আমার শহর ডেস্ক

অভ্যুত্থানের ছাত্রনেতা থেকে উপদেষ্টার পদে আসা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়ার বাড়ি কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়ে নিজ জেলার জন্য কয়েকটি প্রকল্প হাতে নেন তিনি। তাঁর পদত্যাগের পর এখন সেসব প্রকল্প অনুমোদনের প্রক্রিয়া শুরু না করে ফেরত পাঠানো হচ্ছে।
জানা গেছে, মুরাদনগর উপজেলার আর্চি নদ ও বুড়ি নদী পুনঃখননে ৪৬ কোটি টাকা ব্যয়ের একটি প্রকল্প নেওয়া হয়। প্রকল্পটি বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) অন্তর্ভুক্ত করতে গত অক্টোবরে পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছিল। তবে গত সপ্তাহে পরিকল্পনা কমিশন জানিয়েছে, প্রকল্পটি নেওয়ার সময় অনেক প্রক্রিয়া মানা হয়নি।
একইভাবে কুমিল্লা জেলার বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার ঘুংঘর নদী ও খাল পুনঃখননে ৪৫ কোটি টাকা ব্যয়ে আরেকটি প্রকল্প এডিপিতে অন্তর্ভুক্ত করতে পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছিল। তবে এ প্রকল্পটিও ফেরত পাঠানো হয়। পরিকল্পনা কমিশন বলছে, এ দুটি প্রকল্পে কতসংখ্যক জনবল লাগবে, তা ঠিক করতে জনবল নির্ধারণ কমিটির সুপারিশ নেওয়া হয়নি। প্রকল্প দুটি লাল ক্যাটাগরি হওয়ায় সমীক্ষা করা আবশ্যক, কিন্তু তা করা হয়নি।
দুটি প্রকল্পকে আলাদাভাবে বাস্তবায়ন না করে একীভূত করে সমীক্ষা করে তারপর বাস্তবায়ন করা উচিত বলে মত দিয়েছে কমিশন। অন্যদিকে আসিফ মাহমুদের জেলা কুমিল্লার সড়ক ও অন্যান্য গ্রামীণ অবকাঠামো মেরামত ও উন্নয়নে ২ হাজার ৪০০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদন না দিয়ে ফেরত পাঠিয়েছে কমিশন।
পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (সচিব) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘কুমিল্লার সড়ক ও অন্যান্য গ্রামীণ অবকাঠামো মেরামত ও উন্নয়নের প্রকল্পটি একনেকে অনুমোদন পায়নি, তবে প্রক্রিয়াধীন।’
স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা পরিবর্তনের পর এ মন্ত্রণালয়ে ব্যাপক রদবদল শুরু হয়েছে। আগের উপদেষ্টার একান্ত সচিবসহ (পিএস) ১৩ জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে ইতিমধ্যে বদলি করা হয়েছে। আরও কয়েকজনকে বদলি করা হতে পারে বলেও শোনা যাচ্ছে। আগের উপদেষ্টার সময়ে নেওয়া কিছু প্রকল্পও পুনর্বিন্যাস করা হচ্ছে।
২০২৪ সালে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের তিন মাস পর স্থানীয় সরকার উপদেষ্টার দায়িত্ব পান অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের অন্যতম আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর ভোটে অংশ নিতে গত ১০ ডিসেম্বর পদত্যাগ করেন তিনি। পরদিন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয় আদিলুর রহমান খানকে, যিনি গৃহায়ণ ও গণপূর্ত এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বেও রয়েছেন।

অভ্যুত্থানের ছাত্রনেতা থেকে উপদেষ্টার পদে আসা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়ার বাড়ি কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়ে নিজ জেলার জন্য কয়েকটি প্রকল্প হাতে নেন তিনি। তাঁর পদত্যাগের পর এখন সেসব প্রকল্প অনুমোদনের প্রক্রিয়া শুরু না করে ফেরত পাঠানো হচ্ছে।
জানা গেছে, মুরাদনগর উপজেলার আর্চি নদ ও বুড়ি নদী পুনঃখননে ৪৬ কোটি টাকা ব্যয়ের একটি প্রকল্প নেওয়া হয়। প্রকল্পটি বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) অন্তর্ভুক্ত করতে গত অক্টোবরে পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছিল। তবে গত সপ্তাহে পরিকল্পনা কমিশন জানিয়েছে, প্রকল্পটি নেওয়ার সময় অনেক প্রক্রিয়া মানা হয়নি।
একইভাবে কুমিল্লা জেলার বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার ঘুংঘর নদী ও খাল পুনঃখননে ৪৫ কোটি টাকা ব্যয়ে আরেকটি প্রকল্প এডিপিতে অন্তর্ভুক্ত করতে পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছিল। তবে এ প্রকল্পটিও ফেরত পাঠানো হয়। পরিকল্পনা কমিশন বলছে, এ দুটি প্রকল্পে কতসংখ্যক জনবল লাগবে, তা ঠিক করতে জনবল নির্ধারণ কমিটির সুপারিশ নেওয়া হয়নি। প্রকল্প দুটি লাল ক্যাটাগরি হওয়ায় সমীক্ষা করা আবশ্যক, কিন্তু তা করা হয়নি।
দুটি প্রকল্পকে আলাদাভাবে বাস্তবায়ন না করে একীভূত করে সমীক্ষা করে তারপর বাস্তবায়ন করা উচিত বলে মত দিয়েছে কমিশন। অন্যদিকে আসিফ মাহমুদের জেলা কুমিল্লার সড়ক ও অন্যান্য গ্রামীণ অবকাঠামো মেরামত ও উন্নয়নে ২ হাজার ৪০০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদন না দিয়ে ফেরত পাঠিয়েছে কমিশন।
পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (সচিব) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘কুমিল্লার সড়ক ও অন্যান্য গ্রামীণ অবকাঠামো মেরামত ও উন্নয়নের প্রকল্পটি একনেকে অনুমোদন পায়নি, তবে প্রক্রিয়াধীন।’
স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা পরিবর্তনের পর এ মন্ত্রণালয়ে ব্যাপক রদবদল শুরু হয়েছে। আগের উপদেষ্টার একান্ত সচিবসহ (পিএস) ১৩ জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে ইতিমধ্যে বদলি করা হয়েছে। আরও কয়েকজনকে বদলি করা হতে পারে বলেও শোনা যাচ্ছে। আগের উপদেষ্টার সময়ে নেওয়া কিছু প্রকল্পও পুনর্বিন্যাস করা হচ্ছে।
২০২৪ সালে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের তিন মাস পর স্থানীয় সরকার উপদেষ্টার দায়িত্ব পান অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের অন্যতম আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর ভোটে অংশ নিতে গত ১০ ডিসেম্বর পদত্যাগ করেন তিনি। পরদিন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয় আদিলুর রহমান খানকে, যিনি গৃহায়ণ ও গণপূর্ত এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বেও রয়েছেন।