আমার শহর ডেস্ক

সারাদেশে অবৈধভাবে মজুতকৃত জ্বালানি তেল উদ্ধারে চলমান অভিযানে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে সরকার। একদিনের অভিযানে প্রায় ৮৮ হাজার লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সার্বিক জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ও যুগ্মসচিব মনির হোসেন চৌধুরী এ কথা জানান।
তিনি জানান, গতকাল সোমবার দেশের বিভিন্ন স্থানে পরিচালিত অভিযানে মোট ৮৭ হাজার ৭০০ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে ডিজেল ৬৭ হাজার ৪০০ লিটার, অকটেন ৬৪৪ লিটার এবং পেট্রোল ১৩ হাজার ৮৫৬ লিটার। মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, বর্তমানে দেশে জ্বালানি তেলের মজুত পরিস্থিতিও স্থিতিশীল রয়েছে।
দেশে ডিজেলের মজুত রয়েছে ১ লাখ ২৮ হাজার ৯৩৯ মেট্রিক টন, অকটেন ৭ হাজার ৯৪০ মেট্রিক টন এবং পেট্রোল ১১ হাজার ৪৩১ মেট্রিক টন। এছাড়া জেট ফুয়েলের মজুত রয়েছে ৪৪ হাজার ৬০৯ মেট্রিক টন। সর্বমোট এক লাখ ৯২ হাজার ৯১৯ মেট্রিক টন। তিনি বলেন, নিয়মিত আমদানির মাধ্যমে জ্বালানির সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে।
সামনে হজ মৌসুমকে সামনে রেখে জেট ফুয়েলের মজুত পরিস্থিতিও বিবেচনায় রেখে পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। যুগ্মসচিব বলেন, এসব পরিসংখ্যান থেকে দেশে বিভিন্ন স্থানে অবৈধ জ্বালানি মজুতের ব্যাপকতা স্পষ্ট হয়ে উঠছে। এদিন সারাদেশে মোট ৩৯১টি অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসব অভিযানে ১৯১টি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং ৯ লাখ ৩ হাজার ৫৭০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
এছাড়া তিনজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সাতক্ষীরায় দুই বছর, চাঁদপুরে এক বছর এবং অন্য এক স্থানে এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
চলমান অভিযানের সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, এ পর্যন্ত মোট ৩৫৫৯টি অভিযান পরিচালিত হয়েছে। এতে ১২৪৪টি মামলা দায়ের এবং ৮৪ লাখ ৫১ হাজার টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়েছে। পাশাপাশি ১৯ জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। চলমান অভিযানের আওতায় এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ৯৬ হাজার ৩০৫ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে ডিজেল ২ লাখ ৭৩ হাজার ৬৫ লিটার, অকটেন ২৮ হাজার ৯৩৮ লিটার এবং পেট্রোলের ৬০ হাজার ২ লিটার।
যুগ্মসচিব বলেন, জ্বালানি পরিস্থিতি তদারকিতে সরকার নতুন উদ্যোগ হিসেবে সারাদেশে ফিলিং স্টেশনভিত্তিক ‘ট্যাগ অফিসার’ নিয়োগ দিয়েছে। ঢাকা বিভাগে ১৩ জেলায় ৪৭৯ জন এবং মহানগর এলাকায় ১১৬ জন কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করছেন। চট্টগ্রাম বিভাগে ১১ জেলায় ৩৩০ জন এবং মহানগরে ৬২ জন কর্মকর্তা নিয়োজিত রয়েছেন।
এছাড়া রাজশাহী, খুলনা, রংপুর, বরিশাল, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগেও একইভাবে কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এসব ট্যাগ অফিসারদের নিবিড় তদারকির ফলে জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা আরও বাড়বে।
জ্বালানির সংকট নেই, এপ্রিল মাসে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে: দেশে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে কোনো সংকট নেই। সরকারের সমন্বিত উদ্যোগে এপ্রিল মাসেও জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে বলে আশ্বস্ত করেন মনির হোসেন চৌধুরী। তিনি বলেন, মার্চ মাসে যেমনভাবে জ্বালানি সরবরাহ বজায় রাখা হয়েছে, এপ্রিল মাসেও একই ধারা অব্যাহত থাকবে।
গত বছরের তুলনায় সরবরাহ কমবে না। জনগণ স্বাভাবিকভাবে জ্বালানি ক্রয় করলে কোনো সমস্যা হবে না।
জনগণকে অপ্রয়োজনীয় মজুদ ও আতঙ্কজনিত কেনাকাটা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, সরকার দিনরাত কাজ করছে যাতে জ্বালানি খাতে কোনো সমস্যা না হয়। সবাইকে সাশ্রয়ী হতে হবে এবং স্বাভাবিকভাবে জ্বালানি ব্যবহার করতে হবে। সরকারের সমন্বিত উদ্যোগে আগামী মাসগুলোতেও জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে।
জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় সরকারের প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি আমদানিতে কিছু চ্যালেঞ্জ থাকলেও সরকার বিকল্প ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করছে। জ্বালানি তেল সংগ্রহে সরকার-টু-সরকার এবং উন্মুক্ত দরপত্র- উভয় পদ্ধতিই চালু রয়েছে। তিনি বলেন, সরবরাহ চেইন সচল রাখতে আমরা অর্থনৈতিক বিষয়ক কমিটি ও ক্রয় কমিটিতে একাধিক প্রস্তাব পাঠিয়েছি। অনুমোদন পেলে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
