নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন প্রার্থীরা। এগুলো যাচাই-বাছাই শেষে মনোনয়নপত্র অবৈধ বা বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। আবার ঋণখেলাপি মতো গুরুতর অভিযোগ থাকার পরও আদালতের আদেশ র আদেশ বিবেচনায় মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে অনেকের। এমন ৩১ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। এদের মধ্যে কুমিল্লার রয়েছেন চারজন। তাঁরা হলেন-কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী, কুমিল্লা-৭আসনের রেদোয়ান আহমেদ এবং কুমিল্লা-৯ আসনের আবুল কালাম ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ইয়াসির মোহাম্মদ ফয়সাল আশিক।
উচ্চ আদালত থেকে স্থগিতাদেশ নিয়ে নির্বাচনে বৈধতা পাওয়া বাকি ২৭ জনের মধ্যে বিএনপি মনোনীত ১৫ প্রার্থী-বগুড়া-১ কাজী রফিকুল ইসলাম, বগুড়া-৫ গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ, টাঙ্গাইল-৪ মো. লুৎফর রহমান, ময়মনসিংহ-৫ মোহাম্মদ জাকির হান্নান, হোসেন, গাজীপুর-৪ শাহ রিয়াজুল হান্নান, মৌলভীবাজার-৪ মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী, চট্টগ্রাম-২ সরোয়ার আলমগীর, চট্টগ্রাম-৪ মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৬ গোলাম আকবর খোন্দকার ও গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১৬ মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী ও সিলেট-১ থেকে খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর। এ ছাড়া বগুড়া-২ ও ঢাকা-১৮ থেকে নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না রয়েছেন এ তালিকায়।
স্বতন্ত্র ১১ প্রার্থীর মধ্যে রয়েছেন যশোর-৫ মো. কামরুজ্জামান, ময়মন-সিংহ-১০ মো. মুশফিকুর রহমান, ময়মনসিংহ-১১ মুহাম্মদ মোর্শেদ আলম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ এসএকে একরামুজ্জামান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ কাজী নাজমুল হোসেন, চাঁদপুর-২ তানভীর হুদা, চট্টগ্রাম-৫ এসএম ফজলুল হক, নোয়াখালী-২ কাজী মোহাম্মদ মফিজুর রহমান, সিলেট-৩ মোস্তাকিম রাজা চৌধুরী ও সিলেট-৫ থেকে মামুনুর রশীদ।
এ ছাড়া জাতীয় পার্টির মানিকগঞ্জ-২ থেকে এসএম আব্দুল মান্নান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বাগেরহাট-১ থেকে মুজিবুর রহমান শামীম, নারায়ণগঞ্জ-৪ থেকে বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির মোহাম্মদ আলী রয়েছেন তালিকায়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ঋণ তথ্য ব্যুরোর (সিআইবি) প্রতিবেদনে খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত এই ৩১ জন। দেশের বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিয়ে তারা খেলাপি হয়েছেন। কিন্তু উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ পেয়ে বাছাইয়ে টিকে গেছেন এসব প্রার্থী।
এবারের সংসদ নির্বাচনে সারা দেশের ৩০০ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন ২ হাজার ৫৬৫ জন। তাদের মধ্যে বাছাইয়ে শুধু ঋণখেলাপির কারণেই বাতিল হয়েছে ৮২ জনের প্রার্থিতা। তাদের মধ্যে ২৮ জন স্বতন্ত্র, তিনজন বিএনপি ও দুজন জামায়াত মনোনীত। এর বাইরে জাতীয় পার্টি, সিপিবি, চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরাও রয়েছেন। সিআইবির তথ্যের আলোকে নির্বাচন কমিশন প্রার্থী বাছাইয়ে এসব ঋণখেলাপির প্রার্থিতা আটকে দিয়েছে। এ ছাড়া অন্যান্য কারণে সব মিলিয়ে বাতিল হয়েছে ৭২৩টি মনোনয়নপত্র।
গত ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত সারাদেশের ৬৯টি রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র বাছাই করা হয়। এতে সব মিলিয়ে ৭২৩টি মনোনয়নপত্র বাতিল হলেও ১ হাজার ৮৪২ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ বলে বিবেচিত হয়। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তে বৈধ এবং অবৈধ হওয়া সব মনোনয়নপত্রের বিরুদ্ধেই আগামী ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত আপিলের সুযোগ রাখা হয়েছে।
