নিহতরা সবাই কুমিল্লার বাসিন্দা
নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রামে হালিশহরের একটি বাসায় গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সকালে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান কিশোর শাওন (১৬)। একই ঘটনায় এর আগে শাওনের মা নুর জাহান আক্তার রানী মারা যান। দুপুরে মারা যান শাওনের চাচা পোল্যান্ড প্রবাসী সামির আহমেদ সুমন (৪০)। গ্যাস বিস্ফোরণের এ ঘটনায় এখনও শাওনের পরিবারের ছয়জন দগ্ধ অবস্থায় চিকিৎসাধীন। শাওন কুমিল্লা জেলার বরুড়া উপজেলার বাঘমারা গ্রামের মটরপার্টস ব্যাবসায়ী দগ্ধ শাখাওয়াত হোসেনের ছেলে। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন শাওন বিন রহমান বলেন, শাওনের শরীরের ৫০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। হালিশেহরে গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় বর্তমানে ছয়জন চিকিৎসাধীন রয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাদের সকলের অবস্থাই আশঙ্কাজনক।
এর আগে সোমবার গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ ৯ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় আনার পথে শাওনের মা ৪০ বছর বয়সী নুরজাহান আক্তার রানী মারা যান। এ নিয়ে ভয়াবহ এই বিস্ফোরণের ঘটনায় তিনজনের মৃত্যু হলো।
সোমবার সন্ধ্যায় ৯ জনকে হাসপাতালে গ্রহণ করার পর শাওন বিন রহমান বলেছিলেন, এখানে পৌঁছানোর আগেই রানীর মৃত্যু হয়, বাকি আট জনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।
সোমবার ভোর সাড়ে ৪টায় হালিশহর এইচ ব্লকের 'হালিমা মঞ্জিল' নামের ছয়তলা ভবনের তৃতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে বিকট শব্দে বিস্ফোরণের পরপরই আগুন ধরে যায়। তারপর শরীরে আগুন নিয়ে ঘর থেকে একে একে সবাই বের হয়ে আসেন বলে প্রতিবেশীরা জানিয়েছিলেন। দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিন শিশুসহ ৯ জন দগ্ধ হন; তারা সে সময় সেহরি করছিলেন।
মৃত রানী, শাওন ও সুমন ছাড়া দগ্ধ বাকিরা হলেন- রানীর স্বামী সাখাওয়াত (৪৬), তার আরেক সন্তান উম্মে আইমান স্নিগ্ধা (১০), সামিরের স্ত্রী আশুরা আক্তার পাখি (৩০), তাদের দুই সন্তান আয়েশা (৪) ও ফারহান আহমেদ আনাছ (৬) এবং সাখাওয়াতের আরেক ভাই শিপন হোসাইন (৩১)।
দুর্ঘটনার পরপর প্রথমে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সবার অবস্থাই আশঙ্কাজনক বলে বার্ন ইউনিটের চিকিৎসকরা তখন জানিয়েছিলেন।
এখন চিকিৎসাধীন থাকা পাখি ও সাখাওয়াতের ত্বকে পোড়ার মাত্রা শতভাগ। এছাড়া শিপনের ৮০, সামিরের ৪৫, আইমানের ৩৮, আনাছের ৩০ ও আয়েশার ৪৫ শতাংশ পুড়েছে।
পেশায় গ্যারেজ মালিক সাখাওয়াত হোসেন ওই ফ্ল্যাটটি ভাড়া নিয়েছিলেন দেড় বছর আগে। সেখানে তিনি দুই সন্তান, স্ত্রী এবং তার গ্যারেজের এক কর্মচারীসহ পাঁচজন থাকেন। কদিন আগে তার ছোট ভাই পরিবার নিয়ে তার বাসায় আসেন ডাক্তার দেখাতে।
চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের (জোন-১) উপসহকারী পরিচালক আলমগীর হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে রান্নাঘরে গ্যাস জমে ছিল। চুলার আগুন ধরাতে গিয়ে এ বিস্ফোরণ হয়ে আগুন ধরে যায়।
বিস্ফোরণে ভবনের দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম তলা পর্যন্ত প্রত্যেকটি ফ্ল্যাটের দরজা জানালা এবং লিফটের দরজাও ভেঙে গেছে বলে ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে।
সামির আহমেদ সুমনের বন্ধু মো. সোহাগ জানান, বর্তমানে তিনজনকে আইসিইউতে রাখা হয়েছে। ওরাসহ বাকিদের অবস্থাও সংকটাপন্ন।

