বন্ধে হিমশিম খাচ্ছে পুলিশ
চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চৌদ্দগ্রাম অংশে সিএনজিচালিত তিন চাকার যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান চালালেও পুলিশের চোখের সামনেই ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার বিরুদ্ধে কার্যত কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না হাইওয়ে পুলিশ। অভিযানে গেলে পুলিশ লাঞ্ছনার শিকার হচ্ছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চৌদ্দগ্রাম পৌরসভাসহ মহাসড়কের ছয়টি স্পটে হাইওয়ে পুলিশ সিএনজিচালিত অটোরিকশার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় অভিযান পরিচালনা করে। তাদেরকে আটক করে জরিমানা প্রদান করা হয়। অথচ হাইওয়ে পুলিশের সামনেই অবাধে চলাচল করছে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা। এ অটোরিকশাগুলো হঠাৎ করেই মহাসড়কের চৌদ্দগ্রাম বাজারের ওপরে লাইন পরিবর্তন করে। এতে করে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে রাস্তা পারাপার হতে যাওয়া সাধারণ মানুষ। বাজারে প্রতিনিয়ত যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। ঠিক কত হাজার ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চলাচল করছে, তার হিসাব নেই কারো কাছে। সরকারের উচ্চ পর্যায়ে ও হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞার কারণে মহাসড়কের ওপর তিন চাকার যানবাহন চলাচল অবৈধ হওয়ার কারণে হাইওয়ে পুলিশ প্রায় সময় অভিযান পরিচালনা করে। এতে করে হাতেগোনা দু-একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা আটক করে জরিমানা করা হলেও পুলিশের চোখের সামনেই ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাগুলো অবাধে চলাচল এবং লাইন পরিবর্তন করছে। পুলিশকে অনেকটা অসহায়ের মতো অটোরিকশা চালকদের দিকে চেয়ে থাকে। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছে সাধারণ মানুষ ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালকেরা। তাদের দাবি, আমরা অবৈধ এটা আমরা মেনে নিলাম। কিন্তু ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা তো মহাসড়কের জন্য সম্পূর্ণ অবৈধ। তাহলে পুলিশ কেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না।
আবদুল মান্নান নামে এক সিএনজি অটোরিকশা চালক বলেন, আমরা অবৈধ, এটা আমরাও জানি। কিন্তু জীবন জীবিকার তাগিদে বাড়তি রোজগারের জন্য মহাসড়কে সিএনজি অটোরিকশা চালাই। মাঝেমধ্যে হাইওয়ে পুলিশ ঝটিকা অভিযান চালিয়ে সিএনজি অটোরিকশা আটক করে এবং জরিমানা আদায় করছে। আমরা এটা মেনে নিলাম। কিন্তু মহাসড়কে সম্পূর্ণভাবে চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকা ব্যাটারি চালিত অটোরিকশার বিরুদ্ধে পুলিশ কেন ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না? তাদের চোখের সামনে অবাধে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল করলেও তারা না দেখার ভান করছে। এটা অনেকটা এক দেশে দুই আইনের মতো।
অপর সিএনজি অটোরিকশা চালক হুমায়ন কবির বলেন, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালকদের বিরুদ্ধে প্রশাসন কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। অথচ আমাদের বিরুদ্ধে তারা কঠোর হচ্ছে। আমাদের দাবি, প্রশাসন যেন দুইটি অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধেই কঠোর হয়। অন্যথায়, তারা যেন আমাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করে।
চৌদ্দগ্রাম বাজারে সিএনজিতে বসা মেজবাহ উদ্দিন নামে এক যাত্রী বলেন, এটা কেমন আইন হলো? হাইওয়ে পুলিশ সিএনজি চালিত সাঁড়াশি অভিযান চালাচ্ছে। তাদেরকে জরিমানা করছে। অথচ হাইওয়ে পুলিশের চোখের সামনেই ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাগুলো অবাধে চলাফেরা করছে। এ যাত্রী প্রশ্ন রেখে বলেন, সিএনজি অটোরিকশা তো মহাসড়কে যানজটের জন্য তেমন দায়ী না। ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাগুলো মহাসড়কে ছড়িয়ে ছিটিয়ে সড়ক দখল করে রাখে। হঠাৎ করে লাইন পরিবর্তন করে উল্টো দিকে চলাচল করে।
