নিজস্ব প্রতিবেদক

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) অধীন আগামীকাল শনিবার নির্ধারিত সময়ে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা হবে। পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের প্রবেশপত্রে উল্লেখিত সময় অনুযায়ী যথাসময়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে উপস্থিত থাকার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করেছেন এনটিআরসিএ কর্তৃপক্ষ। এনটিআরসিএর ওয়েবসাইটে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিতে যাওয়া পরীক্ষার্থীদের একজন কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার ঝলম উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মাসুদ মজুমদার আমার শহরকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ওই শিক্ষক বলেন, প্রথমে নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। পরে এনটিআরসিএ আপিল করে। এতে পরীক্ষা হতে কোন বাধা নেই বলে জানানো হয়।
জানা গেছে, এই সংশোধিত বিজ্ঞপ্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দেশের বিভিন্ন এলাকার ১১৪ জন আবেদনকারী হাইকোর্টে রিট করেন। ওই রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে আদালত বৃহস্পতিবার দুপুওে এই আদেশ দেন। আদালত একই সঙ্গে ২৫ মার্চের ওই সংশোধিত বিজ্ঞপ্তি কেন অবৈধ ও আইনগত ক্ষমতা বহির্ভ‚ত ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল তিনটায় হাইকোর্ট চার সপ্তাহের রুল জারি করেছেন। শিক্ষা সচিব ও এনটিআরসিএ কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্টদের এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। পরে বিকেল ৪ টা ৪৫ মিনিটে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে এনটিআরসিএর আপিল করে। এরপর চেম্বার জর্জ আদালত হাইকোর্টের দেওয়া স্থগিতাদেশটি স্থগিত করেন। এতে পরীক্ষা নিতে কোন সমস্যা নেই বলে জানানো হয়।
জানা গেছে, এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল বৃহস্পতিবার বিচারপতি আকরাম হোসেন চৌধুরী ও বিচারপতি এ এফ এম সাইফুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির বুলবুল। আদেশের পর তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, শনিবারের এই নিয়োগ পরীক্ষা আগামী দুই মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে এনটিআরসিএ কর্তৃক গত ২৫ মার্চ ইস্যু করা সংশোধিত বিজ্ঞপ্তির কার্যকারিতাও দুই মাসের জন্য স্থগিত করেছেন আদালত।
রিটকারীদের অভিযোগ, আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার ১৯ থেকে ২৫ দিন পর জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালায় পরিবর্তন আনা হয়। পরিবর্তিত নীতিমালায় ওই পদগুলোর জন্য অভিজ্ঞতার সময় বাড়িয়ে ১৮ বছর করা হয়। এর ফলে আগের বিজ্ঞপ্তির ভিত্তিতে আবেদন করা অনেক প্রার্থী অযোগ্য হয়ে পড়েন। পরে ২৫ মার্চ আগের বিজ্ঞপ্তিটি বাতিল করে সংশোধিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এনটিআরসিএ।
এর আগে গত ২৯ জানুয়ারি এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দেশের স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানের ১৩ হাজার ৫৫৯টি শূন্য পদে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগের আবেদন আহবান করা হয়। ওই বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষকদের ১০ থেকে ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা চাওয়া হয়েছিল।

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) অধীন আগামীকাল শনিবার নির্ধারিত সময়ে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা হবে। পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের প্রবেশপত্রে উল্লেখিত সময় অনুযায়ী যথাসময়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে উপস্থিত থাকার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করেছেন এনটিআরসিএ কর্তৃপক্ষ। এনটিআরসিএর ওয়েবসাইটে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিতে যাওয়া পরীক্ষার্থীদের একজন কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার ঝলম উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মাসুদ মজুমদার আমার শহরকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ওই শিক্ষক বলেন, প্রথমে নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। পরে এনটিআরসিএ আপিল করে। এতে পরীক্ষা হতে কোন বাধা নেই বলে জানানো হয়।
জানা গেছে, এই সংশোধিত বিজ্ঞপ্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দেশের বিভিন্ন এলাকার ১১৪ জন আবেদনকারী হাইকোর্টে রিট করেন। ওই রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে আদালত বৃহস্পতিবার দুপুওে এই আদেশ দেন। আদালত একই সঙ্গে ২৫ মার্চের ওই সংশোধিত বিজ্ঞপ্তি কেন অবৈধ ও আইনগত ক্ষমতা বহির্ভ‚ত ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল তিনটায় হাইকোর্ট চার সপ্তাহের রুল জারি করেছেন। শিক্ষা সচিব ও এনটিআরসিএ কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্টদের এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। পরে বিকেল ৪ টা ৪৫ মিনিটে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে এনটিআরসিএর আপিল করে। এরপর চেম্বার জর্জ আদালত হাইকোর্টের দেওয়া স্থগিতাদেশটি স্থগিত করেন। এতে পরীক্ষা নিতে কোন সমস্যা নেই বলে জানানো হয়।
জানা গেছে, এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল বৃহস্পতিবার বিচারপতি আকরাম হোসেন চৌধুরী ও বিচারপতি এ এফ এম সাইফুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির বুলবুল। আদেশের পর তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, শনিবারের এই নিয়োগ পরীক্ষা আগামী দুই মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে এনটিআরসিএ কর্তৃক গত ২৫ মার্চ ইস্যু করা সংশোধিত বিজ্ঞপ্তির কার্যকারিতাও দুই মাসের জন্য স্থগিত করেছেন আদালত।
রিটকারীদের অভিযোগ, আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার ১৯ থেকে ২৫ দিন পর জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালায় পরিবর্তন আনা হয়। পরিবর্তিত নীতিমালায় ওই পদগুলোর জন্য অভিজ্ঞতার সময় বাড়িয়ে ১৮ বছর করা হয়। এর ফলে আগের বিজ্ঞপ্তির ভিত্তিতে আবেদন করা অনেক প্রার্থী অযোগ্য হয়ে পড়েন। পরে ২৫ মার্চ আগের বিজ্ঞপ্তিটি বাতিল করে সংশোধিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এনটিআরসিএ।
এর আগে গত ২৯ জানুয়ারি এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দেশের স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানের ১৩ হাজার ৫৫৯টি শূন্য পদে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগের আবেদন আহবান করা হয়। ওই বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষকদের ১০ থেকে ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা চাওয়া হয়েছিল।