নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা-৬ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুল হক চৌধুরী বলেছেন, আগামী তিনদিনের মধ্যে ডিপিপি তৈরি করে আমাকে দেন। জিলা স্কুল কুমিল্লাতে একটা। এ অনন্য প্রতিষ্ঠানে সুযোগ পাওয়া। আল্লাহর অশেষ রহমত।
আমি শুধু জানতে এসেছি, আমি কি করতে পারি জিলা স্কুলের জন্য। কথা বলতে রাজনীতি করা লাগে না, চেতনা লাগে। যা দরকার- জিলা মনিরুল হক চৌধুরী স্কুলের জন্য সব করা হবে। আমি ডিজির সঙ্গে কথা বলব। হেডমাস্টার আগামী তিনদিনের মধ্যে আমাকে প্রস্তাব দেবেন। এ সময় তিনি শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকৌশলীকে ফোন দেন। ফোনে বলেন, জিলা স্কুলের সমস্যা নিয়ে ডিপিপি তৈরি করতে।
কুমিল্লা জিলা স্কুলে শিক্ষার মানোন্নয়নে অভিভাবকদের সঙ্গে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী এসব কথা বলেন। গতকাল বিদ্যালয়ে ওই সভা হয়।
এতে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আবদুল হাফিজ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উদবাতুল বারী আবু, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি মো. আমিরুজ্জামান ও সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট মো. আখতার হোসাইন প্রমুখ।
তিনি বলেন, অতীতে শিক্ষাব্যবস্থার সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে। এখন সবকিছু যেন রত্ন মনে হয়। আপনারা এতগুলো মা বাবা এসেছেন। আমাদের সময়ে মায়েরা খবরও রাখতো না। আজকে এখানে না এলে আপনাদের মিস করতাম। বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা আবারও ঘুরে দাঁড়াবে।

কুমিল্লা-৬ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুল হক চৌধুরী বলেছেন, আগামী তিনদিনের মধ্যে ডিপিপি তৈরি করে আমাকে দেন। জিলা স্কুল কুমিল্লাতে একটা। এ অনন্য প্রতিষ্ঠানে সুযোগ পাওয়া। আল্লাহর অশেষ রহমত।
আমি শুধু জানতে এসেছি, আমি কি করতে পারি জিলা স্কুলের জন্য। কথা বলতে রাজনীতি করা লাগে না, চেতনা লাগে। যা দরকার- জিলা মনিরুল হক চৌধুরী স্কুলের জন্য সব করা হবে। আমি ডিজির সঙ্গে কথা বলব। হেডমাস্টার আগামী তিনদিনের মধ্যে আমাকে প্রস্তাব দেবেন। এ সময় তিনি শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকৌশলীকে ফোন দেন। ফোনে বলেন, জিলা স্কুলের সমস্যা নিয়ে ডিপিপি তৈরি করতে।
কুমিল্লা জিলা স্কুলে শিক্ষার মানোন্নয়নে অভিভাবকদের সঙ্গে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী এসব কথা বলেন। গতকাল বিদ্যালয়ে ওই সভা হয়।
এতে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আবদুল হাফিজ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উদবাতুল বারী আবু, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি মো. আমিরুজ্জামান ও সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট মো. আখতার হোসাইন প্রমুখ।
তিনি বলেন, অতীতে শিক্ষাব্যবস্থার সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে। এখন সবকিছু যেন রত্ন মনে হয়। আপনারা এতগুলো মা বাবা এসেছেন। আমাদের সময়ে মায়েরা খবরও রাখতো না। আজকে এখানে না এলে আপনাদের মিস করতাম। বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা আবারও ঘুরে দাঁড়াবে।