আরপিও (গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ) অনুযায়ী, কোনো ঋণখেলাপি ব্যক্তি নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন না। অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে সংশোধিত আরপিও অনুযায়ী, সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পরও কোনো ব্যক্তির খেলাপির সত্যতা নিশ্চিত হলে তিনি পদ হারাতে পারেন। ইসি ঘোষিত তপশিল অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের কথা।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন প্রার্থীরা। এগুলো যাচাই-বাছাই শেষে মনোনয়নপত্র অবৈধ বা বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। আবার ঋণখেলাপি মতো গুরুতর অভিযোগ থাকার পরও আদালতের আদেশ র আদেশ বিবেচনায় মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে অনেকের। এমন ৩১ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। এদের মধ্যে কুমিল্লার রয়েছেন চারজন। তাঁরা হলেন-কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী, কুমিল্লা-৭আসনের রেদোয়ান আহমেদ এবং কুমিল্লা-৯ আসনের আবুল কালাম ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ইয়াসির মোহাম্মদ ফয়সাল আশিক।
উচ্চ আদালত থেকে স্থগিতাদেশ নিয়ে নির্বাচনে বৈধতা পাওয়া বাকি ২৭ জনের মধ্যে বিএনপি মনোনীত ১৫ প্রার্থী-বগুড়া-১ কাজী রফিকুল ইসলাম, বগুড়া-৫ গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ, টাঙ্গাইল-৪ মো. লুৎফর রহমান, ময়মনসিংহ-৫ মোহাম্মদ জাকির হান্নান, হোসেন, গাজীপুর-৪ শাহ রিয়াজুল হান্নান, মৌলভীবাজার-৪ মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী, চট্টগ্রাম-২ সরোয়ার আলমগীর, চট্টগ্রাম-৪ মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৬ গোলাম আকবর খোন্দকার ও গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১৬ মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী ও সিলেট-১ থেকে খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর। এ ছাড়া বগুড়া-২ ও ঢাকা-১৮ থেকে নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না রয়েছেন এ তালিকায়।
স্বতন্ত্র ১১ প্রার্থীর মধ্যে রয়েছেন যশোর-৫ মো. কামরুজ্জামান, ময়মন-সিংহ-১০ মো. মুশফিকুর রহমান, ময়মনসিংহ-১১ মুহাম্মদ মোর্শেদ আলম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ এসএকে একরামুজ্জামান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ কাজী নাজমুল হোসেন, চাঁদপুর-২ তানভীর হুদা, চট্টগ্রাম-৫ এসএম ফজলুল হক, নোয়াখালী-২ কাজী মোহাম্মদ মফিজুর রহমান, সিলেট-৩ মোস্তাকিম রাজা চৌধুরী ও সিলেট-৫ থেকে মামুনুর রশীদ।
এ ছাড়া জাতীয় পার্টির মানিকগঞ্জ-২ থেকে এসএম আব্দুল মান্নান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বাগেরহাট-১ থেকে মুজিবুর রহমান শামীম, নারায়ণগঞ্জ-৪ থেকে বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির মোহাম্মদ আলী রয়েছেন তালিকায়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ঋণ তথ্য ব্যুরোর (সিআইবি) প্রতিবেদনে খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত এই ৩১ জন। দেশের বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিয়ে তারা খেলাপি হয়েছেন। কিন্তু উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ পেয়ে বাছাইয়ে টিকে গেছেন এসব প্রার্থী।
এবারের সংসদ নির্বাচনে সারা দেশের ৩০০ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন ২ হাজার ৫৬৫ জন। তাদের মধ্যে বাছাইয়ে শুধু ঋণখেলাপির কারণেই বাতিল হয়েছে ৮২ জনের প্রার্থিতা। তাদের মধ্যে ২৮ জন স্বতন্ত্র, তিনজন বিএনপি ও দুজন জামায়াত মনোনীত। এর বাইরে জাতীয় পার্টি, সিপিবি, চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরাও রয়েছেন। সিআইবির তথ্যের আলোকে নির্বাচন কমিশন প্রার্থী বাছাইয়ে এসব ঋণখেলাপির প্রার্থিতা আটকে দিয়েছে। এ ছাড়া অন্যান্য কারণে সব মিলিয়ে বাতিল হয়েছে ৭২৩টি মনোনয়নপত্র।
গত ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত সারাদেশের ৬৯টি রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র বাছাই করা হয়। এতে সব মিলিয়ে ৭২৩টি মনোনয়নপত্র বাতিল হলেও ১ হাজার ৮৪২ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ বলে বিবেচিত হয়। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তে বৈধ এবং অবৈধ হওয়া সব মনোনয়নপত্রের বিরুদ্ধেই আগামী ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত আপিলের সুযোগ রাখা হয়েছে।
আরপিও (গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ) অনুযায়ী, কোনো ঋণখেলাপি ব্যক্তি নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন না। অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে সংশোধিত আরপিও অনুযায়ী, সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পরও কোনো ব্যক্তির খেলাপির সত্যতা নিশ্চিত হলে তিনি পদ হারাতে পারেন। ইসি ঘোষিত তপশিল অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের কথা।