আমার শহর ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রীর ২৪ নির্দেশনা বাস্তবায়নে ডিসিদের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পক্ষ থেকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
আজ রোববার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব মো. মামুন সব বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা সম্বলিত চিঠিটি পাঠিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ২৪টি নির্দেশনা মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়নের জন্য জেলা প্রশাসকদের চিঠি দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। বর্তমান সরকারের প্রথম জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনে মাঠ প্রশাসনের জন্য প্রধানমন্ত্রী এসব নির্দেশনা দিয়েছেন। গত ৩ মে থেকে ৬ মে পর্যন্ত রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী ওই সম্মেলনের উদ্বোধন করেন।
চিঠিতে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর দিক-নির্দেশনাগুলো যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে প্রতিপালনের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
চিঠিতে ডিসিদের প্রধানমন্ত্রীর যে ২৪ নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে সেগুলো হলো- ১। প্রশাসনিক কার্যক্রমে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে; ২। দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণপূর্বক প্রতিরোধমূলক ও দমনমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে; ৩। সব উন্নয়ন প্রকল্প নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রেখে গুণগত মান নিশ্চিতকল্পে কার্যকর তদারকি জোরদার করতে হবে; ৪। অপ্রয়োজনীয় প্রশাসনিক জটিলতা পরিহার করে দ্রæত, বাস্তবসম্মত ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে; ৫। নিয়োগ, বদলি ও পদায়নে সততা, মেধা ও দক্ষতাকে একমাত্র মানদÐ হিসেবে অনুসরণ করতে হবে; ৬। শূন্য পদসমূহ দ্রæত পূরণের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে এবং ৭। প্রশাসনিক কাঠামোর কার্যকারিতা বৃদ্ধি ও জবাবদিহি নিশ্চিতকল্পে প্রয়োজনীয় সংস্কারমূলক উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
এছাড়া ৮। প্রশাসনিক কার্যক্রমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, অটোমেশন ও ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণ করতে হবে; ৯। সেবাদান ব্যবস্থাকে সময়োপযোগী, দক্ষ, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে ডিজিটাল রূপান্তর ত্বরান্বিত করতে হবে; ১০। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে নিয়মিত বাজার তদারকি জোরদার করতে হবে; ১১। বাজারে মজুতদারি, কারসাজি ও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির বিরুদ্ধে নিয়মিত মনিটরিং, অভিযান এবং মোবাইল কোর্ট পরিচালনাসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে; ১২। কৃষক পর্যায়ে উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে এবং ১৩। কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সার, বীজ, সেচ, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণ সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।
১৪। আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণসহ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে; ১৫। জনগণের অভিযোগ দ্রæত নিষ্পত্তি ও প্রতিকার নিশ্চিত করতে হবে; ১৬। সরকারি সেবাদান হয়রানিমুক্ত, বিলম্বমুক্ত ও স্বচ্ছ রাখতে কঠোর তদারকি নিশ্চিত করতে হবে; ১৭। মাদক নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত অভিযান ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম জোরদার করতে হবে; ১৮। বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে এবং ১৯। নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করতে হবে।
২০। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও কমিউনিটির মধ্যে সমন্বয় জোরদার করতে হবে; ২১। দেশীয় ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান সৃষ্টিমূলক সরকারি উদ্যোগসমূহ কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে; ২২। তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন, প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণ ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন কার্যক্রম জোরদার করতে হবে; ২৩। খেলাধূলা, সাংস্কৃতিক ও স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ বৃদ্ধির লক্ষ্যে স্থানীয় পর্যায়ে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে এবং ২৪। জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর ২৪ নির্দেশনা বাস্তবায়নে ডিসিদের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পক্ষ থেকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
আজ রোববার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব মো. মামুন সব বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা সম্বলিত চিঠিটি পাঠিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ২৪টি নির্দেশনা মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়নের জন্য জেলা প্রশাসকদের চিঠি দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। বর্তমান সরকারের প্রথম জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনে মাঠ প্রশাসনের জন্য প্রধানমন্ত্রী এসব নির্দেশনা দিয়েছেন। গত ৩ মে থেকে ৬ মে পর্যন্ত রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী ওই সম্মেলনের উদ্বোধন করেন।
চিঠিতে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর দিক-নির্দেশনাগুলো যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে প্রতিপালনের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
চিঠিতে ডিসিদের প্রধানমন্ত্রীর যে ২৪ নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে সেগুলো হলো- ১। প্রশাসনিক কার্যক্রমে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে; ২। দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণপূর্বক প্রতিরোধমূলক ও দমনমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে; ৩। সব উন্নয়ন প্রকল্প নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রেখে গুণগত মান নিশ্চিতকল্পে কার্যকর তদারকি জোরদার করতে হবে; ৪। অপ্রয়োজনীয় প্রশাসনিক জটিলতা পরিহার করে দ্রæত, বাস্তবসম্মত ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে; ৫। নিয়োগ, বদলি ও পদায়নে সততা, মেধা ও দক্ষতাকে একমাত্র মানদÐ হিসেবে অনুসরণ করতে হবে; ৬। শূন্য পদসমূহ দ্রæত পূরণের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে এবং ৭। প্রশাসনিক কাঠামোর কার্যকারিতা বৃদ্ধি ও জবাবদিহি নিশ্চিতকল্পে প্রয়োজনীয় সংস্কারমূলক উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
এছাড়া ৮। প্রশাসনিক কার্যক্রমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, অটোমেশন ও ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণ করতে হবে; ৯। সেবাদান ব্যবস্থাকে সময়োপযোগী, দক্ষ, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে ডিজিটাল রূপান্তর ত্বরান্বিত করতে হবে; ১০। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে নিয়মিত বাজার তদারকি জোরদার করতে হবে; ১১। বাজারে মজুতদারি, কারসাজি ও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির বিরুদ্ধে নিয়মিত মনিটরিং, অভিযান এবং মোবাইল কোর্ট পরিচালনাসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে; ১২। কৃষক পর্যায়ে উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে এবং ১৩। কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সার, বীজ, সেচ, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণ সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।
১৪। আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণসহ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে; ১৫। জনগণের অভিযোগ দ্রæত নিষ্পত্তি ও প্রতিকার নিশ্চিত করতে হবে; ১৬। সরকারি সেবাদান হয়রানিমুক্ত, বিলম্বমুক্ত ও স্বচ্ছ রাখতে কঠোর তদারকি নিশ্চিত করতে হবে; ১৭। মাদক নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত অভিযান ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম জোরদার করতে হবে; ১৮। বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে এবং ১৯। নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করতে হবে।
২০। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও কমিউনিটির মধ্যে সমন্বয় জোরদার করতে হবে; ২১। দেশীয় ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান সৃষ্টিমূলক সরকারি উদ্যোগসমূহ কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে; ২২। তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন, প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণ ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন কার্যক্রম জোরদার করতে হবে; ২৩। খেলাধূলা, সাংস্কৃতিক ও স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ বৃদ্ধির লক্ষ্যে স্থানীয় পর্যায়ে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে এবং ২৪। জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করতে হবে।