• কুমিল্লা সিটি করপোরেশন
  • কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
  • আদর্শ সদর
  • বরুড়া
  • লাকসাম
  • দাউদকান্দি
  • আরও
    • চৌদ্দগ্রাম
    • সদর দক্ষিণ
    • নাঙ্গলকোট
    • বুড়িচং
    • ব্রাহ্মণপাড়া
    • মনোহরগঞ্জ
    • লালমাই
    • চান্দিনা
    • মুরাদনগর
    • দেবীদ্বার
    • হোমনা
    • মেঘনা
    • তিতাস
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • বাংলাদেশ
  • অপরাধ
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • মতামত
  • খেলা
  • বিনোদন
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • ইপেপার
  • ইপেপার
facebooktwittertiktokpinterestyoutubelinkedininstagramgoogle
স্বত্ব: ©️ আমার শহর

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. গাজীউল হক ভূঁইয়া ( সোহাগ)।

নাহার প্লাজা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা-৩৫০০

ই-মেইল: [email protected]

ফোন: 01716197760

> বাংলাদেশ

নিষিদ্ধই থাকছে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম, সংসদে বিল পাস

আমার শহর ডেস্ক
প্রকাশ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৮: ৫২
logo

নিষিদ্ধই থাকছে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম, সংসদে বিল পাস

আমার শহর ডেস্ক

প্রকাশ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৮: ৫২
Photo

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার জন্য ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইন সংশোধন করে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অধ্যাদেশের বিল (সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০২৬) জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। এর ফলে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধই থাকছে। ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইনে সত্তার বা সংগঠন নিষিদ্ধ করার বিধান ছিল। অধ্যদেশের সংশোধনীতে সত্তা বা সংগঠনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার বিধান যুক্ত করা হয়।

সত্তা বা সংগঠনের কার্ক্রম নিষিদ্ধ করার বিধান রেখে ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইন সংশোধন করে অন্তর্বর্তী সরকার ‘সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করে ২০২৫ সালের ১১ মে। পরদিন ১২ মে নির্বাহী আদেশে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করে অন্তর্বর্তী সরকার। এর আগে ২০২৪ সালের ২৩ অক্টোবর আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠন ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ করে অন্তর্বর্তী সরকার।

অধ্যাদেশে কোনো সত্তার কার্যক্রমকে নিষিদ্ধ করার বিধান যুক্ত করা হয়েছিল এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ সত্তার মিছিল, মিটিং, প্রকাশনাসহ যেসব কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা যাবে তার বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

‘সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ বিলের ৩ ধারায় বলা হয়, ‘ওই সত্তা কর্তৃক বা তার পক্ষে বা সমর্থনে যেতে কানো প্রেস বিবৃতির প্রকাশনা বা মূদ্রণ কিংবা গণমাধ্যম, অনলাইন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা অন্যকোনো মাধ্যমে যেকোনো ধরনের প্রচারণা অথবা মিছিল, সভা-সমাবেশ বা সংবাদ সম্মেলন আয়োজন বা জনসম্মুখে বক্তৃতা নেওয়া নিষিদ্ধ করবে।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে বলা হয়, কিছু সন্ত্রাসী কার্য প্রতিরোধ এবং তাদের কার্যকর শাস্তির বিধানসহ আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধান প্রণয়ন করার নিমিত্ত ‘সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯’ প্রণয়ন করা হয়। ওই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকার, কোনো ব্যক্তি বা সত্তা সন্ত্রাসী কার্যের সঙ্গে জড়িত রয়েছে বলে যুক্তিসঙ্গত কারণের ভিত্তিতে, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, ওই ব্যক্তিকে তফসিলে তালিকাভুক্ত করতে পারে বা সত্তাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা ও তফসিলে তালিকাভুক্ত করতে পারে।

