নিজস্ব প্রতিবেদক

ওমরাহ করে দেশে ফিরেই দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান বীর উত্তম ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করেছেন কুমিল্লা-৬ (আদর্শ সদর, সদর দক্ষিণ, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন ও কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকা) আসনে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা সাবেক সংসদ সদস্য প্রবীণ রাজনীতিবিদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী সাবেক শিক্ষার্থী মনিরুল হক চৌধুরী। আজ শুক্রবার সকালে তিনি পবিত্র ওমরাহ করে সৌদিআরব থেকে দেশে ফিরেছেন।
দুপুরে দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে জিয়ার মাজার এলাকায় যান মনিরুল হক চৌধুরী। এরপর তিনি দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

বিএনপির প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ২০০১-২০০৬ সালে কুমিল্লার মানুষের জন্য আমি যা চেয়েছি, সবকিছু দিয়েছেন বেগম খালেদা জিয়া। তিনি আমার নির্বাচনী এলাকায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় দিয়েছেন। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য আমরা ষাটের দশক থেকে আন্দোলন করেছি। কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ বিএনপি ও তাঁর গড়া। সদর দক্ষিণ উপজেলা, তিতাস উপজেলাসহ জেলার আরও কয়েকটি উপজেলা, সদর দক্ষিণ পৌরসভাসহ কুমিল্লার বেশিরভাগ পৌরসভা তাঁর শাসনামলে করা। সদর দক্ষিণ পৌরসভা করেছিল বলেই আজ কুমিল্লা সিটি করপোরেশন হয়েছে। খালেদা জিয়ার শাসনামলে বাংলাদেশ উন্নতির চরম শিখরে ওঠে। দেশের মর্যাদা তাঁর শাসনামলে সুন্দর ছিল। তিনি ন্যায়ের পথে চলতেন। তাঁর মতো দেশপ্রেমিক বাঙালি খুব কমই আছে। তিনি হিংসার রাজনীতি করতেন না। জেল জুলুমের শিকার হয়েছেন। ২৫ বছর আগে তিনি আমাকে বিএনপিতে নিয়ে আসেন। ঘটা করে আমাকে বরণ করে নেন। সেই স্মৃতি আর ঋণ আমাকে প্রতিনিয়ত তাড়া করে। অন্যদিকে জিয়াউর রহমান একাত্তরের রণাঙ্গনের সম্মুখযোদ্ধা, সেক্টর কমান্ডার। বীর উত্তম। দেশের মানুষকে সত্তর ও আশির দশকে এক নেতৃত্ব দিয়ে সাড়া ফেলে দিয়েছিলেন।
তিনি বলেন, এটা আমার জীবনের হয়তো শেষ নির্বাচন। এখন চাই কুমিল্লাবাসীর জন্য আরও বেশি কাজ করতে।

তিনি বলেন, তারেক জিয়া আমাদের অলংকার। এই মূহুর্তে বাংলাদেশের মানুষের কাছে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা নাম্বার ওয়ান। ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরার পর তিনি অক্লান্ত পরিশ্রম করেই যাচ্ছেন। তাঁর প্রতিটি বক্তব্য, কথা আমাদের হৃদয় ছুঁয়েছে। তারেক জিয়ার নেতৃত্বে বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়াবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ছিদ্দিকুর রহমান, বর্তমান সভাপতি এডভোকেট আখতার হোসাইন, কুমিল্লা বাঁচাও মঞ্চের কুমিল্লা মহানগর শাখার সদস্য সচিব নাসির উদ্দিন, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর হারুনুর রশিদ, খলিলুর রহমান মজুমদার , কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি রাসেল আহমেদ, জাতীয়তাবাদী তাঁতী দলের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হক পিটার।

ওমরাহ করে দেশে ফিরেই দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান বীর উত্তম ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করেছেন কুমিল্লা-৬ (আদর্শ সদর, সদর দক্ষিণ, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন ও কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকা) আসনে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা সাবেক সংসদ সদস্য প্রবীণ রাজনীতিবিদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী সাবেক শিক্ষার্থী মনিরুল হক চৌধুরী। আজ শুক্রবার সকালে তিনি পবিত্র ওমরাহ করে সৌদিআরব থেকে দেশে ফিরেছেন।
দুপুরে দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে জিয়ার মাজার এলাকায় যান মনিরুল হক চৌধুরী। এরপর তিনি দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

বিএনপির প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ২০০১-২০০৬ সালে কুমিল্লার মানুষের জন্য আমি যা চেয়েছি, সবকিছু দিয়েছেন বেগম খালেদা জিয়া। তিনি আমার নির্বাচনী এলাকায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় দিয়েছেন। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য আমরা ষাটের দশক থেকে আন্দোলন করেছি। কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ বিএনপি ও তাঁর গড়া। সদর দক্ষিণ উপজেলা, তিতাস উপজেলাসহ জেলার আরও কয়েকটি উপজেলা, সদর দক্ষিণ পৌরসভাসহ কুমিল্লার বেশিরভাগ পৌরসভা তাঁর শাসনামলে করা। সদর দক্ষিণ পৌরসভা করেছিল বলেই আজ কুমিল্লা সিটি করপোরেশন হয়েছে। খালেদা জিয়ার শাসনামলে বাংলাদেশ উন্নতির চরম শিখরে ওঠে। দেশের মর্যাদা তাঁর শাসনামলে সুন্দর ছিল। তিনি ন্যায়ের পথে চলতেন। তাঁর মতো দেশপ্রেমিক বাঙালি খুব কমই আছে। তিনি হিংসার রাজনীতি করতেন না। জেল জুলুমের শিকার হয়েছেন। ২৫ বছর আগে তিনি আমাকে বিএনপিতে নিয়ে আসেন। ঘটা করে আমাকে বরণ করে নেন। সেই স্মৃতি আর ঋণ আমাকে প্রতিনিয়ত তাড়া করে। অন্যদিকে জিয়াউর রহমান একাত্তরের রণাঙ্গনের সম্মুখযোদ্ধা, সেক্টর কমান্ডার। বীর উত্তম। দেশের মানুষকে সত্তর ও আশির দশকে এক নেতৃত্ব দিয়ে সাড়া ফেলে দিয়েছিলেন।
তিনি বলেন, এটা আমার জীবনের হয়তো শেষ নির্বাচন। এখন চাই কুমিল্লাবাসীর জন্য আরও বেশি কাজ করতে।

তিনি বলেন, তারেক জিয়া আমাদের অলংকার। এই মূহুর্তে বাংলাদেশের মানুষের কাছে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা নাম্বার ওয়ান। ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরার পর তিনি অক্লান্ত পরিশ্রম করেই যাচ্ছেন। তাঁর প্রতিটি বক্তব্য, কথা আমাদের হৃদয় ছুঁয়েছে। তারেক জিয়ার নেতৃত্বে বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়াবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ছিদ্দিকুর রহমান, বর্তমান সভাপতি এডভোকেট আখতার হোসাইন, কুমিল্লা বাঁচাও মঞ্চের কুমিল্লা মহানগর শাখার সদস্য সচিব নাসির উদ্দিন, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর হারুনুর রশিদ, খলিলুর রহমান মজুমদার , কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি রাসেল আহমেদ, জাতীয়তাবাদী তাঁতী দলের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হক পিটার।