• কুমিল্লা সিটি করপোরেশন
  • কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
  • আদর্শ সদর
  • বরুড়া
  • লাকসাম
  • দাউদকান্দি
  • আরও
    • চৌদ্দগ্রাম
    • সদর দক্ষিণ
    • নাঙ্গলকোট
    • বুড়িচং
    • ব্রাহ্মণপাড়া
    • মনোহরগঞ্জ
    • লালমাই
    • চান্দিনা
    • মুরাদনগর
    • দেবীদ্বার
    • হোমনা
    • মেঘনা
    • তিতাস
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • বাংলাদেশ
  • অপরাধ
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • মতামত
  • খেলা
  • বিনোদন
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • ইপেপার
  • ইপেপার
facebooktwittertiktokpinterestyoutubelinkedininstagramgoogle
স্বত্ব: ©️ আমার শহর

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. গাজীউল হক ভূঁইয়া ( সোহাগ)।

নাহার প্লাজা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা-৩৫০০

ই-মেইল: [email protected]

ফোন: 01716197760

> বাংলাদেশ

ঐতিহ্য

ঢাকায় গ্রীক সমাধিসৌধ

আমার শহর ডেস্ক
প্রকাশ : ০৫ আগস্ট ২০২৫, ১৫: ৪৪
logo

ঢাকায় গ্রীক সমাধিসৌধ

আমার শহর ডেস্ক

প্রকাশ : ০৫ আগস্ট ২০২৫, ১৫: ৪৪
Photo

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি চত্বরে অবস্থিত একটি নিঃশব্দ, অথচ ঐতিহাসিক স্মৃতিচিহ্ন হলো গ্রীক সমাধিসৌধ। দেখতে চতুষ্কোণ আকৃতির একটি কুটিরের মতো হলুদ রঙের এই স্থাপনাটি গ্রীকদের স্মরণে নির্মিত একটি সমাধি সৌধ। দেশের ইতিহাসে গ্রীকদের শেষ স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে এই সৌধটির গুরুত্ব অপরিসীম। অনেকে সেটি জানেন না।

এই সমাধিটি নির্মাণ করেছিলেন সেইন্ট টমাস গির্জার যাজক জে এম ম্যাকডোনাল্ড। এটি মূলত নারায়ণগঞ্জে বসবাসকারী 'ডিমিট্রিয়াস' নামক এক গ্রীক পরিবারের চার সদস্যের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত হয়। ইতিহাসবিদদের ধারণা, এটি ১৮০০ থেকে ১৮৪০ সালের মধ্যবর্তী কোনো সময়ে নির্মিত।

বাংলাদেশে গ্রীকদের বসবাসের ইতিহাস বেশ পুরোনো। ১৭৭০ থেকে ১৮০০ সালের মধ্যে ঢাকায় প্রায় দুই শতাধিক গ্রীক বসবাস করতেন। তাদের একটি বড় অংশের বসবাস ছিল ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে। সময়ের পরিক্রমায় সেইসব গ্রীক পরিবার ও তাদের বসতি হারিয়ে গেলেও, টিকে আছে এই সমাধিসৌধটি — যেন ইতিহাসের এক নীরব সাক্ষী হয়ে।

টিএসসির সবুজ মাঠের দক্ষিণ কোণায় দাঁড়িয়ে থাকা এই সৌধের বাইরের রূপ যেমন দৃষ্টিনন্দন, তেমনি ভেতরের এপিটাফগুলোও অত্যন্ত শৈল্পিক ও হৃদয়ছোঁয়া। এটি শুধুই একটি সমাধি নয়, বরং উপমহাদেশে গ্রীকদের উপস্থিতির একমাত্র জীবন্ত প্রমাণ।

Thumbnail image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি চত্বরে অবস্থিত একটি নিঃশব্দ, অথচ ঐতিহাসিক স্মৃতিচিহ্ন হলো গ্রীক সমাধিসৌধ। দেখতে চতুষ্কোণ আকৃতির একটি কুটিরের মতো হলুদ রঙের এই স্থাপনাটি গ্রীকদের স্মরণে নির্মিত একটি সমাধি সৌধ। দেশের ইতিহাসে গ্রীকদের শেষ স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে এই সৌধটির গুরুত্ব অপরিসীম। অনেকে সেটি জানেন না।

এই সমাধিটি নির্মাণ করেছিলেন সেইন্ট টমাস গির্জার যাজক জে এম ম্যাকডোনাল্ড। এটি মূলত নারায়ণগঞ্জে বসবাসকারী 'ডিমিট্রিয়াস' নামক এক গ্রীক পরিবারের চার সদস্যের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত হয়। ইতিহাসবিদদের ধারণা, এটি ১৮০০ থেকে ১৮৪০ সালের মধ্যবর্তী কোনো সময়ে নির্মিত।

বাংলাদেশে গ্রীকদের বসবাসের ইতিহাস বেশ পুরোনো। ১৭৭০ থেকে ১৮০০ সালের মধ্যে ঢাকায় প্রায় দুই শতাধিক গ্রীক বসবাস করতেন। তাদের একটি বড় অংশের বসবাস ছিল ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে। সময়ের পরিক্রমায় সেইসব গ্রীক পরিবার ও তাদের বসতি হারিয়ে গেলেও, টিকে আছে এই সমাধিসৌধটি — যেন ইতিহাসের এক নীরব সাক্ষী হয়ে।

টিএসসির সবুজ মাঠের দক্ষিণ কোণায় দাঁড়িয়ে থাকা এই সৌধের বাইরের রূপ যেমন দৃষ্টিনন্দন, তেমনি ভেতরের এপিটাফগুলোও অত্যন্ত শৈল্পিক ও হৃদয়ছোঁয়া। এটি শুধুই একটি সমাধি নয়, বরং উপমহাদেশে গ্রীকদের উপস্থিতির একমাত্র জীবন্ত প্রমাণ।

বিষয়:

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

১

ডেঙ্গু পরিস্থিতি দেখতে হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

২

পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

৩

কৃষিকে লাভজনক খাতে পরিণত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি

৪

দেশের কল্যাণে ব্যক্তিগত উদ্যোগে কাজ করা মানুষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : প্রধানমন্ত্রী

৫

নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষার ভ্রাম্যমাণ ল্যাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী

সম্পর্কিত

ডেঙ্গু পরিস্থিতি দেখতে হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

ডেঙ্গু পরিস্থিতি দেখতে হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

১২ ঘণ্টা আগে
পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

২ দিন আগে
কৃষিকে লাভজনক খাতে পরিণত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি

কৃষিকে লাভজনক খাতে পরিণত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি

২ দিন আগে
দেশের কল্যাণে ব্যক্তিগত উদ্যোগে কাজ করা মানুষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : প্রধানমন্ত্রী

দেশের কল্যাণে ব্যক্তিগত উদ্যোগে কাজ করা মানুষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : প্রধানমন্ত্রী

৩ দিন আগে