চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি

চৌদ্দগ্রামে বাসচাপায় আবদুস ছাত্তার (৫০) নামে এক নাইটগার্ড নিহত হয়েছে। তিনি চৌদ্দগ্রাম পৌরসভাধীন পূর্ব ধনমুড়ি গ্রামের আবদুস ছালামের ছেলে। গতকাল বুধবার রাত ৮টা ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের চন্ডিপুর রাস্তার মাথা সংলগ্ন এলাকায় ঢাকা-ফেণীগামী অজ্ঞাত একটি বাসের চাঁপায় তার মৃত্যু হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত আবদুস সাত্তার নানকরা জিল ওয়্যারস ফ্যাক্টরীর নাইটগার্ড। প্রতিদিনের ন্যায় বুধবার সন্ধ্যার পরপর সাইকেলযোগে বাড়ি থেকে বের হয়। এসময় মহাসড়কের চন্ডিপুর রাস্তার মাথা এলাকায় ফেণীগামী একটি যাত্রীবাহী বাস পিছন থেকে থাক্কা দিয়ে বাসটি চলে যায়।
পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাকে চৌদ্দগ্রাম সরকারী হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আবদুস সাত্তারকে মৃত ঘোষণা করেন।
চৌদ্দগ্রাম সরকারী হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক আবুল হাশেম জানান, বাসটি পিছন থেকে ধাক্কা দেয়ায় সম্ভবত ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। হাসপাতালে আনা হলে প্রয়োজনীয় পরিক্ষা থেকে তার মৃত্যু নিশ্চিত করি।
মিয়াবাজার হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুল আমিন জানান, অজ্ঞাত বাসচাপায় নিহতের খবর পেয়ে আমরা লাশটি উদ্ধার করি। পরে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শেষে লাশটি পরিবারের নিকট হস্তান্তর করি।

চৌদ্দগ্রামে বাসচাপায় আবদুস ছাত্তার (৫০) নামে এক নাইটগার্ড নিহত হয়েছে। তিনি চৌদ্দগ্রাম পৌরসভাধীন পূর্ব ধনমুড়ি গ্রামের আবদুস ছালামের ছেলে। গতকাল বুধবার রাত ৮টা ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের চন্ডিপুর রাস্তার মাথা সংলগ্ন এলাকায় ঢাকা-ফেণীগামী অজ্ঞাত একটি বাসের চাঁপায় তার মৃত্যু হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত আবদুস সাত্তার নানকরা জিল ওয়্যারস ফ্যাক্টরীর নাইটগার্ড। প্রতিদিনের ন্যায় বুধবার সন্ধ্যার পরপর সাইকেলযোগে বাড়ি থেকে বের হয়। এসময় মহাসড়কের চন্ডিপুর রাস্তার মাথা এলাকায় ফেণীগামী একটি যাত্রীবাহী বাস পিছন থেকে থাক্কা দিয়ে বাসটি চলে যায়।
পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাকে চৌদ্দগ্রাম সরকারী হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আবদুস সাত্তারকে মৃত ঘোষণা করেন।
চৌদ্দগ্রাম সরকারী হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক আবুল হাশেম জানান, বাসটি পিছন থেকে ধাক্কা দেয়ায় সম্ভবত ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। হাসপাতালে আনা হলে প্রয়োজনীয় পরিক্ষা থেকে তার মৃত্যু নিশ্চিত করি।
মিয়াবাজার হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুল আমিন জানান, অজ্ঞাত বাসচাপায় নিহতের খবর পেয়ে আমরা লাশটি উদ্ধার করি। পরে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শেষে লাশটি পরিবারের নিকট হস্তান্তর করি।