দাউদকান্দি প্রতিনিধি

কুমিল্লার ময়নামতি ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় ব্র্যাক কৃত্রিম প্রজনন এন্টারপ্রাইজের উদ্যোগে ‘গাভী পালন ও লাভজনক খামার ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক একটি খামারি প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বুধবার জিহান রেস্তোরাঁর দ্বিতীয় তলায় আয়োজিত এ প্রশিক্ষণে বুড়িচং উপজেলার ময়নামতি ইউনিয়নের ৩৩ জন খামারি অংশগ্রহণ করেন।
প্রশিক্ষণে রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর, কুমিল্লার জেলা ট্রেনিং অফিসার ডা. মো. ইসমাইল হোসেন এবং ব্র্যাকের ডিস্ট্রিক্ট কোঅর্ডিনেটর জিয়া উদ্দিন আহম্মদ। কর্মসূচির সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন ব্র্যাক কৃত্রিম প্রজনন এন্টারপ্রাইজের এরিয়া সেলস ম্যানেজার মো. আবু ইউসুফ।

প্রশিক্ষণে গাভীর সঠিক পরিচর্যা, সুষম পুষ্টি ব্যবস্থাপনা, আধুনিক কৃত্রিম প্রজনন পদ্ধতি, রোগ প্রতিরোধে টিকা প্রদান এবং লাভজনক খামার পরিচালনার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি খামারিদের বাস্তব সমস্যা সমাধান ও উৎপাদন বৃদ্ধির কৌশল নিয়েও পরামর্শ দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয় এবং বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। ডা. মো. ইসমাইল হোসেন বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। পরে সকল অংশগ্রহণকারীকে সনদপত্র প্রদান করা হয়। অংশগ্রহণকারী খামারিরা জানান, এ ধরনের প্রশিক্ষণ তাদের খামার ব্যবস্থাপনায় নতুন জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনে সহায়ক হবে, যা ভবিষ্যতে দুধ ও মাংস উৎপাদন বৃদ্ধি এবং আয় বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

কুমিল্লার ময়নামতি ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় ব্র্যাক কৃত্রিম প্রজনন এন্টারপ্রাইজের উদ্যোগে ‘গাভী পালন ও লাভজনক খামার ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক একটি খামারি প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বুধবার জিহান রেস্তোরাঁর দ্বিতীয় তলায় আয়োজিত এ প্রশিক্ষণে বুড়িচং উপজেলার ময়নামতি ইউনিয়নের ৩৩ জন খামারি অংশগ্রহণ করেন।
প্রশিক্ষণে রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর, কুমিল্লার জেলা ট্রেনিং অফিসার ডা. মো. ইসমাইল হোসেন এবং ব্র্যাকের ডিস্ট্রিক্ট কোঅর্ডিনেটর জিয়া উদ্দিন আহম্মদ। কর্মসূচির সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন ব্র্যাক কৃত্রিম প্রজনন এন্টারপ্রাইজের এরিয়া সেলস ম্যানেজার মো. আবু ইউসুফ।

প্রশিক্ষণে গাভীর সঠিক পরিচর্যা, সুষম পুষ্টি ব্যবস্থাপনা, আধুনিক কৃত্রিম প্রজনন পদ্ধতি, রোগ প্রতিরোধে টিকা প্রদান এবং লাভজনক খামার পরিচালনার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি খামারিদের বাস্তব সমস্যা সমাধান ও উৎপাদন বৃদ্ধির কৌশল নিয়েও পরামর্শ দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয় এবং বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। ডা. মো. ইসমাইল হোসেন বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। পরে সকল অংশগ্রহণকারীকে সনদপত্র প্রদান করা হয়। অংশগ্রহণকারী খামারিরা জানান, এ ধরনের প্রশিক্ষণ তাদের খামার ব্যবস্থাপনায় নতুন জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনে সহায়ক হবে, যা ভবিষ্যতে দুধ ও মাংস উৎপাদন বৃদ্ধি এবং আয় বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।