নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা-২( হোমনা ও তিতাস) আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটির কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ মো সেলিম ভূঁইয়া।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলের আরও ৩৬ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন। এর মধ্যে সেলিম ভূঁইয়ার নাম রয়েছে।
এর আগে গত ৩ নভেম্বর বিএনপি ২৩৭ টি আসনে দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে।
এ নিয়ে কুমিল্লার ১১ টি আসনের মধ্যে ১০ টি আসনে বিএনপির প্রার্থী ঘোষণা করা হলো।
এখন বাকি শুধু কুমিল্লা-৭( চান্দিনা) আসন। এই আসনে বিএনপির আন্দোলন সংগ্রামের সহযোদ্ধা লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির( এলডিপির) মহাসচিব রেদোয়ান আহমেদ জোটের শরিক হিসেবে মনোনয়ন পাবেন বলে আলোচনায় আছে। ওই কারণে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী ঘোষণা করেনি।
অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পাওয়ার পর তিনি কুমিল্লা, চাঁদপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাংগঠনিক রাজনীতিতে সক্রিয় হন। তিনি বিলুপ্ত কুমিল্লা-২ ( হোমনা ও মেঘনা) আসনে গণসংযোগ করেছিলেন। তাঁর গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায়। কিন্তু নির্বাচন কমিশন নতুন করে সীমানা পুনর্বিন্যাস করায় মেঘনা উপজেলাকে কুমিল্লা-১ আসনের দাউদকান্দির সঙ্গে যুক্ত করা হয়। কুমিল্লা-১ ( দাউদকান্দি ও মেঘনা) আসনে বিএনপির প্রার্থী দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক মন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। মোশাররফকে কুমিল্লা-১ আসনে দলীয় মনোনয়ন দেওয়ায়, দল কেন্দ্রীয় নেতা সেলিম ভূঁইয়াকে কুমিল্লা-২ আসনে মনোনয়ন দিল। অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া নির্বাচন উপলক্ষে হোমনা উপজেলায় জায়গা কিনে বাড়ি করেন।
জানতে চাইলে কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মো. তৌহিদুল ইসলাম বাবু বলেন, ‘ স্যার ( অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া) কুমিল্লা-২ আসনে দলীয় মনোনয়ন পাবেন, এটা নিশ্চিত ছিলাম। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্যারের প্রতি আস্থাশীল ছিলেন। স্যার সাংগঠনিক তৎপরতা ও শিক্ষক সমাজের নেতা হিসেবে তিনি এগিয়ে ছিলেন। আমরা স্যারের মনোনয়নে খুশি। আমরা এখন খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া চাই।’
অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া বলেন,‘ সব ভেদাভেদ ভুলে দলের সব নেতাকর্মীকে এই সময়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহবান জানাচ্ছি। আমি দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও মহাসচিবের কাছে গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যদের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। পাশাপাশি বেগম খালেদা জিয়ার জন্য সবার কাছে দোয়া চাই। ’
উল্লেখ কুমিল্লা-২ আসনে পাঁচবার বিএনপির প্রার্থী ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য এম কে আনোয়ার। তিনি পাঁচবার নির্বাচন করে পাঁচবারই জয়ী হন। এম কে আনোয়ারের মৃত্যুর পর এই আসনে ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর বিএনপির প্রার্থী ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। ওই নির্বাচনে মোশাররফ কুমিল্লা- ১ ও ২ আসনে প্রার্থী হন। দুইটি নির্বাচনে তিনি পরাজিত হন। এবার নতুন প্রার্থী অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া। এই আসনে বিএনপি সবসময়ই কেন্দ্রীয় নেতাদের প্রার্থী করে।

কুমিল্লা-২( হোমনা ও তিতাস) আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটির কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ মো সেলিম ভূঁইয়া।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলের আরও ৩৬ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন। এর মধ্যে সেলিম ভূঁইয়ার নাম রয়েছে।
এর আগে গত ৩ নভেম্বর বিএনপি ২৩৭ টি আসনে দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে।
এ নিয়ে কুমিল্লার ১১ টি আসনের মধ্যে ১০ টি আসনে বিএনপির প্রার্থী ঘোষণা করা হলো।
এখন বাকি শুধু কুমিল্লা-৭( চান্দিনা) আসন। এই আসনে বিএনপির আন্দোলন সংগ্রামের সহযোদ্ধা লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির( এলডিপির) মহাসচিব রেদোয়ান আহমেদ জোটের শরিক হিসেবে মনোনয়ন পাবেন বলে আলোচনায় আছে। ওই কারণে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী ঘোষণা করেনি।
অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পাওয়ার পর তিনি কুমিল্লা, চাঁদপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাংগঠনিক রাজনীতিতে সক্রিয় হন। তিনি বিলুপ্ত কুমিল্লা-২ ( হোমনা ও মেঘনা) আসনে গণসংযোগ করেছিলেন। তাঁর গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায়। কিন্তু নির্বাচন কমিশন নতুন করে সীমানা পুনর্বিন্যাস করায় মেঘনা উপজেলাকে কুমিল্লা-১ আসনের দাউদকান্দির সঙ্গে যুক্ত করা হয়। কুমিল্লা-১ ( দাউদকান্দি ও মেঘনা) আসনে বিএনপির প্রার্থী দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক মন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। মোশাররফকে কুমিল্লা-১ আসনে দলীয় মনোনয়ন দেওয়ায়, দল কেন্দ্রীয় নেতা সেলিম ভূঁইয়াকে কুমিল্লা-২ আসনে মনোনয়ন দিল। অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া নির্বাচন উপলক্ষে হোমনা উপজেলায় জায়গা কিনে বাড়ি করেন।
জানতে চাইলে কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মো. তৌহিদুল ইসলাম বাবু বলেন, ‘ স্যার ( অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া) কুমিল্লা-২ আসনে দলীয় মনোনয়ন পাবেন, এটা নিশ্চিত ছিলাম। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্যারের প্রতি আস্থাশীল ছিলেন। স্যার সাংগঠনিক তৎপরতা ও শিক্ষক সমাজের নেতা হিসেবে তিনি এগিয়ে ছিলেন। আমরা স্যারের মনোনয়নে খুশি। আমরা এখন খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া চাই।’
অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া বলেন,‘ সব ভেদাভেদ ভুলে দলের সব নেতাকর্মীকে এই সময়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহবান জানাচ্ছি। আমি দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও মহাসচিবের কাছে গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যদের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। পাশাপাশি বেগম খালেদা জিয়ার জন্য সবার কাছে দোয়া চাই। ’
উল্লেখ কুমিল্লা-২ আসনে পাঁচবার বিএনপির প্রার্থী ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য এম কে আনোয়ার। তিনি পাঁচবার নির্বাচন করে পাঁচবারই জয়ী হন। এম কে আনোয়ারের মৃত্যুর পর এই আসনে ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর বিএনপির প্রার্থী ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। ওই নির্বাচনে মোশাররফ কুমিল্লা- ১ ও ২ আসনে প্রার্থী হন। দুইটি নির্বাচনে তিনি পরাজিত হন। এবার নতুন প্রার্থী অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া। এই আসনে বিএনপি সবসময়ই কেন্দ্রীয় নেতাদের প্রার্থী করে।