নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লায় চার রাজনৈতিক দলের ৯ হেভিওয়েট প্রার্থী নির্বাচনী মাঠে তৎপর রয়েছেন। এর মধ্যে বিএনপির ছয়জন, জামায়াতে ইসলামীর একজন, এলডিপির একজন ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) একজন। দলীয় কোন্দল , সংশ্লিষ্ট প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের এলাকায় জনসমর্থন ও প্রভাব থাকায় কেউ কেউ ধরাশায়ী হতে পারেন। আগামী ২৯ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র জমাদানের শেষ দিন। ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট হবে।
বিএনপির নেতাকর্মীদের ভাষ্য, ভোটারেরা ধানের শীষ প্রতীককে ভালোবেসে ভোট দেবেন। অন্যান্য দলের নেতাদের বক্তব্য হল মানুষ ব্যক্তি দেখে ভোট দেবেন। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে প্রত্যেকেই জয়ী হবেন বলে মনে করছেন প্রার্থীরা।
৯ হেভিওয়েট প্রার্থী হলেন-কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি ও মেঘনা) আসনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, কুমিল্লা-২ (হোমনা ও তিতাস) আসনে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া, কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহসভাপতি কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ, কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ, কুমিল্লা-৬ (আদর্শ সদর ও সদর দক্ষিণ উপজেলা, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন, কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকা) বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী, কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসনে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) মহাসচিব রেদোয়ান আহমেদ, কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি জাকারিয়া তাহের সুমন, কুমিল্লা-৯ (লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ) আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় জাতীয় নির্বাহী কমিটির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক মো. আবুল কালাম ও কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের।
জামায়াতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, চৌদ্দগ্রামে কাজী জাফর আহমেদ প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। মুজিবুল হক রেলপথমন্ত্রী ছিলেন। আমি দলের কেন্দ্রীয় নেতা। এখানে উপজেলা পর্যায়ের নেতা একটি দল থেকে প্রার্থী। এই আসনে ভোটারেরা হেভিওয়েট প্রার্থীকেই বেছে নেবেন।
এলডিপির মহাসচিব রেদোয়ান আহমেদ বলেন, আমরা বিএনপির সঙ্গে একসঙ্গে আছি। বিএনপি ও এলডিপি আমার আসনে এক। আমি দুই দলেই নেতাকর্মী তৈরি করেছি। জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী। জানতে চাইলে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি জাকারিয়া তাহের সুমন বলেন, ভোটারেরা বিএনপিকে ভোট দেওয়ার জন্য মুখিয়ে আছেন। গত ১১ মাস দক্ষিণ কুমিল্লার ছয়টি আসন ঘুরে দেখেছি, বিএনপির পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। আমার বিশ্বাস বিএনপি সব কয়টি আসনে জিতবে।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, দেবীদ্বারের মানুষ পরিবর্তন চায়। মানুষ পরিবর্তনের জন্য ভোট দেবেন। আমি দেবীদ্বারের যেখানে গেছি, সাড়া পেয়েছি।

কুমিল্লায় চার রাজনৈতিক দলের ৯ হেভিওয়েট প্রার্থী নির্বাচনী মাঠে তৎপর রয়েছেন। এর মধ্যে বিএনপির ছয়জন, জামায়াতে ইসলামীর একজন, এলডিপির একজন ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) একজন। দলীয় কোন্দল , সংশ্লিষ্ট প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের এলাকায় জনসমর্থন ও প্রভাব থাকায় কেউ কেউ ধরাশায়ী হতে পারেন। আগামী ২৯ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র জমাদানের শেষ দিন। ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট হবে।
বিএনপির নেতাকর্মীদের ভাষ্য, ভোটারেরা ধানের শীষ প্রতীককে ভালোবেসে ভোট দেবেন। অন্যান্য দলের নেতাদের বক্তব্য হল মানুষ ব্যক্তি দেখে ভোট দেবেন। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে প্রত্যেকেই জয়ী হবেন বলে মনে করছেন প্রার্থীরা।
৯ হেভিওয়েট প্রার্থী হলেন-কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি ও মেঘনা) আসনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, কুমিল্লা-২ (হোমনা ও তিতাস) আসনে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া, কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহসভাপতি কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ, কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ, কুমিল্লা-৬ (আদর্শ সদর ও সদর দক্ষিণ উপজেলা, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন, কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকা) বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী, কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসনে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) মহাসচিব রেদোয়ান আহমেদ, কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি জাকারিয়া তাহের সুমন, কুমিল্লা-৯ (লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ) আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় জাতীয় নির্বাহী কমিটির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক মো. আবুল কালাম ও কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের।
জামায়াতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, চৌদ্দগ্রামে কাজী জাফর আহমেদ প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। মুজিবুল হক রেলপথমন্ত্রী ছিলেন। আমি দলের কেন্দ্রীয় নেতা। এখানে উপজেলা পর্যায়ের নেতা একটি দল থেকে প্রার্থী। এই আসনে ভোটারেরা হেভিওয়েট প্রার্থীকেই বেছে নেবেন।
এলডিপির মহাসচিব রেদোয়ান আহমেদ বলেন, আমরা বিএনপির সঙ্গে একসঙ্গে আছি। বিএনপি ও এলডিপি আমার আসনে এক। আমি দুই দলেই নেতাকর্মী তৈরি করেছি। জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী। জানতে চাইলে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি জাকারিয়া তাহের সুমন বলেন, ভোটারেরা বিএনপিকে ভোট দেওয়ার জন্য মুখিয়ে আছেন। গত ১১ মাস দক্ষিণ কুমিল্লার ছয়টি আসন ঘুরে দেখেছি, বিএনপির পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। আমার বিশ্বাস বিএনপি সব কয়টি আসনে জিতবে।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, দেবীদ্বারের মানুষ পরিবর্তন চায়। মানুষ পরিবর্তনের জন্য ভোট দেবেন। আমি দেবীদ্বারের যেখানে গেছি, সাড়া পেয়েছি।