আমার শহর ডেস্ক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত বিভিন্ন মেডিকেল কলেজের এমবিবিএস ফাইনাল প্রফেশনাল পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়া ১০ নবীন চিকিৎসককে সম্মাননা দিয়েছে ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। প্রথমবার আয়োজিত ‘টপ টেন জিনিয়াস ইন্টার্ন ডক্টরস’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এ সম্মাননা দেওয়া হয়। গতকাল শনিবার দুপুরে রাজধানীর মহাখালীর রাওয়া কনভেনশন সেন্টারে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চেয়ারম্যান প্রীতি চক্রবর্ত্তীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক নাজমুল হোসেন।
অনুষ্ঠানে সম্মাননা পাওয়া চিকিৎসকেরা হলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের উমাইর আফিফ (প্রথম), মিথিলা ফারজানা (চতুর্থ), এ আর জান্নাতুল নাঈমা (ষষ্ঠ), শাহ মো. ফরিদ উদ্দিন (সপ্তম) ও স্টুটি রিমাল (দশম)। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের তাহমিদ মিহদা (দ্বিতীয়), জান্নাতুল ফেরদৌস (তৃতীয়), পারমিতা দেবনাথ (অষ্টম) ও কাজী জান্নাতুল শশীপ্রভা (অষ্টম)। মুগদা মেডিকেল কলেজের ইফফাত আমান (পঞ্চম)। সম্মাননাপ্রাপ্তদের ক্রেস্ট ও মেডেল দেওয়া হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক নাজমুল হোসেন বলেন, এখন পর্যন্ত ১১২টি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সর্বশেষ এ বছর দুটি নতুন মেডিকেল কলেজ এসেছে। সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজ মিলে এ বছর ১১ হাজার ১০১ শিক্ষার্থী ভর্তি হতে যাচ্ছেন। এই প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে যাঁরা পাস করে বের হন, তাঁদের বড় দায়িত্ব। দেশের ১৮ কোটি মানুষের স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য যা কিছু করতে হয়, তা সবাই মিলে করতে হয়।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ডা. আবদুন নূর তুষার বলেন, ‘আমাদের পেশায় রাজনীতি প্রবলভাবে আমাদের আচ্ছন্ন করেছে। এর কারণ পদ, পদবি, পদায়ন, চাকরি-বাকরি—সব জায়গায় রাজনৈতিক বিবেচনা। আমাদের আলাদা আলাদা গোষ্ঠীতে পরিণত করেছে। যদি কেউ আমাদের নিয়ে রাজনীতি করতেই চায়, তবে আমাদের মধ্যে যাঁরা মেধাবী, তাঁদের অগ্রগণ্য করতে হবে।’
সভাপতির বক্তব্যে প্রীতি চক্রবর্ত্তী বলেন, ‘ডাক্তারদের আমরা হিন্দুশাস্ত্রে বলি যে বৈদ্যরূপী নারায়ণ। অর্থাৎ দেবতারূপে একজন চিকিৎসক এসে আমাদের সামনে হাজির হন। আফিফ আমাদের (স্বাস্থ্য) সংস্কার কমিটির একজন মেম্বার ছিল। খুবই চমৎকার উদ্যোগ। আমি মনে করি, যেকোনো পলিসি মেকিংয়ে যদি শিক্ষার্থীরা থাকে, তাহলে তারা বাস্তব চিত্রটা নিয়ে আসে।’
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও আয়োজনের প্রধান উদ্যোক্তা আশীষ কুমার চক্রবর্ত্তী। অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা অনুষদের ডিন অধ্যাপক মো. মোস্তাক আহাম্মদ, ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক উত্তম কুমার পাল, ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অর্থোপেডিক সার্জারির বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক এ কে এম খালেকুজ্জামান দীপু বক্তব্য দেন।
