নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা জেলার ১১ টি সংসদীয় আসনে একমাত্র বিএনপির জাকারিয়া তাহের সুমনই কোন ভোটকেন্দ্রে হারেননি। কুমিল্লা-৮( বরুড়া) আসনের ১০৫ টি ভোটকেন্দ্রের সব কয়টিতেই তিনি জয়ী হয়েছেন।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে জাকারিয়া তাহের সুমন ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১ লাখ ৬৯ হাজার ১৭৮ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের ইসলামীর প্রার্থী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মু. শফিকুল আলম হেলাল পেয়েছেন ৪৫ হাজার ৯১ ভোট। সুমন এক লাখ ২৪ হাজার ৮৭ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।
কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনে সুমন এ নিয়ে দুইবার সংসদ সদস্য হয়েছেন। ২০০৮ সালে আসন পুনর্বিন্যাসে নির্বাচনী এলাকা বাড়ে। তখন সদর দক্ষিণের বিএনপির এক নেতা ও বরুড়া উপজেলা বিএনপির একটি ছোট্র অংশের প্রকাশ্যে ও নিরবে বিরোধিতার কারণে তিনি ২০ হাজার ভোটের ব্যবধানে ফেল করেন। ২০১৮ সালে দিনের ভোট আগের রাতে হয়ে যাওয়ায় তিনি ফেল করেন। ২০০৪ সালে তিনি প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
জানতে চাইলে জাকারিয়া তাহের সুমন বলেন, আমাদের কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গেছেন। মহিলারা আমাকে বিপুল পরিমাণ ভোট দিয়েছেন। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা আমাকে ভোট দিয়েছেন। দলমত নির্বিশেষে ভোট পেয়েছি। সবাই সম্মিলিতভাবে পরিশ্রম করায় কোনকেন্দ্রে হারিনি। এটা একদিনের অর্জন নয়। গত ৩৫ বছর ধরে বরুড়ার মাটিতে আমাদের কাজ চলছে। আগামীতেও এটা ধরে রাখতে হবে।
জামায়াতের প্রার্থী নিজের কেন্দ্রেই বড় ব্যবধানে ফেল করেছেন: কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. শফিকুল আলম হেলাল তাঁর নিজের কেন্দ্র সাওড়াতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফেল করেছেন। তিনি পেয়েছেন ৬৯১ ভোট। অন্যদিকে ধানের শীষের প্রার্থী জাকারিয়া তাহের সুমন পেয়েছেন ১ হাজার ৪৮৩ ভোট। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের চেয়ে ধানের শীষ এই কেন্দ্রে ৭৯২ ভোট বেশি পেয়েছে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রিসাইডিং অফিসার ও বরুড়া শহীদস্মৃতি সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. সুলতান আহমেদ ওই ফল ঘোষণা করা হয়।
এই কেন্দ্রের অন্য প্রার্থীদের একতারা প্রতীকের গোলাম মোরশেদ ৩৭ ভোট, হাত পাখা প্রতীকের মো. গোলাম ছাদেক ১৬ ভোট, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের এইচ এম ইরফান ৭ ভোট, মিনার প্রতীকের আবদুল কাদের ৩ ভোট, হাতি প্রতীকের মো. মফিজ উদ্দীন আহমেদ ২ ও মই প্রতীকের মো. আলী আশ্রাফ ১ ভোট।
এই কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ২ হাজার ৩১৭ ভোট। এর মধ্যে আট প্রার্থী ভোট পেয়েছে ২ হাজার ২৪০ ভোট। ভোট বাতিল হয়েছে ৭৭ টি।
এ প্রসঙ্গে জামায়াতের প্রার্থী কুমিল্লার ইবনে তাইমিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মু. শফিকুল আলম হেলালের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
তবে জামায়াতের স্থানীয় অন্তত তিনজন নেতার ভাষ্য, জামায়াত এই আসনে ৩০ বছর পর প্রার্থী হয়েছে। তাঁদের প্রার্থী এই আসনে স্বল্প সময়ে মাঠে নেমেছেন। আরও আগে মাঠে নামলে ভালো করতো। এবারও অনেক ভোট পেয়েছে।
