বরুড়া প্রতিনিধি

কুমিল্লার বরুড়া প্রেসক্লাবের নির্বাহী সদস্য ও সিনিয়র সাংবাদিক মো. তাজুল ইসলাম (৫৫) আর নেই।
আজ সোমবার বিকেল ৪টা ১০ মিনিটে ঢাকা মিরপুর হার্ট ফাউন্ডেশনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন পুত্র, এক কন্যা ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। আগামীকাল বাদ জোহর সরাফতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জানাজা নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
তাঁর বড় ছেলে আশফাক উসসালেহী সিয়াম বাবার মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন।
মো. তাজুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে হার্ট, কিডনি, ডায়াবেটিস সহ শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন। অবস্থার অবনতি হলে গত মঙ্গলবার উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়। সকল চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে অবশেষে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান এই নির্ভীক সংবাদকর্মী।
বরুড়া উপজেলার আগানগর ইউনিয়নের সরাফতি গ্রামে জন্ম তাঁর। তিনি দৈনিক ভোরের ডাক, রূপসী বাংলা, বাংলার আলোড়ন, নিরীক্ষণ, দৈনিক শ্রমিক, দৈনিক মুক্তির লড়াই ও দৈনিক ভোরের কাগজ, দৈনিক বরুড়া কন্ঠ সহ একাধিক জাতীয় ও স্থানীয় সংবাদপত্রে উপজেলা ও জেলা প্রতিনিধি হিসেবে তিনি পেশাগত দায়িত্ব পালন করেছেন। সর্বশেষ তিনি জাতীয় সাপ্তাহিক পল্লী সমাচারের মফস্বল সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

কুমিল্লার বরুড়া প্রেসক্লাবের নির্বাহী সদস্য ও সিনিয়র সাংবাদিক মো. তাজুল ইসলাম (৫৫) আর নেই।
আজ সোমবার বিকেল ৪টা ১০ মিনিটে ঢাকা মিরপুর হার্ট ফাউন্ডেশনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন পুত্র, এক কন্যা ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। আগামীকাল বাদ জোহর সরাফতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জানাজা নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
তাঁর বড় ছেলে আশফাক উসসালেহী সিয়াম বাবার মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন।
মো. তাজুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে হার্ট, কিডনি, ডায়াবেটিস সহ শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন। অবস্থার অবনতি হলে গত মঙ্গলবার উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়। সকল চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে অবশেষে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান এই নির্ভীক সংবাদকর্মী।
বরুড়া উপজেলার আগানগর ইউনিয়নের সরাফতি গ্রামে জন্ম তাঁর। তিনি দৈনিক ভোরের ডাক, রূপসী বাংলা, বাংলার আলোড়ন, নিরীক্ষণ, দৈনিক শ্রমিক, দৈনিক মুক্তির লড়াই ও দৈনিক ভোরের কাগজ, দৈনিক বরুড়া কন্ঠ সহ একাধিক জাতীয় ও স্থানীয় সংবাদপত্রে উপজেলা ও জেলা প্রতিনিধি হিসেবে তিনি পেশাগত দায়িত্ব পালন করেছেন। সর্বশেষ তিনি জাতীয় সাপ্তাহিক পল্লী সমাচারের মফস্বল সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।