সীমান্ত দিয়ে জ্বালানি পাচারের অভিযোগ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে যুগ্মসচিব বলেন, এ ধরনের নির্দিষ্ট কোনো প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ের কাছে নেই। তবে সরকার এ বিষয়ে সতর্ক রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এখনও পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইনের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি একে “মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব” হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও আতঙ্কজনিত ক্রয়ের কারণে এমন পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
এলপিজি সরবরাহ নিয়েও আশ্বস্ত করে তিনি জানান, মার্চ মাসে দেশে প্রায় ১ লাখ ৭৪ হাজার ৮৯৪ মেট্রিক টন এলপিজি আমদানি হয়েছে, যেখানে গড় মাসিক চাহিদা প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন। ফলে এ ক্ষেত্রেও কোনো ঘাটতি নেই।
এলএনজি সরবরাহ নিয়েও মন্ত্রণালয় কাজ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিকল্প উৎস থেকে আমদানি নিশ্চিত করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রেশনিং ও ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা উদ্যোগ নেয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, জ্বালানি বিতরণে শৃঙ্খলা আনতে একটি ডিজিটাল অ্যাপ চালুর কাজ চলছে। পরীক্ষামূলকভাবে শিগগিরই কয়েকটি স্থানে এটি চালু করা হবে। পাশাপাশি কিছু জেলায় প্রশাসনের উদ্যোগে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতেও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা চালু হয়েছে।
আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মন্ত্রণালয় দুইভাবে হিসাব করে- ব্যবহারযোগ্য মজুদ এবং ‘ডেড স্টক’সহ মোট মজুদ। মন্ত্রীর দেওয়া তথ্য মোট মজুদ হিসাবের ভিত্তিতে, আর তাৎক্ষণিক ব্যবহারের জন্য উপলব্ধ অংশ আলাদা করে উল্লেখ করা হয়। ফলে তথ্যের মধ্যে কোনো অসঙ্গতি নেই বলে তিনি ব্যাখ্যা করেন।
মজুদদারির বিষয়ে তিনি বলেন, কে কী উদ্দেশ্যে মজুদ করছে তা সংশ্লিষ্টরাই ভালো বলতে পারবে। তবে সরকার বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রেখেছে।

সারাদেশে অবৈধভাবে মজুতকৃত জ্বালানি তেল উদ্ধারে চলমান অভিযানে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে সরকার। একদিনের অভিযানে প্রায় ৮৮ হাজার লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সার্বিক জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ও যুগ্মসচিব মনির হোসেন চৌধুরী এ কথা জানান।
তিনি জানান, গতকাল সোমবার দেশের বিভিন্ন স্থানে পরিচালিত অভিযানে মোট ৮৭ হাজার ৭০০ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে ডিজেল ৬৭ হাজার ৪০০ লিটার, অকটেন ৬৪৪ লিটার এবং পেট্রোল ১৩ হাজার ৮৫৬ লিটার। মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, বর্তমানে দেশে জ্বালানি তেলের মজুত পরিস্থিতিও স্থিতিশীল রয়েছে।
দেশে ডিজেলের মজুত রয়েছে ১ লাখ ২৮ হাজার ৯৩৯ মেট্রিক টন, অকটেন ৭ হাজার ৯৪০ মেট্রিক টন এবং পেট্রোল ১১ হাজার ৪৩১ মেট্রিক টন। এছাড়া জেট ফুয়েলের মজুত রয়েছে ৪৪ হাজার ৬০৯ মেট্রিক টন। সর্বমোট এক লাখ ৯২ হাজার ৯১৯ মেট্রিক টন। তিনি বলেন, নিয়মিত আমদানির মাধ্যমে জ্বালানির সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে।
সামনে হজ মৌসুমকে সামনে রেখে জেট ফুয়েলের মজুত পরিস্থিতিও বিবেচনায় রেখে পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। যুগ্মসচিব বলেন, এসব পরিসংখ্যান থেকে দেশে বিভিন্ন স্থানে অবৈধ জ্বালানি মজুতের ব্যাপকতা স্পষ্ট হয়ে উঠছে। এদিন সারাদেশে মোট ৩৯১টি অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসব অভিযানে ১৯১টি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং ৯ লাখ ৩ হাজার ৫৭০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
এছাড়া তিনজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সাতক্ষীরায় দুই বছর, চাঁদপুরে এক বছর এবং অন্য এক স্থানে এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
চলমান অভিযানের সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, এ পর্যন্ত মোট ৩৫৫৯টি অভিযান পরিচালিত হয়েছে। এতে ১২৪৪টি মামলা দায়ের এবং ৮৪ লাখ ৫১ হাজার টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়েছে। পাশাপাশি ১৯ জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। চলমান অভিযানের আওতায় এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ৯৬ হাজার ৩০৫ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে ডিজেল ২ লাখ ৭৩ হাজার ৬৫ লিটার, অকটেন ২৮ হাজার ৯৩৮ লিটার এবং পেট্রোলের ৬০ হাজার ২ লিটার।
