নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠী কৃষক। কৃষকরা সচেতন হলে বাংলাদেশকে কেউ দাবিয়ে রাখতে পারবে না। তাই তাদের এগিয়ে দিতে সরকার বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নিয়েছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কৃষক কার্ড। এই
এই কার্ডের মাধ্যমে তারা নিজের পেশাসহ ব্যক্তিজীবনে বিভিন্ন সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। কৃষক কার্ড তার পরিচয়কে উজ্জ্বল করবে। কৃষক কার্ড হবে কৃষকের আত্মমর্যাদার প্রতীক। সেই লক্ষে বর্তমান সরকার করছে।
প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচার অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন, এন্টারপ্রেনারশিপ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার) কর্মসূচির আওতায় পার্টনার কংগ্রেসে বক্তারা এই কথা বলেন। আজ বৃহস্পতিবার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার আয়োজনে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়।
সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, উপজেলা অডিটরিয়ামে পার্টনার কংগ্রেসের আয়োজন করা হয়েছে। প্রবেশ পথ বর্ণিল সাজে সাজানো হয়েছে। রঙিন ক্যাপ মাথায় সেখানে হাজির কৃষক কিষানিরা। তাদের মাঝে উৎসবের আমেজ। অডিটরিয়ামের সামনে বামপাশে রঙিন বেলুন ঝুলিয়ে প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। প্রদর্শনীতে সবজি ও বিভিন্ন উন্নত জাতের ধানের বীজ প্রদর্শন করা হয়েছে। এছাড়া কৃষি প্রযুক্তি উপস্থাপন করা হয়েছে।
কৃষানি সাবিনা আক্তার ও কৃষক নজরুল ইসলাম বলেন, এই কংগ্রেসে এসে জানতে পারলাম কিভাবে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন করতে হয়। কিভাবে তা ভোক্তা পর্যায়ে পৌঁছাতে পারব। এছাড়া উন্নত জাত চাষে কিভাবে লাভবান হবো তা শিখেছি। প্রদর্শনীতে নতুন প্রযুক্তি দেখে নিজেরা সমৃদ্ধ হয়েছি।
তারা আরো বলেন, কখন সার ও কীটনাশক দিলে ফসল উৎপাদন ভালো হবে, এছাড়া ফসল নিরাপদ থাকবে তা শিখেছি। এই জানার মাধ্যমে আমাদের আয় আরো বাড়াতে পারব।
এতে সভাপতিত্ব করেন আদর্শ সদর উপজেলা কৃষি অফিসার মো. নিজাম উদ্দিন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ফারজানা রহমান। প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কুমিল্লার উপপরিচালক মো. মিজানুর রহমান।
বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সফিউল আলম রায়হান, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা হিজবুল বাহার ভূঁইয়া, দুর্গাপুর উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সোনিয়া আক্তার।

দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠী কৃষক। কৃষকরা সচেতন হলে বাংলাদেশকে কেউ দাবিয়ে রাখতে পারবে না। তাই তাদের এগিয়ে দিতে সরকার বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নিয়েছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কৃষক কার্ড। এই
এই কার্ডের মাধ্যমে তারা নিজের পেশাসহ ব্যক্তিজীবনে বিভিন্ন সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। কৃষক কার্ড তার পরিচয়কে উজ্জ্বল করবে। কৃষক কার্ড হবে কৃষকের আত্মমর্যাদার প্রতীক। সেই লক্ষে বর্তমান সরকার করছে।
প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচার অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন, এন্টারপ্রেনারশিপ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার) কর্মসূচির আওতায় পার্টনার কংগ্রেসে বক্তারা এই কথা বলেন। আজ বৃহস্পতিবার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার আয়োজনে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়।
সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, উপজেলা অডিটরিয়ামে পার্টনার কংগ্রেসের আয়োজন করা হয়েছে। প্রবেশ পথ বর্ণিল সাজে সাজানো হয়েছে। রঙিন ক্যাপ মাথায় সেখানে হাজির কৃষক কিষানিরা। তাদের মাঝে উৎসবের আমেজ। অডিটরিয়ামের সামনে বামপাশে রঙিন বেলুন ঝুলিয়ে প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। প্রদর্শনীতে সবজি ও বিভিন্ন উন্নত জাতের ধানের বীজ প্রদর্শন করা হয়েছে। এছাড়া কৃষি প্রযুক্তি উপস্থাপন করা হয়েছে।
কৃষানি সাবিনা আক্তার ও কৃষক নজরুল ইসলাম বলেন, এই কংগ্রেসে এসে জানতে পারলাম কিভাবে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন করতে হয়। কিভাবে তা ভোক্তা পর্যায়ে পৌঁছাতে পারব। এছাড়া উন্নত জাত চাষে কিভাবে লাভবান হবো তা শিখেছি। প্রদর্শনীতে নতুন প্রযুক্তি দেখে নিজেরা সমৃদ্ধ হয়েছি।
তারা আরো বলেন, কখন সার ও কীটনাশক দিলে ফসল উৎপাদন ভালো হবে, এছাড়া ফসল নিরাপদ থাকবে তা শিখেছি। এই জানার মাধ্যমে আমাদের আয় আরো বাড়াতে পারব।
এতে সভাপতিত্ব করেন আদর্শ সদর উপজেলা কৃষি অফিসার মো. নিজাম উদ্দিন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ফারজানা রহমান। প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কুমিল্লার উপপরিচালক মো. মিজানুর রহমান।
বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সফিউল আলম রায়হান, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা হিজবুল বাহার ভূঁইয়া, দুর্গাপুর উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সোনিয়া আক্তার।