতরা হলেন, একই উপজেলার গফরগাঁও ইউনিয়নের জয়নাকান্দা গ্রামের মৃত আব্দুল আউয়ালের ছেলে মো. আব্দুল কাদের (৫৫), একই ইউনিয়নের পড়শীপাড়া গ্রামের মোহাম্মদ ইব্রাহিমের ছেলে মোহাম্মদ মাজহারুল (৩০) ও গড়াবেড় গ্রামের শামসুল হকের ছেলে মোহাম্মদ ইমরান ইসলাম (২৫)।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, আলম মিয়ার পরিবারের সঙ্গে প্রতিবেশী আমান মিয়া ও তার পরিবারের সদস্যদের দীর্ঘদিনের জমির সীমানাসংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে। ওই বিরোধকে কেন্দ্র করে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
ঘটনার একপর্যায়ে আলম মিয়া প্রতিপক্ষ আমান মিয়ার মা আসিয়া বেগমের মাথায় আঘাত করেন। এ ঘটনার জের ধরে আমান মিয়া ও তার পরিবারের সদস্যরা আলম মিয়াকে ধরে জোরপূর্বক বাড়িতে নিয়ে গিয়ে একটি কক্ষে আটকে রেখে বেদম মারধর করেন। এতে ঘটনাস্থলেই আলম মিয়া মারা যান। আলমের মৃত্যুর পর তার লাশ উঠানে ফেলে রেখে বাড়িতে তালা দিয়ে সবাই পালিয়ে যান অভিযুক্তরা। খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায় পুলিশ।
এদিকে আলম মিয়াকে ঘরে আটকে পেটানোর একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা গেছে, এক তরুণের ডান হাতে একটি লাঠি। আরেক হাতে মুঠোফোনে ভিডিও কলে রয়েছেন এক ব্যক্তি। ঘরের মেঝেতে নেতিয়ে পড়ে থাকা আলম মিয়াকে আঘাত করা হচ্ছে। ‘মাথায় বাড়ি দিছি রে’ বলেই আঘাত করতে থাকেন ওই তরুণ।
এ বিষয়ে ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, পূর্ববিরোধের জের ধরে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে আলম মিয়াকে ঘরে আটকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত তিনজনকে আটক করা হয়েছে। নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে। এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত থাকলে তাদেরকেও গ্রেফতার করা হবে।

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে জমির সীমানা নিয়ে বিরোধের জেরে আলম মিয়া (৩০) নামের এক রিকশাচালককে ঘরে আটকে রেখে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।
গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে গফরগাঁওয়ের পড়শীপাড়া গ্রাম থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। নিহত আলম মিয়া পড়শীপাড়া গ্রামের সহরুদ্দিনের ছেলে। তিনি পেশায় রিকশাচালক।
আটককৃতরা হলেন, একই উপজেলার গফরগাঁও ইউনিয়নের জয়নাকান্দা গ্রামের মৃত আব্দুল আউয়ালের ছেলে মো. আব্দুল কাদের (৫৫), একই ইউনিয়নের পড়শীপাড়া গ্রামের মোহাম্মদ ইব্রাহিমের ছেলে মোহাম্মদ মাজহারুল (৩০) ও গড়াবেড় গ্রামের শামসুল হকের ছেলে মোহাম্মদ ইমরান ইসলাম (২৫)।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, আলম মিয়ার পরিবারের সঙ্গে প্রতিবেশী আমান মিয়া ও তার পরিবারের সদস্যদের দীর্ঘদিনের জমির সীমানাসংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে। ওই বিরোধকে কেন্দ্র করে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
ঘটনার একপর্যায়ে আলম মিয়া প্রতিপক্ষ আমান মিয়ার মা আসিয়া বেগমের মাথায় আঘাত করেন। এ ঘটনার জের ধরে আমান মিয়া ও তার পরিবারের সদস্যরা আলম মিয়াকে ধরে জোরপূর্বক বাড়িতে নিয়ে গিয়ে একটি কক্ষে আটকে রেখে বেদম মারধর করেন। এতে ঘটনাস্থলেই আলম মিয়া মারা যান। আলমের মৃত্যুর পর তার লাশ উঠানে ফেলে রেখে বাড়িতে তালা দিয়ে সবাই পালিয়ে যান অভিযুক্তরা। খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায় পুলিশ।
এদিকে আলম মিয়াকে ঘরে আটকে পেটানোর একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা গেছে, এক তরুণের ডান হাতে একটি লাঠি। আরেক হাতে মুঠোফোনে ভিডিও কলে রয়েছেন এক ব্যক্তি। ঘরের মেঝেতে নেতিয়ে পড়ে থাকা আলম মিয়াকে আঘাত করা হচ্ছে। ‘মাথায় বাড়ি দিছি রে’ বলেই আঘাত করতে থাকেন ওই তরুণ।
এ বিষয়ে ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, পূর্ববিরোধের জের ধরে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে আলম মিয়াকে ঘরে আটকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত তিনজনকে আটক করা হয়েছে। নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে। এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত থাকলে তাদেরকেও গ্রেফতার করা হবে।