আমার শহর ডেস্ক

বাংলাদেশে সাংবাদিকতা শিক্ষার অন্যতম পথিকৃৎ অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খান আর নেই।
গতকাল রোববার রাতে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর। সাখওয়াত আলীর পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, কিছুদিন আগে তিনি স্ট্রোক করেছিলেন। ওই সময় কয়েক দিন হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পর তাঁকে বাসায় নেওয়া হয়। গতকাল রোববার রাতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খান স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়ে, দুই নাতিসহ অসংখ্য ছাত্রছাত্রী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর মেয়ে সুমনা শারমীন (সুমি) প্রথম আলোর সহযোগী সম্পাদক।
আজ সোমবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে তাঁর মরদেহ নেওয়া হয়। সেখানে বিভাগের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা তাঁকে অতল শ্রদ্ধা জানান। পরে নরসিংদী জেলার শিবপুরের গ্রামের বাড়িতে জানাজা শেষে তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন আমার শহর সম্পাদক গাজীউল হক সোহাগ।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ১৯৪১ সালে নরসিংদীর শিবপুর উপজেলায় এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন সাখাওয়াত আলী খান। শিক্ষকতা পেশায় আসার আগে প্রায় এক দশক তিনি বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে সাংবাদিকতা করেছেন। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে শিক্ষকতা করেন এবং ২০০৮ সালে সেখান থেকে অবসরে যান। পরে পাঁচ বছর তিনি একই বিভাগে সংখ্যাতিরিক্ত (সুপার নিউমারারি) অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি বিভাগটির অনারারি প্রফেসর ছিলেন।
এছাড়া তিনি ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা বিভাগের খণ্ডকালীন উপদেষ্টা এবং ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খান কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং সোসাইটি ফর এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্টের চেয়ারম্যান ছিলেন। সাংবাদিকতা ও রাজনীতির মিথস্ক্রিয়া ছিল তাঁর গবেষণার অন্যতম প্রধান ক্ষেত্র। দেশি-বিদেশি জার্নালে তাঁর ৩০টিরও বেশি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া তিনি বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল এবং প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা বোর্ডের সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

বাংলাদেশে সাংবাদিকতা শিক্ষার অন্যতম পথিকৃৎ অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খান আর নেই।
গতকাল রোববার রাতে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর। সাখওয়াত আলীর পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, কিছুদিন আগে তিনি স্ট্রোক করেছিলেন। ওই সময় কয়েক দিন হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পর তাঁকে বাসায় নেওয়া হয়। গতকাল রোববার রাতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খান স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়ে, দুই নাতিসহ অসংখ্য ছাত্রছাত্রী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর মেয়ে সুমনা শারমীন (সুমি) প্রথম আলোর সহযোগী সম্পাদক।
আজ সোমবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে তাঁর মরদেহ নেওয়া হয়। সেখানে বিভাগের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা তাঁকে অতল শ্রদ্ধা জানান। পরে নরসিংদী জেলার শিবপুরের গ্রামের বাড়িতে জানাজা শেষে তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন আমার শহর সম্পাদক গাজীউল হক সোহাগ।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ১৯৪১ সালে নরসিংদীর শিবপুর উপজেলায় এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন সাখাওয়াত আলী খান। শিক্ষকতা পেশায় আসার আগে প্রায় এক দশক তিনি বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে সাংবাদিকতা করেছেন। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে শিক্ষকতা করেন এবং ২০০৮ সালে সেখান থেকে অবসরে যান। পরে পাঁচ বছর তিনি একই বিভাগে সংখ্যাতিরিক্ত (সুপার নিউমারারি) অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি বিভাগটির অনারারি প্রফেসর ছিলেন।
এছাড়া তিনি ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা বিভাগের খণ্ডকালীন উপদেষ্টা এবং ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খান কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং সোসাইটি ফর এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্টের চেয়ারম্যান ছিলেন। সাংবাদিকতা ও রাজনীতির মিথস্ক্রিয়া ছিল তাঁর গবেষণার অন্যতম প্রধান ক্ষেত্র। দেশি-বিদেশি জার্নালে তাঁর ৩০টিরও বেশি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া তিনি বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল এবং প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা বোর্ডের সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।