চট্টগ্রামে হালিশহরের একটি বাসায় গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সকালে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান কিশোর শাওন (১৬)। একই ঘটনায় এর আগে শাওনের মা নুর জাহান আক্তার রানী মারা যান। দুপুরে মারা যান শাওনের চাচা পোল্যান্ড প্রবাসী সামির আহমেদ সুমন (৪০)। গ্যাস বিস্ফোরণের এ ঘটনায় এখনও শাওনের পরিবারের ছয়জন দগ্ধ অবস্থায় চিকিৎসাধীন। শাওন কুমিল্লা জেলার বরুড়া উপজেলার বাঘমারা গ্রামের মটরপার্টস ব্যাবসায়ী দগ্ধ শাখাওয়াত হোসেনের ছেলে। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন শাওন বিন রহমান বলেন, শাওনের শরীরের ৫০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। হালিশেহরে গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় বর্তমানে ছয়জন চিকিৎসাধীন রয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাদের সকলের অবস্থাই আশঙ্কাজনক।
এর আগে সোমবার গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ ৯ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় আনার পথে শাওনের মা ৪০ বছর বয়সী নুরজাহান আক্তার রানী মারা যান। এ নিয়ে ভয়াবহ এই বিস্ফোরণের ঘটনায় তিনজনের মৃত্যু হলো।
সোমবার সন্ধ্যায় ৯ জনকে হাসপাতালে গ্রহণ করার পর শাওন বিন রহমান বলেছিলেন, এখানে পৌঁছানোর আগেই রানীর মৃত্যু হয়, বাকি আট জনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।
সোমবার ভোর সাড়ে ৪টায় হালিশহর এইচ ব্লকের 'হালিমা মঞ্জিল' নামের ছয়তলা ভবনের তৃতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে বিকট শব্দে বিস্ফোরণের পরপরই আগুন ধরে যায়। তারপর শরীরে আগুন নিয়ে ঘর থেকে একে একে সবাই বের হয়ে আসেন বলে প্রতিবেশীরা জানিয়েছিলেন। দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিন শিশুসহ ৯ জন দগ্ধ হন; তারা সে সময় সেহরি করছিলেন।
মৃত রানী, শাওন ও সুমন ছাড়া দগ্ধ বাকিরা হলেন- রানীর স্বামী সাখাওয়াত (৪৬), তার আরেক সন্তান উম্মে আইমান স্নিগ্ধা (১০), সামিরের স্ত্রী আশুরা আক্তার পাখি (৩০), তাদের দুই সন্তান আয়েশা (৪) ও ফারহান আহমেদ আনাছ (৬) এবং সাখাওয়াতের আরেক ভাই শিপন হোসাইন (৩১)।
দুর্ঘটনার পরপর প্রথমে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সবার অবস্থাই আশঙ্কাজনক বলে বার্ন ইউনিটের চিকিৎসকরা তখন জানিয়েছিলেন।
এখন চিকিৎসাধীন থাকা পাখি ও সাখাওয়াতের ত্বকে পোড়ার মাত্রা শতভাগ। এছাড়া শিপনের ৮০, সামিরের ৪৫, আইমানের ৩৮, আনাছের ৩০ ও আয়েশার ৪৫ শতাংশ পুড়েছে।
পেশায় গ্যারেজ মালিক সাখাওয়াত হোসেন ওই ফ্ল্যাটটি ভাড়া নিয়েছিলেন দেড় বছর আগে। সেখানে তিনি দুই সন্তান, স্ত্রী এবং তার গ্যারেজের এক কর্মচারীসহ পাঁচজন থাকেন। কদিন আগে তার ছোট ভাই পরিবার নিয়ে তার বাসায় আসেন ডাক্তার দেখাতে।
চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের (জোন-১) উপসহকারী পরিচালক আলমগীর হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে রান্নাঘরে গ্যাস জমে ছিল। চুলার আগুন ধরাতে গিয়ে এ বিস্ফোরণ হয়ে আগুন ধরে যায়।
বিস্ফোরণে ভবনের দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম তলা পর্যন্ত প্রত্যেকটি ফ্ল্যাটের দরজা জানালা এবং লিফটের দরজাও ভেঙে গেছে বলে ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে।
সামির আহমেদ সুমনের বন্ধু মো. সোহাগ জানান, বর্তমানে তিনজনকে আইসিইউতে রাখা হয়েছে। ওরাসহ বাকিদের অবস্থাও সংকটাপন্ন।