নিজস্ব প্রতিবেদক

একুশে পদক পাওয়া কবি, ছড়াকার ও লেখক সুকুমার বড়ুয়া আর নেই। আজ শুক্রবার সকালে চট্টগ্রাম জেলার রাউজানের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। সুকুমার বড়ুয়ার বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, তিন মেয়ে ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর বাড়ি রাউজানের বিনাজুরী গ্রামে। জার্মানিপ্রবাসী ছেলে জানাবে কখন তাঁর জানাজা হবে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সুকুমার বড়ুয়া দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন। তিনি স্ত্রীকে নিয়ে গ্রামে নিজ বাড়িতে বসবাস করতেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গত দুই সপ্তাহ আগে তাঁকে চট্টগ্রাম নগরের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে স্বাস্থ্যের কিছুটা উন্নতি হওয়ায় কয়েক দিন পর তাঁকে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে আবার অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাঁকে উপজেলার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
সুকুমার বড়ুয়া বাংলা একাডেমি, একুশে পদক, বাংলাদেশ শিশু একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, অগ্রণী ব্যাংক শিশুসাহিত্য সম্মাননা, আলাওল শিশুসাহিত্য পুরস্কারসহ অসংখ্য পদক পেয়েছেন। তিনি দুই বছর বিভিন্ন মেসে বাবুর্চির কাজ করেছেন। এরপর ১৯৬২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জৈব রসায়ন বিভাগে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী হিসেবে যোগ দেন। পরে একই বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টিবিজ্ঞান বিভাগে তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী হিসেবে যোগ দেন তিনি। তাঁর লেখা ১৮টি বইয়ের মধ্যে প্রথম বই ‘পাগলা ঘোড়া’ প্রকাশিত হয় ১৯৭০ সালে। তাঁকে ছড়ার রাজা বা ছড়াকারের সম্রাট বলা হয়। দেশের ছড়া লেখা একটি প্রজন্ম তাঁকে অনুকরণ করে ছড়া লিখতো।

একুশে পদক পাওয়া কবি, ছড়াকার ও লেখক সুকুমার বড়ুয়া আর নেই। আজ শুক্রবার সকালে চট্টগ্রাম জেলার রাউজানের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। সুকুমার বড়ুয়ার বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, তিন মেয়ে ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর বাড়ি রাউজানের বিনাজুরী গ্রামে। জার্মানিপ্রবাসী ছেলে জানাবে কখন তাঁর জানাজা হবে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সুকুমার বড়ুয়া দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন। তিনি স্ত্রীকে নিয়ে গ্রামে নিজ বাড়িতে বসবাস করতেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গত দুই সপ্তাহ আগে তাঁকে চট্টগ্রাম নগরের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে স্বাস্থ্যের কিছুটা উন্নতি হওয়ায় কয়েক দিন পর তাঁকে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে আবার অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাঁকে উপজেলার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
সুকুমার বড়ুয়া বাংলা একাডেমি, একুশে পদক, বাংলাদেশ শিশু একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, অগ্রণী ব্যাংক শিশুসাহিত্য সম্মাননা, আলাওল শিশুসাহিত্য পুরস্কারসহ অসংখ্য পদক পেয়েছেন। তিনি দুই বছর বিভিন্ন মেসে বাবুর্চির কাজ করেছেন। এরপর ১৯৬২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জৈব রসায়ন বিভাগে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী হিসেবে যোগ দেন। পরে একই বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টিবিজ্ঞান বিভাগে তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী হিসেবে যোগ দেন তিনি। তাঁর লেখা ১৮টি বইয়ের মধ্যে প্রথম বই ‘পাগলা ঘোড়া’ প্রকাশিত হয় ১৯৭০ সালে। তাঁকে ছড়ার রাজা বা ছড়াকারের সম্রাট বলা হয়। দেশের ছড়া লেখা একটি প্রজন্ম তাঁকে অনুকরণ করে ছড়া লিখতো।