যুগ্মসচিব বলেন, জ্বালানি পরিস্থিতি তদারকিতে সরকার নতুন উদ্যোগ হিসেবে সারাদেশে ফিলিং স্টেশনভিত্তিক ‘ট্যাগ অফিসার’ নিয়োগ দিয়েছে। ঢাকা বিভাগে ১৩ জেলায় ৪৭৯ জন এবং মহানগর এলাকায় ১১৬ জন কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করছেন। চট্টগ্রাম বিভাগে ১১ জেলায় ৩৩০ জন এবং মহানগরে ৬২ জন কর্মকর্তা নিয়োজিত রয়েছেন।
এছাড়া রাজশাহী, খুলনা, রংপুর, বরিশাল, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগেও একইভাবে কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এসব ট্যাগ অফিসারদের নিবিড় তদারকির ফলে জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা আরও বাড়বে।
জ্বালানির সংকট নেই, এপ্রিল মাসে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে: দেশে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে কোনো সংকট নেই। সরকারের সমন্বিত উদ্যোগে এপ্রিল মাসেও জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে বলে আশ্বস্ত করেন মনির হোসেন চৌধুরী। তিনি বলেন, মার্চ মাসে যেমনভাবে জ্বালানি সরবরাহ বজায় রাখা হয়েছে, এপ্রিল মাসেও একই ধারা অব্যাহত থাকবে।
গত বছরের তুলনায় সরবরাহ কমবে না। জনগণ স্বাভাবিকভাবে জ্বালানি ক্রয় করলে কোনো সমস্যা হবে না।
জনগণকে অপ্রয়োজনীয় মজুদ ও আতঙ্কজনিত কেনাকাটা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, সরকার দিনরাত কাজ করছে যাতে জ্বালানি খাতে কোনো সমস্যা না হয়। সবাইকে সাশ্রয়ী হতে হবে এবং স্বাভাবিকভাবে জ্বালানি ব্যবহার করতে হবে। সরকারের সমন্বিত উদ্যোগে আগামী মাসগুলোতেও জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে।
জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় সরকারের প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি আমদানিতে কিছু চ্যালেঞ্জ থাকলেও সরকার বিকল্প ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করছে। জ্বালানি তেল সংগ্রহে সরকার-টু-সরকার এবং উন্মুক্ত দরপত্র- উভয় পদ্ধতিই চালু রয়েছে। তিনি বলেন, সরবরাহ চেইন সচল রাখতে আমরা অর্থনৈতিক বিষয়ক কমিটি ও ক্রয় কমিটিতে একাধিক প্রস্তাব পাঠিয়েছি। অনুমোদন পেলে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
সীমান্ত দিয়ে জ্বালানি পাচারের অভিযোগ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে যুগ্মসচিব বলেন, এ ধরনের নির্দিষ্ট কোনো প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ের কাছে নেই। তবে সরকার এ বিষয়ে সতর্ক রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এখনও পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইনের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি একে “মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব” হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও আতঙ্কজনিত ক্রয়ের কারণে এমন পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
এলপিজি সরবরাহ নিয়েও আশ্বস্ত করে তিনি জানান, মার্চ মাসে দেশে প্রায় ১ লাখ ৭৪ হাজার ৮৯৪ মেট্রিক টন এলপিজি আমদানি হয়েছে, যেখানে গড় মাসিক চাহিদা প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন। ফলে এ ক্ষেত্রেও কোনো ঘাটতি নেই।
এলএনজি সরবরাহ নিয়েও মন্ত্রণালয় কাজ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিকল্প উৎস থেকে আমদানি নিশ্চিত করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রেশনিং ও ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা উদ্যোগ নেয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, জ্বালানি বিতরণে শৃঙ্খলা আনতে একটি ডিজিটাল অ্যাপ চালুর কাজ চলছে। পরীক্ষামূলকভাবে শিগগিরই কয়েকটি স্থানে এটি চালু করা হবে। পাশাপাশি কিছু জেলায় প্রশাসনের উদ্যোগে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতেও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা চালু হয়েছে।
আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মন্ত্রণালয় দুইভাবে হিসাব করে- ব্যবহারযোগ্য মজুদ এবং ‘ডেড স্টক’সহ মোট মজুদ। মন্ত্রীর দেওয়া তথ্য মোট মজুদ হিসাবের ভিত্তিতে, আর তাৎক্ষণিক ব্যবহারের জন্য উপলব্ধ অংশ আলাদা করে উল্লেখ করা হয়। ফলে তথ্যের মধ্যে কোনো অসঙ্গতি নেই বলে তিনি ব্যাখ্যা করেন।
মজুদদারির বিষয়ে তিনি বলেন, কে কী উদ্দেশ্যে মজুদ করছে তা সংশ্লিষ্টরাই ভালো বলতে পারবে। তবে সরকার বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রেখেছে।