পরীক্ষায় প্রথম হওয়া উমাইর আফিফ নিজের অনুভূতি জানাতে গিয়ে বলেন, ‘আজকের এটি কেবল সম্মাননা হিসেবে নয়, প্রেরণা হিসেবেও কাজ করবে। আমি চাই, এটি কেবল মেডিকেল কলেজেই নয়, অন্য বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রতিষ্ঠানগুলোতেও যেন এ রকম আয়োজন করা হয়।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত বিভিন্ন মেডিকেল কলেজের এমবিবিএস ফাইনাল প্রফেশনাল পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়া ১০ নবীন চিকিৎসককে সম্মাননা দিয়েছে ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। প্রথমবার আয়োজিত ‘টপ টেন জিনিয়াস ইন্টার্ন ডক্টরস’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এ সম্মাননা দেওয়া হয়। গতকাল শনিবার দুপুরে রাজধানীর মহাখালীর রাওয়া কনভেনশন সেন্টারে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চেয়ারম্যান প্রীতি চক্রবর্ত্তীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক নাজমুল হোসেন।
অনুষ্ঠানে সম্মাননা পাওয়া চিকিৎসকেরা হলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের উমাইর আফিফ (প্রথম), মিথিলা ফারজানা (চতুর্থ), এ আর জান্নাতুল নাঈমা (ষষ্ঠ), শাহ মো. ফরিদ উদ্দিন (সপ্তম) ও স্টুটি রিমাল (দশম)। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের তাহমিদ মিহদা (দ্বিতীয়), জান্নাতুল ফেরদৌস (তৃতীয়), পারমিতা দেবনাথ (অষ্টম) ও কাজী জান্নাতুল শশীপ্রভা (অষ্টম)। মুগদা মেডিকেল কলেজের ইফফাত আমান (পঞ্চম)। সম্মাননাপ্রাপ্তদের ক্রেস্ট ও মেডেল দেওয়া হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক নাজমুল হোসেন বলেন, এখন পর্যন্ত ১১২টি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সর্বশেষ এ বছর দুটি নতুন মেডিকেল কলেজ এসেছে। সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজ মিলে এ বছর ১১ হাজার ১০১ শিক্ষার্থী ভর্তি হতে যাচ্ছেন। এই প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে যাঁরা পাস করে বের হন, তাঁদের বড় দায়িত্ব। দেশের ১৮ কোটি মানুষের স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য যা কিছু করতে হয়, তা সবাই মিলে করতে হয়।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ডা. আবদুন নূর তুষার বলেন, ‘আমাদের পেশায় রাজনীতি প্রবলভাবে আমাদের আচ্ছন্ন করেছে। এর কারণ পদ, পদবি, পদায়ন, চাকরি-বাকরি—সব জায়গায় রাজনৈতিক বিবেচনা। আমাদের আলাদা আলাদা গোষ্ঠীতে পরিণত করেছে। যদি কেউ আমাদের নিয়ে রাজনীতি করতেই চায়, তবে আমাদের মধ্যে যাঁরা মেধাবী, তাঁদের অগ্রগণ্য করতে হবে।’
সভাপতির বক্তব্যে প্রীতি চক্রবর্ত্তী বলেন, ‘ডাক্তারদের আমরা হিন্দুশাস্ত্রে বলি যে বৈদ্যরূপী নারায়ণ। অর্থাৎ দেবতারূপে একজন চিকিৎসক এসে আমাদের সামনে হাজির হন। আফিফ আমাদের (স্বাস্থ্য) সংস্কার কমিটির একজন মেম্বার ছিল। খুবই চমৎকার উদ্যোগ। আমি মনে করি, যেকোনো পলিসি মেকিংয়ে যদি শিক্ষার্থীরা থাকে, তাহলে তারা বাস্তব চিত্রটা নিয়ে আসে।’
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও আয়োজনের প্রধান উদ্যোক্তা আশীষ কুমার চক্রবর্ত্তী। অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা অনুষদের ডিন অধ্যাপক মো. মোস্তাক আহাম্মদ, ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক উত্তম কুমার পাল, ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অর্থোপেডিক সার্জারির বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক এ কে এম খালেকুজ্জামান দীপু বক্তব্য দেন।
পরীক্ষায় প্রথম হওয়া উমাইর আফিফ নিজের অনুভূতি জানাতে গিয়ে বলেন, ‘আজকের এটি কেবল সম্মাননা হিসেবে নয়, প্রেরণা হিসেবেও কাজ করবে। আমি চাই, এটি কেবল মেডিকেল কলেজেই নয়, অন্য বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রতিষ্ঠানগুলোতেও যেন এ রকম আয়োজন করা হয়।’