নিজস্ব প্রতিবেদক

কন্টেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের সঙ্গে দেখা করেছেন এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক নাভিদ নওরোজ শাহ। এ নিয়ে তিনি ফেসবুকে একটি পোস্ট করে লিখেন- গতকাল দেখা করেছিলাম সালমান মুক্তাদিরের সাথে। এই অবস্থায় যেমন থাকার কথা, তেমনই আছেন। তবে ভেঙে পড়েননি। পুরো পরিস্থিতি নিয়ে আলাপের পর বিদায় নেবার সময় আমার মুখে হাসি না আসলেও তিনি স্বভাবসুলভ হাসলেন।
একটা স্টুডিও বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আসলে শুধু কারও কর্মস্থল নয়। কয়েক বছরের স্বপ্ন, পরিশ্রম, অর্থ আর সৃষ্টিশীলতার মেলবন্ধন। আর সালমানের ব্রাউনফিশ স্টুডিও সেই মাপকাঠিতে আরও এগিয়ে। তিনি বাংলাদেশের পাইওনিয়ার ইউটিউবার, তার গড়ে তোলা প্রতিষ্ঠানও দেশের অন্য যে কোন স্টুডিওর তুলনায় ছিল অনন্য। যেই সন্ত্রাসীরা এসেছিলো তারা শুধু ভাঙচুর করেই ক্ষান্ত হয়নি বরং অসংখ্য মূল্যবান জিনিস চুরি করে নিয়ে গেছে হাতের কাছে যা পেয়েছে, যার মধ্যে হার্ড ডিস্কও আছে যেগুলোতে সালমানের কাজের অনেক ফাইল ছিল। একজন শিল্পীর কাছে তার অসংখ্য নির্ঘুম রাতের সৃষ্টি হারিয়ে যাওয়ার কষ্ট কি পরিমাণ সেটা ভাষায় বর্ণনা করার মতো না।
বিষয়টা আসলে শুধু এই স্টুডিও ভাঙচুরের মধ্যে সীমাবদ্ধ না। দেশে প্রতিদিন এরকম অগণিত ঘটনা ঘটছে যেগুলো আমাদের নজরেও আসে না। মিরপুরের স্বাস্থ্যকেন্দ্র দখল আর গতকাল আশুলিয়ায় একটি মাদ্রাসায় ভাঙচুর শুধু নমুনা মাত্র। সালমানের স্টুডিও দেখে তাও দেশবাসী জেনেছে, তবুও বিচারের নাম গন্ধ নেই। গ্রেপ্তার হয়েছে মাত্র একজন, বাকিরা কোথায়? কার নির্দেশে হামলা করতে এসেছে তারা? এসবের কোন হদিস নেই।
ওদিকে আওয়ামী অমানুষরা আনন্দে ফেটে পড়েছে সালমানকে বিপদে পড়তে দেখে। জুলাইতে প্রতিবাদ করা যে কারো দুঃখে তারা মজা পায় এমনকি সাধারণ মানুষ মরলেও তাদের সুখ। আরেকদিকে বিএনপি ব্যস্ত সালমানের স্টেটমেন্টের ভুল ধরতে, ঘটনা চাঁদাবাজি ছিলো না ‘দখলদারি’ ছিলো এটা বের করেই তাদের স্বস্তি। অথচ সরকারে বসে যে দোষীদের বিচার করবে সেটা নিয়ে তাদের কোনো মাথাব্যাথা নেই।
সবচেয়ে হতাশাজনক ছিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর তাচ্ছিল্যের হাসি। তিনি বলেছেন ‘টিনশেডের অবৈধ স্থাপনা’ দখল নিয়ে সমস্যা। মানে তিনি একবার জানার প্রয়োজনও বোধ করেননি জায়গাটা আসলে কি ছিল, কোথায় ছিল আর স্টুডিও আসলে দেখতে কেমন হয়। জনগণের জানমাল নিয়ে তাদের ন্যূনতম সম্মানবোধ নেই। বুঝলাম তিনি অনেক ব্যস্ত। তাহলে ঢাকা শহরে চাঁদাবাজির মামলায় যে ৮৫% সরকার দলীয় লোকজনের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে তিনি কি তাদের শাস্তি নিশ্চিত করেছেন?
