ব্রাহ্মণপাড়া প্রতিনিধি

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় বোরো মৌসুমে নতুন চারটি ব্রি ধানের জাত কৃষকের মধ্যে আশার সঞ্চার করেছে। প্রথমবার আবাদ করা ব্রি ধান-১০২, ১০৪, ১০৮ ও ১১৪ জাতের ধানে ভালো ফলন হওয়ায় মাঠজুড়ে স্বস্তি ও আনন্দের পরিবেশ দেখা গেছে। ধানের ন্যায্য দাম পেলে চলতি মৌসুমে লাভবান হওয়ার আশা করছেন কৃষকেরা।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ব্রাহ্মণপাড়ায় বোরো ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮ হাজার ৫৮০ হেক্টর। অনুক‚ল আবহাওয়া ও পরিবেশের কারণে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে মোট ৮ হাজার ৫৮২ হেক্টর জমিতে ধান চাষ হয়েছে। উপজেলার আটটি ইউনিয়নের ২৪টি বøকে স্থানীয়, উফশী ও হাইব্রিডসহ বিভিন্ন জাতের ধান আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে ব্রি ধান-১০২ আবাদ হয়েছে ৩৯০ হেক্টর, ব্রি ধান-১০৪ আবাদ হয়েছে ৩১০ হেক্টর, ব্রি ধান-১০৮ চাষ হয়েছে ১৩৫ হেক্টর এবং ব্রি ধান-১১৪ আবাদ হয়েছে ৩৫ হেক্টর জমিতে।
দুলালপুর দক্ষিণপাড়া মাঠে ৫৭ শতক জমিতে প্রথমবার ব্রি ধান-১০২ আবাদ করে ভালো ফলন পেয়েছেন কৃষক হেলাল মিয়া। তিনি বলেন, নতুন এই জাতের ধান চাষ করে এত ভালো ফলন পাবেনÑএটা আগে ভাবেননি। এখন অন্য কৃষকদেরও এ ধান চাষে উৎসাহ দিচ্ছেন।
একই এলাকার কিষানি রেহেনা বেগম ৬৬ শতক জমিতে ব্রি ধান-১০৪ আবাদ করেছেন। শুরুতে শঙ্কা থাকলেও এখন ফলন দেখে তিনি আশাবাদী। তাঁর ভাষায়, ফলন দেখে সব দুশ্চিন্তা দূর হয়ে গেছে। অন্যান্য ধানের তুলনায় বেশি উৎপাদন হবে বলে মনে করছেন তিনি।
অলুয়া গ্রামের কৃষক ইসমাইল হোসেন জানান, আগে ব্রি ধান-২৮ চাষ করে রোগবালাইয়ের কারণে কাক্সিক্ষত ফলন পেতেন না। এ বছর ব্রি ধান-১০৮ আবাদ করে তিনি আশাবাদীÑগত বছরের তুলনায় বেশি ফলন পাবেন।
নাইঘর গ্রামের কৃষক নজরুল ইসলামও নতুন জাতের প্রতি আস্থা রেখে ৩৩ শতক জমিতে ব্রি ধান-১১৪ চাষ করেছেন। তিনি বলেন, অন্যান্য জাতের তুলনায় এ ধানের ফলন ভালো হবে বলে আশা করছেন।
কৃষকেরা মনে করছেন, উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ার এ সময়ে উচ্চফলনশীল জাতের ধানই হতে পারে ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার অন্যতম উপায়। তাই আগামী মৌসুমে এসব নতুন জাতের আবাদ আরও বাড়তে পারে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. আব্দুল মতিন বলেন, নতুন উদ্ভাবিত ব্রি ধানের জাতগুলো আগের তুলনায় কম সময়ে বেশি ফলন দেয়। পাশাপাশি এগুলো প্রতিক‚লতা সহনশীল এবং প্রিমিয়াম মানের হওয়ায় কৃষকেরা আগ্রহী হচ্ছেন। অনেক ক্ষেত্রে প্রতি শতকে প্রায় এক মণ পর্যন্ত ফলন পাওয়া যাচ্ছে।