তবে বর্তমান আইনে কোনো সত্তার কার্যক্রম নিষিদ্ধকরণের বিষয়ে কোনো বিধান নেই। ওই বিষয়টি স্পষ্ট করাসহ বিধান সংযোজন আবশ্যক হেতু ‘সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯’ কে সময়োপযোগী করে ওই আইনের অধিকতর সংশোধন সমীচীন ও প্রয়োজন প্রতীয়মান হওয়ায় অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে এ আইনটির ১৮ ও ২০ ধারা সংশোধনপূর্বক ১১/০৫/২০২৫ তারিখে ‘সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ সংসদে বিলটি উত্থাপনের পর বিলটি পাসের সময় বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বক্তব্য দিতে চাইলে তা বিধিসম্মত না হওয়ায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ অনুমতি দেননি। তবে এই সময় বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, একটি শিট আমরা তিন-চার মিনিট আগে হাতে পেয়েছি। এখনও পড়তে পারিনি। যেহেতু আইনটা অবশ্যই একটি সেনসেটিভ আইন। আমরা কি অনুরোধ করতে পারি, বিলটি পাশের আগে সময় রেখে একটু সুযোগ দেওয়া হোক। জবাবে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রুলিং দিয়ে বলেন, বিলের এই পর্যায়ে এসে আপত্তি করার সুযোগ নেই।

বিধি অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ে আপত্তি বা প্রস্তাব দেওয়ার প্রয়োজন ছিল, যা দেওয়া হয়নি। এরপর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিলটি পাসের পক্ষে যুক্তি দিয়ে বলেন, এই বিলটা হলো, একটি গণহত্যাকারি সন্ত্রাসী সংগঠনের নিষিদ্ধ করা সংক্রান্ত একটি এমেনমেন্ট (সংশোধনী)। আগের যে আইন ছিল, সন্ত্রাসবিরোধী আইন সেটার সংশোধনের জন্য।

বিরোধী দলীয় নেতার স্মরণে থাকার কথা যে তারা এবং এনসিপির বন্ধুরা মিলে আন্দোলনের মাধ্যমে একটি জনমত তৈরি করেছিলেন। সেই জনমতের পরিপ্রেক্ষিতেই সন্ত্রাসবিরোধী আইনে পরিবর্তন আনা হয়েছে। এই আইনের বলেই একটি রাজনৈতিক দলের (আওয়ামী লীগ) রেজিস্ট্রেশন বর্তমানে স্থগিত আছে। এমনকি আইসিটি অ্যাক্টেও পরিবর্তন আনা হয়েছে সংগঠনের বিচারের জন্য। মন্ত্রী আরও বলেন, সংশোধনী দেওয়ার সময় পার হয়ে গেছে।

এখন আলোচনা করতে চাইলে বিলের প্রথম বা দ্বিতীয় পাঠের সময় প্রস্তাব দেওয়া উচিত ছিল। মন্ত্রীর বক্তব্যের পর স্পিকারের নির্দেশনায় বিলটি পাসের জন্য উত্থাপন করা হয় এবং কণ্ঠভোটে তা পাস হয়।

Thumbnail image

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার জন্য ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইন সংশোধন করে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অধ্যাদেশের বিল (সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০২৬) জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। এর ফলে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধই থাকছে। ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইনে সত্তার বা সংগঠন নিষিদ্ধ করার বিধান ছিল। অধ্যদেশের সংশোধনীতে সত্তা বা সংগঠনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার বিধান যুক্ত করা হয়।

সত্তা বা সংগঠনের কার্ক্রম নিষিদ্ধ করার বিধান রেখে ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইন সংশোধন করে অন্তর্বর্তী সরকার ‘সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করে ২০২৫ সালের ১১ মে। পরদিন ১২ মে নির্বাহী আদেশে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করে অন্তর্বর্তী সরকার। এর আগে ২০২৪ সালের ২৩ অক্টোবর আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠন ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ করে অন্তর্বর্তী সরকার।

অধ্যাদেশে কোনো সত্তার কার্যক্রমকে নিষিদ্ধ করার বিধান যুক্ত করা হয়েছিল এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ সত্তার মিছিল, মিটিং, প্রকাশনাসহ যেসব কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা যাবে তার বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

‘সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ বিলের ৩ ধারায় বলা হয়, ‘ওই সত্তা কর্তৃক বা তার পক্ষে বা সমর্থনে যেতে কানো প্রেস বিবৃতির প্রকাশনা বা মূদ্রণ কিংবা গণমাধ্যম, অনলাইন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা অন্যকোনো মাধ্যমে যেকোনো ধরনের প্রচারণা অথবা মিছিল, সভা-সমাবেশ বা সংবাদ সম্মেলন আয়োজন বা জনসম্মুখে বক্তৃতা নেওয়া নিষিদ্ধ করবে।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে বলা হয়, কিছু সন্ত্রাসী কার্য প্রতিরোধ এবং তাদের কার্যকর শাস্তির বিধানসহ আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধান প্রণয়ন করার নিমিত্ত ‘সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯’ প্রণয়ন করা হয়। ওই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকার, কোনো ব্যক্তি বা সত্তা সন্ত্রাসী কার্যের সঙ্গে জড়িত রয়েছে বলে যুক্তিসঙ্গত কারণের ভিত্তিতে, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, ওই ব্যক্তিকে তফসিলে তালিকাভুক্ত করতে পারে বা সত্তাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা ও তফসিলে তালিকাভুক্ত করতে পারে।

