আমার শহর ডেস্ক

অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকা নারীদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে সরকার ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি চালু করতে যাচ্ছে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে দরিদ্র পরিবারগুলোর আর্থিক স্বাবলম্বিতা বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবউদ্দিন।
তিনি জানান, আগামী মঙ্গলবার থেকে এই উদ্যোগ কার্যকর হবে। গতকাল রোববার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য কয়েকজন নারীকে ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননাও প্রদান করা হয়।
রাষ্ট্রপতি বলেন, “নারীর অধিকার ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।” তিনি আশা প্রকাশ করেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি পরিবারগুলোর অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা অর্জনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। বক্তব্যের শুরুতে তিনি ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার সংগ্রাম পর্যন্ত গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে শহিদদের আত্মত্যাগ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
রাষ্ট্রপতির ভাষায়, “শহিদদের স্বপ্ন ছিল বৈষম্যহীন ও ন্যায়ভিত্তিক একটি বাংলাদেশ। সেই বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে পারলেই তাদের আত্মত্যাগের যথার্থ মূল্যায়ন হবে।”
রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের মোট দেশজ উৎপাদনে নারীর অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার ভাষায়, “দেশের জিডিপির প্রায় ১৬ শতাংশ অবদান আসে নারীদের কাজ থেকে। গৃহস্থালির কাজ থেকে শুরু করে স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, কৃষি, শিল্প-সাহিত্য, কলকারখানা ও নির্মাণসহ প্রায় সব ক্ষেত্রেই নারীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।” নারীর নিরাপত্তার বিষয়েও গুরুত্ব দেন তিনি।
রাষ্ট্রপতি বলেন, নারীর উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির সুফল পেতে হলে ঘরে ও বাইরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। নারী নির্যাতন ও সহিংসতার বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে সরকার কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে অনলাইন মাধ্যমেও নারীদের বিরুদ্ধে হয়রানি ও অপপ্রচারের বিষয়টি নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি।
তিনি বলেন, “সামাজিক হয়রানির পাশাপাশি অনলাইনে নারীর চরিত্রহনন ও সাইবার বুলিং এখন বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সরকার বিশেষ ব্যবস্থা নিচ্ছে।”
কন্যাশিশুর ক্ষেত্রে বাল্যবিবাহকেও বড় সামাজিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, কঠোর আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা বাড়িয়ে এই সমস্যা মোকাবিলা করতে হবে।
অনুষ্ঠানে গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় অবদানের জন্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে মরণোত্তর ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা দেওয়া হয়। তার পক্ষে পুরস্কার গ্রহণ করেন নাতনি ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। এ সময় খালেদা জিয়ার পুত্রবধূ ডা. জুবাইদা রহমানও উপস্থিত ছিলেন।
এবার আরও কয়েকজন নারী বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য এই সম্মাননা পান। তাদের মধ্যে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে নুরুন নাহার আক্তার, শিক্ষা ও চাকরিক্ষেত্রে সাফল্যের জন্য মোছা. ববিতা খাতুন, সফল জননী হিসেবে নুরবানু কবীর, নির্যাতনের দুঃস্বপ্ন কাটিয়ে জীবন সংগ্রামে জয়ী নারী হিসেবে মোছা. শমলা বেগম এবং সমাজ উন্নয়নে অবদানের জন্য মোছা. আফরোজা ইয়াসমিন পুরস্কার গ্রহণ করেন।

অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকা নারীদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে সরকার ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি চালু করতে যাচ্ছে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে দরিদ্র পরিবারগুলোর আর্থিক স্বাবলম্বিতা বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবউদ্দিন।
তিনি জানান, আগামী মঙ্গলবার থেকে এই উদ্যোগ কার্যকর হবে। গতকাল রোববার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য কয়েকজন নারীকে ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননাও প্রদান করা হয়।
রাষ্ট্রপতি বলেন, “নারীর অধিকার ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।” তিনি আশা প্রকাশ করেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি পরিবারগুলোর অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা অর্জনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। বক্তব্যের শুরুতে তিনি ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার সংগ্রাম পর্যন্ত গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে শহিদদের আত্মত্যাগ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
রাষ্ট্রপতির ভাষায়, “শহিদদের স্বপ্ন ছিল বৈষম্যহীন ও ন্যায়ভিত্তিক একটি বাংলাদেশ। সেই বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে পারলেই তাদের আত্মত্যাগের যথার্থ মূল্যায়ন হবে।”
রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের মোট দেশজ উৎপাদনে নারীর অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার ভাষায়, “দেশের জিডিপির প্রায় ১৬ শতাংশ অবদান আসে নারীদের কাজ থেকে। গৃহস্থালির কাজ থেকে শুরু করে স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, কৃষি, শিল্প-সাহিত্য, কলকারখানা ও নির্মাণসহ প্রায় সব ক্ষেত্রেই নারীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।” নারীর নিরাপত্তার বিষয়েও গুরুত্ব দেন তিনি।
রাষ্ট্রপতি বলেন, নারীর উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির সুফল পেতে হলে ঘরে ও বাইরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। নারী নির্যাতন ও সহিংসতার বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে সরকার কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে অনলাইন মাধ্যমেও নারীদের বিরুদ্ধে হয়রানি ও অপপ্রচারের বিষয়টি নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি।
তিনি বলেন, “সামাজিক হয়রানির পাশাপাশি অনলাইনে নারীর চরিত্রহনন ও সাইবার বুলিং এখন বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সরকার বিশেষ ব্যবস্থা নিচ্ছে।”
কন্যাশিশুর ক্ষেত্রে বাল্যবিবাহকেও বড় সামাজিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, কঠোর আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা বাড়িয়ে এই সমস্যা মোকাবিলা করতে হবে।
অনুষ্ঠানে গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় অবদানের জন্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে মরণোত্তর ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা দেওয়া হয়। তার পক্ষে পুরস্কার গ্রহণ করেন নাতনি ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। এ সময় খালেদা জিয়ার পুত্রবধূ ডা. জুবাইদা রহমানও উপস্থিত ছিলেন।
এবার আরও কয়েকজন নারী বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য এই সম্মাননা পান। তাদের মধ্যে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে নুরুন নাহার আক্তার, শিক্ষা ও চাকরিক্ষেত্রে সাফল্যের জন্য মোছা. ববিতা খাতুন, সফল জননী হিসেবে নুরবানু কবীর, নির্যাতনের দুঃস্বপ্ন কাটিয়ে জীবন সংগ্রামে জয়ী নারী হিসেবে মোছা. শমলা বেগম এবং সমাজ উন্নয়নে অবদানের জন্য মোছা. আফরোজা ইয়াসমিন পুরস্কার গ্রহণ করেন।