নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা নগরের কাটাবিল এলাকার ষষ্ঠ শ্রেণির স্কুলছাত্র ইথান আহমেদের ওপর গুলিবর্ষণ করা হয়েছে যে পিস্তল দিয়ে সেটি উদ্ধার করেছে পুলিশ। ৬ রাউন্ড গুলি ভর্তি একটি বিদেশি পিস্তল ছিল এটি।
কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘বৃহস্পতিবার রাতে কাটাবিল এলাকার শ্রাবণকে আটক করার পর তার দেওয়া তথ্য অনুসারে একটি বাড়ির পরিত্যক্ত স্থান থেকে ওই পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে। এই পিস্তলটি গতকালের (বৃহস্পতিবার) ঘটনায় ব্যবহার করা হয়েছে।’
এর আগে হামলা ও গুলির ঘটনায় গুলিবিদ্ধ ইথান আহমেদ প্রেম (১২) এর বাবা ইউনুছ মিয়া বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কোতোয়ালি মডেল থানায় হামলায় জড়িত মাদক কারবারী সাব্বির ও অপুসহ ৬ জনের নামে এবং ৬ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা করেন। পুলিশ এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে শ্রাবণ নামের একজনকে আটক করেছে। পুলিশ বলছে, মামলার অভিযোগে গ্রেপ্তার শ্রাবণের নাম না থাকলেও ঘটনার সাথে তার জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে।
এদিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি গুলিবিদ্ধ স্কুলছাত্র প্রেমের গুলি এখনও বের করা যায়নি বলে জানিয়েছেন তার বাবা ইউনুস মিয়া।
এর আগে আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে নগরের কাঁটাবিল এলাকায় গুলির এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের ভাষ্য, মাদক বেচাকেনা নিয়ে কাঁটাবিল এলাকায় বুধবার রাত থেকে অপু গ্রুপ ও সাব্বির গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা শুরু হয়। এক পর্যায়ে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ও হামলা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এতে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় স্থানীয় লোকজনের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার দুপুরে কাঁটাবিল রফিক উদ্দিন মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় ও কাটাবিল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে মাদকবিরোধী মানববন্ধন করা হয়। পরে হঠাৎ অস্ত্র হাতে একদল লোক সেখানে হামলা চালায়। এ সময় তারা গুলি চালালে পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্কে ছোটাছুটি করেন। সংঘর্ষ চলার সময় ইথান আহমেদ প্রেম গুলিবিদ্ধসহ অন্তত ৫ জন আহত হন। গুলিবিদ্ধ প্রেম কাঁটাবিল রফিক উদ্দিন মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র। স্কুলের শিক্ষকদের ভাষ্য, টিফিনের বিরতিতে প্রেম বাসায় যাচ্ছিল। তার বাবা ইউনুস মিয়া নগরীর সিটি পার্কের একটি রাইডের কর্মচারী।

কুমিল্লা নগরের কাটাবিল এলাকার ষষ্ঠ শ্রেণির স্কুলছাত্র ইথান আহমেদের ওপর গুলিবর্ষণ করা হয়েছে যে পিস্তল দিয়ে সেটি উদ্ধার করেছে পুলিশ। ৬ রাউন্ড গুলি ভর্তি একটি বিদেশি পিস্তল ছিল এটি।
কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘বৃহস্পতিবার রাতে কাটাবিল এলাকার শ্রাবণকে আটক করার পর তার দেওয়া তথ্য অনুসারে একটি বাড়ির পরিত্যক্ত স্থান থেকে ওই পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে। এই পিস্তলটি গতকালের (বৃহস্পতিবার) ঘটনায় ব্যবহার করা হয়েছে।’
এর আগে হামলা ও গুলির ঘটনায় গুলিবিদ্ধ ইথান আহমেদ প্রেম (১২) এর বাবা ইউনুছ মিয়া বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কোতোয়ালি মডেল থানায় হামলায় জড়িত মাদক কারবারী সাব্বির ও অপুসহ ৬ জনের নামে এবং ৬ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা করেন। পুলিশ এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে শ্রাবণ নামের একজনকে আটক করেছে। পুলিশ বলছে, মামলার অভিযোগে গ্রেপ্তার শ্রাবণের নাম না থাকলেও ঘটনার সাথে তার জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে।
এদিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি গুলিবিদ্ধ স্কুলছাত্র প্রেমের গুলি এখনও বের করা যায়নি বলে জানিয়েছেন তার বাবা ইউনুস মিয়া।
এর আগে আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে নগরের কাঁটাবিল এলাকায় গুলির এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের ভাষ্য, মাদক বেচাকেনা নিয়ে কাঁটাবিল এলাকায় বুধবার রাত থেকে অপু গ্রুপ ও সাব্বির গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা শুরু হয়। এক পর্যায়ে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ও হামলা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এতে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় স্থানীয় লোকজনের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার দুপুরে কাঁটাবিল রফিক উদ্দিন মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় ও কাটাবিল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে মাদকবিরোধী মানববন্ধন করা হয়। পরে হঠাৎ অস্ত্র হাতে একদল লোক সেখানে হামলা চালায়। এ সময় তারা গুলি চালালে পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্কে ছোটাছুটি করেন। সংঘর্ষ চলার সময় ইথান আহমেদ প্রেম গুলিবিদ্ধসহ অন্তত ৫ জন আহত হন। গুলিবিদ্ধ প্রেম কাঁটাবিল রফিক উদ্দিন মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র। স্কুলের শিক্ষকদের ভাষ্য, টিফিনের বিরতিতে প্রেম বাসায় যাচ্ছিল। তার বাবা ইউনুস মিয়া নগরীর সিটি পার্কের একটি রাইডের কর্মচারী।