আমার শহর ডেস্ক

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ভারত, পাকিস্তানসহ ইউরোপীয় ইউনিয়ন শোক জানিয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার এক শোক বার্তায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ইসহাক দার শোক জানান।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন শোক বার্তায় বলা হয়েছে, বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বাংলাদেশের জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বাংলাদেশের উন্নয়নে তার গুরুত্বপূর্ণ অবদান এবং ভারত বাংলাদেশ সম্পর্ক চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। আমি ২০১৫ সালে ঢাকায় তার সঙ্গে আমার উষ্ণ সাক্ষাতের কথা স্মরণ করি। আমরা আশা করি, তার দৃষ্টিভঙ্গি উত্তরাধিকার আমাদের অংশীদারিত্বকে পথ দেখাবে। বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার।
গতকাল মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এতে এক বার্তায় ইসহাক দার লেখেন, বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত। তিনি মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। ইসহাক দার বলেন, মহান আল্লাহতাআলা যেন তাকে জান্নাতের উচ্চ মাকাম দান করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজনকে এই কঠিন সময়ে ধৈর্য ধারণের তাওফিক দেন। বাংলাদেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী, দেশের প্রথম নারী সরকারপ্রধান, সাবেক ফার্স্ট লেডি এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে জার্মান দূতাবাস গভীর শোক প্রকাশ করেছে এ ছাড়া ঢাকার জার্মান দূতাবাস এক শোকবার্তায় জানায়, দীর্ঘ সরকারি জীবনে বেগম জিয়া বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। জার্মানি কয়েক দশক ধরে তার সঙ্গে তার সম্পর্কের কথা স্মরণ করে, যার মধ্যে রয়েছে ২০০৪ সালে ঢাকা সফরের সময় জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোশকা ফিশারের সঙ্গে তার সাক্ষাৎ, পাশাপাশি ২০১১ সালে তার রাষ্ট্রীয় সফরের সময় জার্মান রাষ্ট্রপতি ক্রিশ্চিয়ান উলফের সঙ্গে তার সাক্ষাৎ। তিনি বছরের পর বছর ধরে সিনিয়র জার্মান প্রতিনিধিদের সঙ্গে অন্য উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন। এই ক্ষতির মুহূর্তে জার্মানি জাতীয় জীবনে তার অবদানকে সম্মান জানায় এবং তার পরিবার, তার দল এবং বাংলাদেশের জনগণের প্রতি সমবেদনা জানায়। আমাদের দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্ব বজায় রাখতে জার্মানি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। শোক বার্তায় যুক্তরাষ্ট্র জানায়, খালেদা জিয়া তার দেশের আধুনিক ইতিহাস গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন এবং তার নেতৃত্ব বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে বিশেষ অবদান রেখেছে। এদিকে কানাডা সরকার খালেদা জিয়ার পরিবার ও জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা জানায়। কানাডা আশা করে যে তার পরিবার এই কঠিন সময়ে শক্তি এবং সান্ত্বনা খুঁজে পাবে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ভারত, পাকিস্তানসহ ইউরোপীয় ইউনিয়ন শোক জানিয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার এক শোক বার্তায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ইসহাক দার শোক জানান।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন শোক বার্তায় বলা হয়েছে, বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বাংলাদেশের জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বাংলাদেশের উন্নয়নে তার গুরুত্বপূর্ণ অবদান এবং ভারত বাংলাদেশ সম্পর্ক চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। আমি ২০১৫ সালে ঢাকায় তার সঙ্গে আমার উষ্ণ সাক্ষাতের কথা স্মরণ করি। আমরা আশা করি, তার দৃষ্টিভঙ্গি উত্তরাধিকার আমাদের অংশীদারিত্বকে পথ দেখাবে। বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার।
গতকাল মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এতে এক বার্তায় ইসহাক দার লেখেন, বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত। তিনি মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। ইসহাক দার বলেন, মহান আল্লাহতাআলা যেন তাকে জান্নাতের উচ্চ মাকাম দান করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজনকে এই কঠিন সময়ে ধৈর্য ধারণের তাওফিক দেন। বাংলাদেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী, দেশের প্রথম নারী সরকারপ্রধান, সাবেক ফার্স্ট লেডি এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে জার্মান দূতাবাস গভীর শোক প্রকাশ করেছে এ ছাড়া ঢাকার জার্মান দূতাবাস এক শোকবার্তায় জানায়, দীর্ঘ সরকারি জীবনে বেগম জিয়া বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। জার্মানি কয়েক দশক ধরে তার সঙ্গে তার সম্পর্কের কথা স্মরণ করে, যার মধ্যে রয়েছে ২০০৪ সালে ঢাকা সফরের সময় জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোশকা ফিশারের সঙ্গে তার সাক্ষাৎ, পাশাপাশি ২০১১ সালে তার রাষ্ট্রীয় সফরের সময় জার্মান রাষ্ট্রপতি ক্রিশ্চিয়ান উলফের সঙ্গে তার সাক্ষাৎ। তিনি বছরের পর বছর ধরে সিনিয়র জার্মান প্রতিনিধিদের সঙ্গে অন্য উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন। এই ক্ষতির মুহূর্তে জার্মানি জাতীয় জীবনে তার অবদানকে সম্মান জানায় এবং তার পরিবার, তার দল এবং বাংলাদেশের জনগণের প্রতি সমবেদনা জানায়। আমাদের দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্ব বজায় রাখতে জার্মানি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। শোক বার্তায় যুক্তরাষ্ট্র জানায়, খালেদা জিয়া তার দেশের আধুনিক ইতিহাস গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন এবং তার নেতৃত্ব বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে বিশেষ অবদান রেখেছে। এদিকে কানাডা সরকার খালেদা জিয়ার পরিবার ও জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা জানায়। কানাডা আশা করে যে তার পরিবার এই কঠিন সময়ে শক্তি এবং সান্ত্বনা খুঁজে পাবে।