এ ব্যাপারে মিয়াবাজার হাইওয়ে থানার ইনচার্জ শাহাব উদ্দিন বলেন, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করার কারণে তাঁরা আমাদেরকে তিনবার লাঞ্ছিত করেছে। অটোকে সিগন্যাল দিলে তারা হাইওয়ে পুলিশকে আঘাত করে চলে যায়। আমরা যে কেন অটোরিকশার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারছি না, তা আপনাদেরকে বলে বুঝাতে পারছি না। অনুগ্রহ করে আমাদেরকে একটু সময় দেন, আমরা অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছি।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চৌদ্দগ্রাম অংশে সিএনজিচালিত তিন চাকার যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান চালালেও পুলিশের চোখের সামনেই ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার বিরুদ্ধে কার্যত কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না হাইওয়ে পুলিশ। অভিযানে গেলে পুলিশ লাঞ্ছনার শিকার হচ্ছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চৌদ্দগ্রাম পৌরসভাসহ মহাসড়কের ছয়টি স্পটে হাইওয়ে পুলিশ সিএনজিচালিত অটোরিকশার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় অভিযান পরিচালনা করে। তাদেরকে আটক করে জরিমানা প্রদান করা হয়। অথচ হাইওয়ে পুলিশের সামনেই অবাধে চলাচল করছে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা। এ অটোরিকশাগুলো হঠাৎ করেই মহাসড়কের চৌদ্দগ্রাম বাজারের ওপরে লাইন পরিবর্তন করে। এতে করে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে রাস্তা পারাপার হতে যাওয়া সাধারণ মানুষ। বাজারে প্রতিনিয়ত যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। ঠিক কত হাজার ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চলাচল করছে, তার হিসাব নেই কারো কাছে। সরকারের উচ্চ পর্যায়ে ও হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞার কারণে মহাসড়কের ওপর তিন চাকার যানবাহন চলাচল অবৈধ হওয়ার কারণে হাইওয়ে পুলিশ প্রায় সময় অভিযান পরিচালনা করে। এতে করে হাতেগোনা দু-একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা আটক করে জরিমানা করা হলেও পুলিশের চোখের সামনেই ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাগুলো অবাধে চলাচল এবং লাইন পরিবর্তন করছে। পুলিশকে অনেকটা অসহায়ের মতো অটোরিকশা চালকদের দিকে চেয়ে থাকে। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছে সাধারণ মানুষ ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালকেরা। তাদের দাবি, আমরা অবৈধ এটা আমরা মেনে নিলাম। কিন্তু ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা তো মহাসড়কের জন্য সম্পূর্ণ অবৈধ। তাহলে পুলিশ কেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না।
আবদুল মান্নান নামে এক সিএনজি অটোরিকশা চালক বলেন, আমরা অবৈধ, এটা আমরাও জানি। কিন্তু জীবন জীবিকার তাগিদে বাড়তি রোজগারের জন্য মহাসড়কে সিএনজি অটোরিকশা চালাই। মাঝেমধ্যে হাইওয়ে পুলিশ ঝটিকা অভিযান চালিয়ে সিএনজি অটোরিকশা আটক করে এবং জরিমানা আদায় করছে। আমরা এটা মেনে নিলাম। কিন্তু মহাসড়কে সম্পূর্ণভাবে চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকা ব্যাটারি চালিত অটোরিকশার বিরুদ্ধে পুলিশ কেন ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না? তাদের চোখের সামনে অবাধে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল করলেও তারা না দেখার ভান করছে। এটা অনেকটা এক দেশে দুই আইনের মতো।
অপর সিএনজি অটোরিকশা চালক হুমায়ন কবির বলেন, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালকদের বিরুদ্ধে প্রশাসন কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। অথচ আমাদের বিরুদ্ধে তারা কঠোর হচ্ছে। আমাদের দাবি, প্রশাসন যেন দুইটি অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধেই কঠোর হয়। অন্যথায়, তারা যেন আমাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করে।
চৌদ্দগ্রাম বাজারে সিএনজিতে বসা মেজবাহ উদ্দিন নামে এক যাত্রী বলেন, এটা কেমন আইন হলো? হাইওয়ে পুলিশ সিএনজি চালিত সাঁড়াশি অভিযান চালাচ্ছে। তাদেরকে জরিমানা করছে। অথচ হাইওয়ে পুলিশের চোখের সামনেই ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাগুলো অবাধে চলাফেরা করছে। এ যাত্রী প্রশ্ন রেখে বলেন, সিএনজি অটোরিকশা তো মহাসড়কে যানজটের জন্য তেমন দায়ী না। ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাগুলো মহাসড়কে ছড়িয়ে ছিটিয়ে সড়ক দখল করে রাখে। হঠাৎ করে লাইন পরিবর্তন করে উল্টো দিকে চলাচল করে।
এ ব্যাপারে মিয়াবাজার হাইওয়ে থানার ইনচার্জ শাহাব উদ্দিন বলেন, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করার কারণে তাঁরা আমাদেরকে তিনবার লাঞ্ছিত করেছে। অটোকে সিগন্যাল দিলে তারা হাইওয়ে পুলিশকে আঘাত করে চলে যায়। আমরা যে কেন অটোরিকশার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারছি না, তা আপনাদেরকে বলে বুঝাতে পারছি না। অনুগ্রহ করে আমাদেরকে একটু সময় দেন, আমরা অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছি।