নিজস্ব প্রতিবেদক

মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ের দ্বিতীয় দিনে গতকাল শনিবার কুমিল্লায় বিএনপির স্বতন্ত্র ও দল মনোনীত নয় এমন তিনজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। কুমিল্লা-৯ আসনে মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে সামিরা আজিম দোলা ও ড. রশিদ আহমেদ হোসাইনীর। কুমিল্লা-১০ আসনে বাতিল করা হয় মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া ২০০৮ সালের নির্বাচনে কুমিল্লা-১০ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচন করেন। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দল তাঁকে মনোনয়ন দেয়নি। ওই আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য বিএনপি নেতা আবদুল গফুর ভূঁইয়া। দল মনোনয়ন না দিলেও মোবাশ্বের বিএনপির হয়ে মনোনয়ন পত্র ক্রয় করেন। এছাড়া ঋণ খেলাপি রয়েছে তাঁর। এসব কারণে রিটার্নিং কর্মকর্তা তাঁর মনোনয়ন বাতিল করেন।
মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া বিগত সময়ে নানা বিতর্কিত মন্তব্য করে তীব্র সমালোচনার মুখোমুখি হন। তিনি কুমিল্লা নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন। তাঁর ভাষা ব্যবহারও আলোচনায় আসে। সামিরা আজিম দোলা সাবেক সংসদ সদস্য, বিএনপি নেতা প্রয়াত কর্নেল আজিমের মেয়ে। তিনি দল থেকে মনোনয়ন চান। কিন্তু ওই আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন পান বিএনপির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক মো. আবুল কালাম। সামিরা আজিম দোলার ভালো জনপ্রিয়তা রয়েছে। বিএনপির ৩১ দফার লিফলেট বিতরণকালে তিনি হামলার শিকার হয়েছিলেন। তবে দল অধিকতর ভরসা রাখে আবুল কালামের ওপর। বিএনপি প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা দেওয়ার পর দোলা ও কালামকে মিলিয়ে দেওয়া হয়। ওই আসনের ভোটারদের ধারণা ছিল দোলা মনোনয়ন পত্র নেবেন না। শেষ পর্যন্ত তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন কেনেন। কিন্তু ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরে ত্রুটি থাকায় তাঁর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। এছাড়া ওই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পত্র কেনেন সাবেক ডাকসু সদস্য, যুবদলের সাবেক কেন্দ্রীয় শ্রমবিষয়ক সম্পাদক এবং নেক্সাস গ্রুপের পরিচালক ড. রশিদ আহমেদ হোসাইনী। তাঁর মনোনয়নও বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ের দ্বিতীয় দিনে গতকাল শনিবার কুমিল্লায় বিএনপির স্বতন্ত্র ও দল মনোনীত নয় এমন তিনজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। কুমিল্লা-৯ আসনে মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে সামিরা আজিম দোলা ও ড. রশিদ আহমেদ হোসাইনীর। কুমিল্লা-১০ আসনে বাতিল করা হয় মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া ২০০৮ সালের নির্বাচনে কুমিল্লা-১০ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচন করেন। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দল তাঁকে মনোনয়ন দেয়নি। ওই আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য বিএনপি নেতা আবদুল গফুর ভূঁইয়া। দল মনোনয়ন না দিলেও মোবাশ্বের বিএনপির হয়ে মনোনয়ন পত্র ক্রয় করেন। এছাড়া ঋণ খেলাপি রয়েছে তাঁর। এসব কারণে রিটার্নিং কর্মকর্তা তাঁর মনোনয়ন বাতিল করেন।
মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া বিগত সময়ে নানা বিতর্কিত মন্তব্য করে তীব্র সমালোচনার মুখোমুখি হন। তিনি কুমিল্লা নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন। তাঁর ভাষা ব্যবহারও আলোচনায় আসে। সামিরা আজিম দোলা সাবেক সংসদ সদস্য, বিএনপি নেতা প্রয়াত কর্নেল আজিমের মেয়ে। তিনি দল থেকে মনোনয়ন চান। কিন্তু ওই আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন পান বিএনপির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক মো. আবুল কালাম। সামিরা আজিম দোলার ভালো জনপ্রিয়তা রয়েছে। বিএনপির ৩১ দফার লিফলেট বিতরণকালে তিনি হামলার শিকার হয়েছিলেন। তবে দল অধিকতর ভরসা রাখে আবুল কালামের ওপর। বিএনপি প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা দেওয়ার পর দোলা ও কালামকে মিলিয়ে দেওয়া হয়। ওই আসনের ভোটারদের ধারণা ছিল দোলা মনোনয়ন পত্র নেবেন না। শেষ পর্যন্ত তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন কেনেন। কিন্তু ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরে ত্রুটি থাকায় তাঁর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। এছাড়া ওই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পত্র কেনেন সাবেক ডাকসু সদস্য, যুবদলের সাবেক কেন্দ্রীয় শ্রমবিষয়ক সম্পাদক এবং নেক্সাস গ্রুপের পরিচালক ড. রশিদ আহমেদ হোসাইনী। তাঁর মনোনয়নও বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।