এদিকে কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী মো. আবুল হাসনাত তাঁর আসনের ১১৬ টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে একটি কেন্দ্রে ফেল করেছেন। তিনি ১১৫ টি ভোটকেন্দ্রে পাস করেছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা জেলার ১১ টি সংসদীয় আসনে একমাত্র বিএনপির জাকারিয়া তাহের সুমনই কোন ভোটকেন্দ্রে হারেননি। কুমিল্লা-৮( বরুড়া) আসনের ১০৫ টি ভোটকেন্দ্রের সব কয়টিতেই তিনি জয়ী হয়েছেন।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে জাকারিয়া তাহের সুমন ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১ লাখ ৬৯ হাজার ১৭৮ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের ইসলামীর প্রার্থী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মু. শফিকুল আলম হেলাল পেয়েছেন ৪৫ হাজার ৯১ ভোট। সুমন এক লাখ ২৪ হাজার ৮৭ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।
কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনে সুমন এ নিয়ে দুইবার সংসদ সদস্য হয়েছেন। ২০০৮ সালে আসন পুনর্বিন্যাসে নির্বাচনী এলাকা বাড়ে। তখন সদর দক্ষিণের বিএনপির এক নেতা ও বরুড়া উপজেলা বিএনপির একটি ছোট্র অংশের প্রকাশ্যে ও নিরবে বিরোধিতার কারণে তিনি ২০ হাজার ভোটের ব্যবধানে ফেল করেন। ২০১৮ সালে দিনের ভোট আগের রাতে হয়ে যাওয়ায় তিনি ফেল করেন। ২০০৪ সালে তিনি প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
জানতে চাইলে জাকারিয়া তাহের সুমন বলেন, আমাদের কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গেছেন। মহিলারা আমাকে বিপুল পরিমাণ ভোট দিয়েছেন। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা আমাকে ভোট দিয়েছেন। দলমত নির্বিশেষে ভোট পেয়েছি। সবাই সম্মিলিতভাবে পরিশ্রম করায় কোনকেন্দ্রে হারিনি। এটা একদিনের অর্জন নয়। গত ৩৫ বছর ধরে বরুড়ার মাটিতে আমাদের কাজ চলছে। আগামীতেও এটা ধরে রাখতে হবে।
জামায়াতের প্রার্থী নিজের কেন্দ্রেই বড় ব্যবধানে ফেল করেছেন: কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. শফিকুল আলম হেলাল তাঁর নিজের কেন্দ্র সাওড়াতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফেল করেছেন। তিনি পেয়েছেন ৬৯১ ভোট। অন্যদিকে ধানের শীষের প্রার্থী জাকারিয়া তাহের সুমন পেয়েছেন ১ হাজার ৪৮৩ ভোট। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের চেয়ে ধানের শীষ এই কেন্দ্রে ৭৯২ ভোট বেশি পেয়েছে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রিসাইডিং অফিসার ও বরুড়া শহীদস্মৃতি সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. সুলতান আহমেদ ওই ফল ঘোষণা করা হয়।
এই কেন্দ্রের অন্য প্রার্থীদের একতারা প্রতীকের গোলাম মোরশেদ ৩৭ ভোট, হাত পাখা প্রতীকের মো. গোলাম ছাদেক ১৬ ভোট, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের এইচ এম ইরফান ৭ ভোট, মিনার প্রতীকের আবদুল কাদের ৩ ভোট, হাতি প্রতীকের মো. মফিজ উদ্দীন আহমেদ ২ ও মই প্রতীকের মো. আলী আশ্রাফ ১ ভোট।
এই কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ২ হাজার ৩১৭ ভোট। এর মধ্যে আট প্রার্থী ভোট পেয়েছে ২ হাজার ২৪০ ভোট। ভোট বাতিল হয়েছে ৭৭ টি।
এ প্রসঙ্গে জামায়াতের প্রার্থী কুমিল্লার ইবনে তাইমিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মু. শফিকুল আলম হেলালের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
তবে জামায়াতের স্থানীয় অন্তত তিনজন নেতার ভাষ্য, জামায়াত এই আসনে ৩০ বছর পর প্রার্থী হয়েছে। তাঁদের প্রার্থী এই আসনে স্বল্প সময়ে মাঠে নেমেছেন। আরও আগে মাঠে নামলে ভালো করতো। এবারও অনেক ভোট পেয়েছে।
এদিকে কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী মো. আবুল হাসনাত তাঁর আসনের ১১৬ টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে একটি কেন্দ্রে ফেল করেছেন। তিনি ১১৫ টি ভোটকেন্দ্রে পাস করেছেন।