আমার শহর ডেস্ক

বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার চিংগড়িয়া এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিশ্বাস ও শেখ দুই বংশের মধ্যে প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় রাজীব শেখ (২৮) নামে একজন নিহত হয়েছে। এ ছাড়া ২০ থেকে ৩০টি বসতবাড়িতে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করা হয়।
স্থানীয়রা বলেন, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে প্রায় ৯টা পর্যন্ত এই হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। পূর্ব বিরোধের জের ধরে কয়েকটি বসতঘরে আগুন দেওয়া হয় এবং মালামাল লুটপাট করা হয়। বিশ্বাস বংশের লোকদের হামলায় ফারুক শেখের ছেলে রাজীব শেখ নিহত হয়।
মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, বিশ্বাস বাড়ির বাহিনী শেখ বাড়ির প্রায় ৩০টি বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করেছে। তারা ঘরে থাকা সোনাদানা, নগদ টাকা-পয়সাসহ মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে যায় এবং বাড়িঘর আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়। এতে আমাদের পরিবারের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
বর্তমানে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। রিপন শেখ জানান, তার বাড়ি ঘর ভাঙচুর করা হয়েছে। তার বংশের ২০ থেকে ৩০টি বাড়িতে লুটপাট চালিয়ে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীর মাদক বিক্রির বাধা দেওয়ায় সাইদ বিশ্বাসের নেতৃত্বে একদল লোক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর বাড়ি ও দোকান ঘরে হামলা চালায়। চিতলমারী থানার ওসি নজরুল ইসলাম জানান, পরিস্থিতি বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় রাজীব নামে একজন নিহত হয়েছেন।
এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টার পর চিতলমারী উপজেলার শিবপুর গ্রামে বাড়িতে প্রবেশ করে প্রশাসনের লোক পরিচয়ে ধাওয়া করে আমির হামজা (২৩) নামের এক শিক্ষার্থীকে বাবার সামনে গুলি করে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা।
১৪ মার্চ রাতে পার্শ্ববর্তী মোল্লাহাট উপজেলা সদর বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন সোহাগ শেখ (৪২) নামের এক ব্যবসায়ী। ওই ঘটনার ৭ দিন আগে ৭ মার্চ রাতে একই উপজেলার কাহালপুর পশ্চিমপাড়া এলাকায় মহাসড়কের পাশ থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ব্যবসায়ী সোহাগের কর্মচারী নূর ইসলামকে (২৭) গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করেন স্থানীয় লোকজন।

বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার চিংগড়িয়া এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিশ্বাস ও শেখ দুই বংশের মধ্যে প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় রাজীব শেখ (২৮) নামে একজন নিহত হয়েছে। এ ছাড়া ২০ থেকে ৩০টি বসতবাড়িতে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করা হয়।
স্থানীয়রা বলেন, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে প্রায় ৯টা পর্যন্ত এই হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। পূর্ব বিরোধের জের ধরে কয়েকটি বসতঘরে আগুন দেওয়া হয় এবং মালামাল লুটপাট করা হয়। বিশ্বাস বংশের লোকদের হামলায় ফারুক শেখের ছেলে রাজীব শেখ নিহত হয়।
মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, বিশ্বাস বাড়ির বাহিনী শেখ বাড়ির প্রায় ৩০টি বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করেছে। তারা ঘরে থাকা সোনাদানা, নগদ টাকা-পয়সাসহ মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে যায় এবং বাড়িঘর আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়। এতে আমাদের পরিবারের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
বর্তমানে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। রিপন শেখ জানান, তার বাড়ি ঘর ভাঙচুর করা হয়েছে। তার বংশের ২০ থেকে ৩০টি বাড়িতে লুটপাট চালিয়ে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীর মাদক বিক্রির বাধা দেওয়ায় সাইদ বিশ্বাসের নেতৃত্বে একদল লোক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর বাড়ি ও দোকান ঘরে হামলা চালায়। চিতলমারী থানার ওসি নজরুল ইসলাম জানান, পরিস্থিতি বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় রাজীব নামে একজন নিহত হয়েছেন।
এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টার পর চিতলমারী উপজেলার শিবপুর গ্রামে বাড়িতে প্রবেশ করে প্রশাসনের লোক পরিচয়ে ধাওয়া করে আমির হামজা (২৩) নামের এক শিক্ষার্থীকে বাবার সামনে গুলি করে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা।
১৪ মার্চ রাতে পার্শ্ববর্তী মোল্লাহাট উপজেলা সদর বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন সোহাগ শেখ (৪২) নামের এক ব্যবসায়ী। ওই ঘটনার ৭ দিন আগে ৭ মার্চ রাতে একই উপজেলার কাহালপুর পশ্চিমপাড়া এলাকায় মহাসড়কের পাশ থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ব্যবসায়ী সোহাগের কর্মচারী নূর ইসলামকে (২৭) গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করেন স্থানীয় লোকজন।