দাউদকান্দি প্রতিনিধি

কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার স্বল্প পেন্নাই এলাকা থেকে চুরি হওয়া একটি মোটরসাইকেল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে এই ঘটনায় জড়িত আন্তজেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের মূল হোতা গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ সোমবার দাউদকান্দির গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
পুলিশ জানায়, গত ৯ জুন সন্ধ্যা ছয়টার দিকে দাউদকান্দি থানাধীন স্বল্প পেন্নাই এলাকার একটি গ্যারেজে হেলমেট পরিহিত এক অজ্ঞাত ব্যক্তি প্রবেশ করে। পরে সেখান থেকে একটি সুজুকি এসএফ মডেলের মোটরসাইকেল চুরি করে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।
মামলা দায়েরের পর গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রথমে কুমিল্লার তিতাস থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে চোর চক্রের মূল হোতা মো. সাইফুল ইসলামকে (২০) গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি তিতাস থানাধীন বাতাকান্দি এলাকার মো. ইসমাইলের ছেলে।
পরে গ্রেপ্তারকৃত আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর ও কসবা থানা এলাকায় ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করে। একপর্যায়ে কসবা থানাধীন শিমরাইল কমিউনিটি ক্লিনিক সংলগ্ন এলাকা থেকে চুরিকৃত মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়।
গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি একটি আন্তজেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের সঙ্গে জড়িত এবং মূল হোতা হিসেবে কাজ করছিলেন। তার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক চুরির মামলা রয়েছে। চক্রটির অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার স্বল্প পেন্নাই এলাকা থেকে চুরি হওয়া একটি মোটরসাইকেল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে এই ঘটনায় জড়িত আন্তজেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের মূল হোতা গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ সোমবার দাউদকান্দির গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
পুলিশ জানায়, গত ৯ জুন সন্ধ্যা ছয়টার দিকে দাউদকান্দি থানাধীন স্বল্প পেন্নাই এলাকার একটি গ্যারেজে হেলমেট পরিহিত এক অজ্ঞাত ব্যক্তি প্রবেশ করে। পরে সেখান থেকে একটি সুজুকি এসএফ মডেলের মোটরসাইকেল চুরি করে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।
মামলা দায়েরের পর গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রথমে কুমিল্লার তিতাস থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে চোর চক্রের মূল হোতা মো. সাইফুল ইসলামকে (২০) গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি তিতাস থানাধীন বাতাকান্দি এলাকার মো. ইসমাইলের ছেলে।
পরে গ্রেপ্তারকৃত আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর ও কসবা থানা এলাকায় ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করে। একপর্যায়ে কসবা থানাধীন শিমরাইল কমিউনিটি ক্লিনিক সংলগ্ন এলাকা থেকে চুরিকৃত মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়।
গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি একটি আন্তজেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের সঙ্গে জড়িত এবং মূল হোতা হিসেবে কাজ করছিলেন। তার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক চুরির মামলা রয়েছে। চক্রটির অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।