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় বোরো মৌসুমে নতুন চারটি ব্রি ধানের জাত কৃষকের মধ্যে আশার সঞ্চার করেছে। প্রথমবার আবাদ করা ব্রি ধান-১০২, ১০৪, ১০৮ ও ১১৪ জাতের ধানে ভালো ফলন হওয়ায় মাঠজুড়ে স্বস্তি ও আনন্দের পরিবেশ দেখা গেছে। ধানের ন্যায্য দাম পেলে চলতি মৌসুমে লাভবান হওয়ার আশা করছেন কৃষকেরা।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ব্রাহ্মণপাড়ায় বোরো ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮ হাজার ৫৮০ হেক্টর। অনুক‚ল আবহাওয়া ও পরিবেশের কারণে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে মোট ৮ হাজার ৫৮২ হেক্টর জমিতে ধান চাষ হয়েছে। উপজেলার আটটি ইউনিয়নের ২৪টি বøকে স্থানীয়, উফশী ও হাইব্রিডসহ বিভিন্ন জাতের ধান আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে ব্রি ধান-১০২ আবাদ হয়েছে ৩৯০ হেক্টর, ব্রি ধান-১০৪ আবাদ হয়েছে ৩১০ হেক্টর, ব্রি ধান-১০৮ চাষ হয়েছে ১৩৫ হেক্টর এবং ব্রি ধান-১১৪ আবাদ হয়েছে ৩৫ হেক্টর জমিতে।
দুলালপুর দক্ষিণপাড়া মাঠে ৫৭ শতক জমিতে প্রথমবার ব্রি ধান-১০২ আবাদ করে ভালো ফলন পেয়েছেন কৃষক হেলাল মিয়া। তিনি বলেন, নতুন এই জাতের ধান চাষ করে এত ভালো ফলন পাবেনÑএটা আগে ভাবেননি। এখন অন্য কৃষকদেরও এ ধান চাষে উৎসাহ দিচ্ছেন।
একই এলাকার কিষানি রেহেনা বেগম ৬৬ শতক জমিতে ব্রি ধান-১০৪ আবাদ করেছেন। শুরুতে শঙ্কা থাকলেও এখন ফলন দেখে তিনি আশাবাদী। তাঁর ভাষায়, ফলন দেখে সব দুশ্চিন্তা দূর হয়ে গেছে। অন্যান্য ধানের তুলনায় বেশি উৎপাদন হবে বলে মনে করছেন তিনি।
অলুয়া গ্রামের কৃষক ইসমাইল হোসেন জানান, আগে ব্রি ধান-২৮ চাষ করে রোগবালাইয়ের কারণে কাক্সিক্ষত ফলন পেতেন না। এ বছর ব্রি ধান-১০৮ আবাদ করে তিনি আশাবাদীÑগত বছরের তুলনায় বেশি ফলন পাবেন।
নাইঘর গ্রামের কৃষক নজরুল ইসলামও নতুন জাতের প্রতি আস্থা রেখে ৩৩ শতক জমিতে ব্রি ধান-১১৪ চাষ করেছেন। তিনি বলেন, অন্যান্য জাতের তুলনায় এ ধানের ফলন ভালো হবে বলে আশা করছেন।
কৃষকেরা মনে করছেন, উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ার এ সময়ে উচ্চফলনশীল জাতের ধানই হতে পারে ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার অন্যতম উপায়। তাই আগামী মৌসুমে এসব নতুন জাতের আবাদ আরও বাড়তে পারে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. আব্দুল মতিন বলেন, নতুন উদ্ভাবিত ব্রি ধানের জাতগুলো আগের তুলনায় কম সময়ে বেশি ফলন দেয়। পাশাপাশি এগুলো প্রতিক‚লতা সহনশীল এবং প্রিমিয়াম মানের হওয়ায় কৃষকেরা আগ্রহী হচ্ছেন। অনেক ক্ষেত্রে প্রতি শতকে প্রায় এক মণ পর্যন্ত ফলন পাওয়া যাচ্ছে।