সালমান কোনো রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা চাননি। তিনি রাজনীতি করেনও না। কিন্তু তিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে নিঃস্বার্থভাবে সব সময় প্রতিবাদ করেন। জুলাইতে রাজপথে তার সাহসী উপস্থিতি হাজারো বিপ্লবীকে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। তাই দলমত নির্বিশেষে আমাদের সবার উচিত তার পাশে দাঁড়ানো। প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে দ্রুততম সময়ে সকল অপরাধীকে বিচারের আওতায় আনতে হবে। সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভেঙে পার পেয়ে যাওয়া মানে সন্ত্রাস আর দখলদারের হাত থেকে আমরা কেউ নিরাপদ নই।

কন্টেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের সঙ্গে দেখা করেছেন এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক নাভিদ নওরোজ শাহ। এ নিয়ে তিনি ফেসবুকে একটি পোস্ট করে লিখেন- গতকাল দেখা করেছিলাম সালমান মুক্তাদিরের সাথে। এই অবস্থায় যেমন থাকার কথা, তেমনই আছেন। তবে ভেঙে পড়েননি। পুরো পরিস্থিতি নিয়ে আলাপের পর বিদায় নেবার সময় আমার মুখে হাসি না আসলেও তিনি স্বভাবসুলভ হাসলেন।
একটা স্টুডিও বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আসলে শুধু কারও কর্মস্থল নয়। কয়েক বছরের স্বপ্ন, পরিশ্রম, অর্থ আর সৃষ্টিশীলতার মেলবন্ধন। আর সালমানের ব্রাউনফিশ স্টুডিও সেই মাপকাঠিতে আরও এগিয়ে। তিনি বাংলাদেশের পাইওনিয়ার ইউটিউবার, তার গড়ে তোলা প্রতিষ্ঠানও দেশের অন্য যে কোন স্টুডিওর তুলনায় ছিল অনন্য। যেই সন্ত্রাসীরা এসেছিলো তারা শুধু ভাঙচুর করেই ক্ষান্ত হয়নি বরং অসংখ্য মূল্যবান জিনিস চুরি করে নিয়ে গেছে হাতের কাছে যা পেয়েছে, যার মধ্যে হার্ড ডিস্কও আছে যেগুলোতে সালমানের কাজের অনেক ফাইল ছিল। একজন শিল্পীর কাছে তার অসংখ্য নির্ঘুম রাতের সৃষ্টি হারিয়ে যাওয়ার কষ্ট কি পরিমাণ সেটা ভাষায় বর্ণনা করার মতো না।
বিষয়টা আসলে শুধু এই স্টুডিও ভাঙচুরের মধ্যে সীমাবদ্ধ না। দেশে প্রতিদিন এরকম অগণিত ঘটনা ঘটছে যেগুলো আমাদের নজরেও আসে না। মিরপুরের স্বাস্থ্যকেন্দ্র দখল আর গতকাল আশুলিয়ায় একটি মাদ্রাসায় ভাঙচুর শুধু নমুনা মাত্র। সালমানের স্টুডিও দেখে তাও দেশবাসী জেনেছে, তবুও বিচারের নাম গন্ধ নেই। গ্রেপ্তার হয়েছে মাত্র একজন, বাকিরা কোথায়? কার নির্দেশে হামলা করতে এসেছে তারা? এসবের কোন হদিস নেই।
ওদিকে আওয়ামী অমানুষরা আনন্দে ফেটে পড়েছে সালমানকে বিপদে পড়তে দেখে। জুলাইতে প্রতিবাদ করা যে কারো দুঃখে তারা মজা পায় এমনকি সাধারণ মানুষ মরলেও তাদের সুখ। আরেকদিকে বিএনপি ব্যস্ত সালমানের স্টেটমেন্টের ভুল ধরতে, ঘটনা চাঁদাবাজি ছিলো না ‘দখলদারি’ ছিলো এটা বের করেই তাদের স্বস্তি। অথচ সরকারে বসে যে দোষীদের বিচার করবে সেটা নিয়ে তাদের কোনো মাথাব্যাথা নেই।
সবচেয়ে হতাশাজনক ছিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর তাচ্ছিল্যের হাসি। তিনি বলেছেন ‘টিনশেডের অবৈধ স্থাপনা’ দখল নিয়ে সমস্যা। মানে তিনি একবার জানার প্রয়োজনও বোধ করেননি জায়গাটা আসলে কি ছিল, কোথায় ছিল আর স্টুডিও আসলে দেখতে কেমন হয়। জনগণের জানমাল নিয়ে তাদের ন্যূনতম সম্মানবোধ নেই। বুঝলাম তিনি অনেক ব্যস্ত। তাহলে ঢাকা শহরে চাঁদাবাজির মামলায় যে ৮৫% সরকার দলীয় লোকজনের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে তিনি কি তাদের শাস্তি নিশ্চিত করেছেন?
সালমান কোনো রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা চাননি। তিনি রাজনীতি করেনও না। কিন্তু তিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে নিঃস্বার্থভাবে সব সময় প্রতিবাদ করেন। জুলাইতে রাজপথে তার সাহসী উপস্থিতি হাজারো বিপ্লবীকে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। তাই দলমত নির্বিশেষে আমাদের সবার উচিত তার পাশে দাঁড়ানো। প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে দ্রুততম সময়ে সকল অপরাধীকে বিচারের আওতায় আনতে হবে। সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভেঙে পার পেয়ে যাওয়া মানে সন্ত্রাস আর দখলদারের হাত থেকে আমরা কেউ নিরাপদ নই।