তবে বর্তমান আইনে কোনো সত্তার কার্যক্রম নিষিদ্ধকরণের বিষয়ে কোনো বিধান নেই। ওই বিষয়টি স্পষ্ট করাসহ বিধান সংযোজন আবশ্যক হেতু ‘সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯’ কে সময়োপযোগী করে ওই আইনের অধিকতর সংশোধন সমীচীন ও প্রয়োজন প্রতীয়মান হওয়ায় অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে এ আইনটির ১৮ ও ২০ ধারা সংশোধনপূর্বক ১১/০৫/২০২৫ তারিখে ‘সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ সংসদে বিলটি উত্থাপনের পর বিলটি পাসের সময় বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বক্তব্য দিতে চাইলে তা বিধিসম্মত না হওয়ায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ অনুমতি দেননি। তবে এই সময় বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, একটি শিট আমরা তিন-চার মিনিট আগে হাতে পেয়েছি। এখনও পড়তে পারিনি। যেহেতু আইনটা অবশ্যই একটি সেনসেটিভ আইন। আমরা কি অনুরোধ করতে পারি, বিলটি পাশের আগে সময় রেখে একটু সুযোগ দেওয়া হোক। জবাবে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রুলিং দিয়ে বলেন, বিলের এই পর্যায়ে এসে আপত্তি করার সুযোগ নেই।

বিধি অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ে আপত্তি বা প্রস্তাব দেওয়ার প্রয়োজন ছিল, যা দেওয়া হয়নি। এরপর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিলটি পাসের পক্ষে যুক্তি দিয়ে বলেন, এই বিলটা হলো, একটি গণহত্যাকারি সন্ত্রাসী সংগঠনের নিষিদ্ধ করা সংক্রান্ত একটি এমেনমেন্ট (সংশোধনী)। আগের যে আইন ছিল, সন্ত্রাসবিরোধী আইন সেটার সংশোধনের জন্য।

বিরোধী দলীয় নেতার স্মরণে থাকার কথা যে তারা এবং এনসিপির বন্ধুরা মিলে আন্দোলনের মাধ্যমে একটি জনমত তৈরি করেছিলেন। সেই জনমতের পরিপ্রেক্ষিতেই সন্ত্রাসবিরোধী আইনে পরিবর্তন আনা হয়েছে। এই আইনের বলেই একটি রাজনৈতিক দলের (আওয়ামী লীগ) রেজিস্ট্রেশন বর্তমানে স্থগিত আছে। এমনকি আইসিটি অ্যাক্টেও পরিবর্তন আনা হয়েছে সংগঠনের বিচারের জন্য। মন্ত্রী আরও বলেন, সংশোধনী দেওয়ার সময় পার হয়ে গেছে।

এখন আলোচনা করতে চাইলে বিলের প্রথম বা দ্বিতীয় পাঠের সময় প্রস্তাব দেওয়া উচিত ছিল। মন্ত্রীর বক্তব্যের পর স্পিকারের নির্দেশনায় বিলটি পাসের জন্য উত্থাপন করা হয় এবং কণ্ঠভোটে তা পাস হয়।

বিষয়:

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

১

বিগত দুই সরকারের ব্যর্থতায় হাম বেড়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

২

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিমানবাহিনীর প্রধানের সাক্ষাৎ

৩

৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

৪

২৮৪৭ গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই: শিক্ষামন্ত্রী

৫

নিষিদ্ধই থাকছে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম, সংসদে বিল পাস

সম্পর্কিত

বিগত দুই সরকারের ব্যর্থতায় হাম বেড়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বিগত দুই সরকারের ব্যর্থতায় হাম বেড়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

৮ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিমানবাহিনীর প্রধানের সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিমানবাহিনীর প্রধানের সাক্ষাৎ

৯ ঘণ্টা আগে
৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

৯ ঘণ্টা আগে
২৮৪৭ গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই: শিক্ষামন্ত্রী

২৮৪৭ গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই: শিক্ষামন্ত্রী

৯ ঘণ্টা আগে