আমার শহর ডেস্ক

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ৭নং ফেরিঘাটে আবারও নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কুষ্টিয়া থেকে ছেড়ে আসা এসবি পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে যায়। আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ফেরিঘাটের ৭ নম্বর পন্টুনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
বাসটিতে শুধু চালক ও সহকারী ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নিয়ন্ত্রণ হারানোর বিষয়টি বুঝতে পেরে বাসের সহকারী (হেলপার) চলন্ত বাস থেকে লাফ দিয়ে নেমে যান। এরপর বাসটি সজোরে ধাক্কা দিলে ফেরির ডালা বা র্যাম্প ভেঙে মুহূর্তের মধ্যেই নদীতে পড়ে যায়।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ, র্যাব এবং বিআইডব্লিউটিএ-এর ডুবুরি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এরই মধ্যে বিআইডব্লিউটিএ-এর ডুবুরিরা পানির নিচে বাসের অবস্থান শনাক্ত করে রশি দিয়ে বেঁধে ফেলেছেন। বাসটি নদী থেকে টেনে তোলার জন্য উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে এবং উদ্ধার কার্যক্রম শুরুর প্রস্তুতি চলছে।
গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জানান, বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পন্টুন থেকে র্যাম্প ভেঙে নদীতে পড়ে যায়। তবে বাসের চালক, হেলপার ও সুপারভাইজারকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় নদী থেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘উদ্ধার হওয়া চালক ও সুপারভাইজারদের বর্তমানে গোয়ালন্দ হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এখন পর্যন্ত আমরা কোনো হতাহতের খবর পাইনি বা কোনো যাত্রীর নিখোঁজ হওয়ার দাবি নিয়ে কেউ আসেনি।’
সার্বিক কার্যক্রম তদারকির জন্য ঘটনাস্থলে গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট শাখা ব্যবস্থাপক উপস্থিত রয়েছেন।
তবে, গত ২৫ মার্চ দৌলতদিয়ার ৩ নম্বর ফেরিঘাটে একইভাবে বাস ডুবে ২৬ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছিল। ওই ঘটনার পর কর্তৃপক্ষ নিয়ম করে যে, ফেরিতে ওঠার আগে বাসের সব যাত্রীকে নামিয়ে দিতে হবে।
সেই নির্দেশনা অনুযায়ী, এসবি পরিবহনের বাসটির যাত্রীরা আগেই নেমে পায়ে হেঁটে ফেরির দিকে যাচ্ছিলেন। ফলে নতুন করে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

তবে, বাসটি উদ্ধারে তৎপরতা চলছে।

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ৭নং ফেরিঘাটে আবারও নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কুষ্টিয়া থেকে ছেড়ে আসা এসবি পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে যায়। আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ফেরিঘাটের ৭ নম্বর পন্টুনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
বাসটিতে শুধু চালক ও সহকারী ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নিয়ন্ত্রণ হারানোর বিষয়টি বুঝতে পেরে বাসের সহকারী (হেলপার) চলন্ত বাস থেকে লাফ দিয়ে নেমে যান। এরপর বাসটি সজোরে ধাক্কা দিলে ফেরির ডালা বা র্যাম্প ভেঙে মুহূর্তের মধ্যেই নদীতে পড়ে যায়।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ, র্যাব এবং বিআইডব্লিউটিএ-এর ডুবুরি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এরই মধ্যে বিআইডব্লিউটিএ-এর ডুবুরিরা পানির নিচে বাসের অবস্থান শনাক্ত করে রশি দিয়ে বেঁধে ফেলেছেন। বাসটি নদী থেকে টেনে তোলার জন্য উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে এবং উদ্ধার কার্যক্রম শুরুর প্রস্তুতি চলছে।
গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জানান, বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পন্টুন থেকে র্যাম্প ভেঙে নদীতে পড়ে যায়। তবে বাসের চালক, হেলপার ও সুপারভাইজারকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় নদী থেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘উদ্ধার হওয়া চালক ও সুপারভাইজারদের বর্তমানে গোয়ালন্দ হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এখন পর্যন্ত আমরা কোনো হতাহতের খবর পাইনি বা কোনো যাত্রীর নিখোঁজ হওয়ার দাবি নিয়ে কেউ আসেনি।’
সার্বিক কার্যক্রম তদারকির জন্য ঘটনাস্থলে গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট শাখা ব্যবস্থাপক উপস্থিত রয়েছেন।
তবে, গত ২৫ মার্চ দৌলতদিয়ার ৩ নম্বর ফেরিঘাটে একইভাবে বাস ডুবে ২৬ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছিল। ওই ঘটনার পর কর্তৃপক্ষ নিয়ম করে যে, ফেরিতে ওঠার আগে বাসের সব যাত্রীকে নামিয়ে দিতে হবে।
সেই নির্দেশনা অনুযায়ী, এসবি পরিবহনের বাসটির যাত্রীরা আগেই নেমে পায়ে হেঁটে ফেরির দিকে যাচ্ছিলেন। ফলে নতুন করে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

তবে, বাসটি উদ্ধারে তৎপরতা চলছে।