দলীয় কার্যালয়ের সামনে মহানগর সেক্রেটারির গাড়ি ভাঙচুর
নিজস্ব প্রতিবেদক

দলীয় নেতৃত্ব নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামীর কুমিল্লা মহানগরের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় দলীয় কার্যালয়ের সামনে দলের মহানগর সেক্রেটারি মাহাবুবুর রহমানের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। গতকাল বুধবার সন্ধ্যা সাতটায় জামায়াতের কুমিল্লা নগরের প্রধান কার্যালয় গাংচর ফারুকী হাউসের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে জামায়াতের বিবদমান পক্ষগুলো একসাথে বৈঠকে বসে। রাত সাড়ে নয়টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বৈঠক চলছিল।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, মহানগর জামায়াতের নতুন আমির ও সেক্রেটারি নির্বাচন নিয়ে কয়েক দিন ধরে শীর্ষ নেতাদের মধ্যে মতবিরোধ চলছিল। বুধবার সন্ধ্যায় দলীয় কার্যালয়ে কমিটি গঠন নিয়ে বৈঠক চলাকালে সেই বিরোধ প্রকাশ্যে আসে। বর্তমান সেক্রেটারি মাহবুবুর রহমান নতুন কমিটিতে আমির হতে পারেন এমন গুঞ্জনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তৈরি পরে সেটি বাগ্বিতণ্ডায় রূপ নেয়। এক পর্যায়ে সেক্রেটারি মাহবুবুর রহমানের গাড়ি ভাঙচুর করে জামায়াতের একটি অংশ। যার মধ্যে সহসাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন ও দাওয়াহ ও তথ্য সম্পাদক হোসেনসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে গাড়ি ভাঙচুর ও ককটেল বিস্ফোরণে জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠে।
এ বিষয়ে জানতে সহসাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিনকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।
কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মোশাররফ হোসেন গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, এটা আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। আমরা মিডিয়ায় ব্রিফিং দেব। আমাদের মিটিং চলছে।
এ বিষয়ে জানতে মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি মাহবুবুর রহমান রাতে আমার শহরকে বলেন, আমাদের বৈঠক চলাকালে কে বা কারা আমার জিপ গাড়ি ভাঙচুর করেছে। এটা নিয়ে আমরা বৈঠকে বসছি।
কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, জামায়াতের পদ নিয়ে দ্বন্দ্বের কারণে এ ঘটনা ঘটেছে। একটি মামলার সাক্ষ্য দিয়ে আমি চট্টগ্রাম গিয়েছিলাম। এখন ফিরছি আর কুমিল্লা থেকে আমাদের অফিসার বিষয়টি জানাল।
জানা গেছে, কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের আমির কাজী দ্বীন মোহাম্মদ ও সেক্রেটারি মাহাবুবুর রহমান দীর্ঘদিন থেকে নেতৃত্বে আছেন। এর মধ্যে দ্বীন মোহাম্মদ গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৬ আসনে অংশ নেন। তিনি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যও। এই দুইজনকে সরাতে চান জামায়াতের আরেকটি পক্ষ। তাঁরা মহানগর জামায়াতের নেতৃত্ব নিতে চান। একই সঙ্গে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে ও আদর্শ সদর উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে চান। এ নিয়ে নিজেদের মধ্যে তলে তলে থাকা দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে রূপ নিয়েছে।

দলীয় নেতৃত্ব নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামীর কুমিল্লা মহানগরের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় দলীয় কার্যালয়ের সামনে দলের মহানগর সেক্রেটারি মাহাবুবুর রহমানের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। গতকাল বুধবার সন্ধ্যা সাতটায় জামায়াতের কুমিল্লা নগরের প্রধান কার্যালয় গাংচর ফারুকী হাউসের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে জামায়াতের বিবদমান পক্ষগুলো একসাথে বৈঠকে বসে। রাত সাড়ে নয়টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বৈঠক চলছিল।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, মহানগর জামায়াতের নতুন আমির ও সেক্রেটারি নির্বাচন নিয়ে কয়েক দিন ধরে শীর্ষ নেতাদের মধ্যে মতবিরোধ চলছিল। বুধবার সন্ধ্যায় দলীয় কার্যালয়ে কমিটি গঠন নিয়ে বৈঠক চলাকালে সেই বিরোধ প্রকাশ্যে আসে। বর্তমান সেক্রেটারি মাহবুবুর রহমান নতুন কমিটিতে আমির হতে পারেন এমন গুঞ্জনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তৈরি পরে সেটি বাগ্বিতণ্ডায় রূপ নেয়। এক পর্যায়ে সেক্রেটারি মাহবুবুর রহমানের গাড়ি ভাঙচুর করে জামায়াতের একটি অংশ। যার মধ্যে সহসাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন ও দাওয়াহ ও তথ্য সম্পাদক হোসেনসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে গাড়ি ভাঙচুর ও ককটেল বিস্ফোরণে জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠে।
এ বিষয়ে জানতে সহসাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিনকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।
কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মোশাররফ হোসেন গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, এটা আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। আমরা মিডিয়ায় ব্রিফিং দেব। আমাদের মিটিং চলছে।
এ বিষয়ে জানতে মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি মাহবুবুর রহমান রাতে আমার শহরকে বলেন, আমাদের বৈঠক চলাকালে কে বা কারা আমার জিপ গাড়ি ভাঙচুর করেছে। এটা নিয়ে আমরা বৈঠকে বসছি।
কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, জামায়াতের পদ নিয়ে দ্বন্দ্বের কারণে এ ঘটনা ঘটেছে। একটি মামলার সাক্ষ্য দিয়ে আমি চট্টগ্রাম গিয়েছিলাম। এখন ফিরছি আর কুমিল্লা থেকে আমাদের অফিসার বিষয়টি জানাল।
জানা গেছে, কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের আমির কাজী দ্বীন মোহাম্মদ ও সেক্রেটারি মাহাবুবুর রহমান দীর্ঘদিন থেকে নেতৃত্বে আছেন। এর মধ্যে দ্বীন মোহাম্মদ গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৬ আসনে অংশ নেন। তিনি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যও। এই দুইজনকে সরাতে চান জামায়াতের আরেকটি পক্ষ। তাঁরা মহানগর জামায়াতের নেতৃত্ব নিতে চান। একই সঙ্গে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে ও আদর্শ সদর উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে চান। এ নিয়ে নিজেদের মধ্যে তলে তলে থাকা দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে রূপ নিয়েছে।