বুড়িচং প্রতিনিধি

বুড়িচং উপজেলা সদরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৬টি বসতঘর ও ২টি গোডাউন ভস্মীভূত হয়েছে। এতে প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। গতকাল রোববার রাত প্রায় ১১টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
সরেজমিনে জানা যায়, উপজেলা সদর বাজারের প্রবেশমুখে অবস্থিত অলোক দাসের বাড়ির পেছনের একটি রান্নাঘরে প্রথমে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। স্থানীয়রা আগুন দেখতে পেয়ে তা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও অল্প সময়ের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা ব্যাপক আকার ধারণ করে এবং পাশের ঘরগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে।
এ সময় পাশেই অবস্থিত সাহা ফার্নিচার নামে একটি দোকানের দুটি গোডাউনে থাকা আসবাবপত্রেও আগুন ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে বুড়িচং ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। প্রায় এক ঘণ্টা চেষ্টার পর রাত ১২টার দিকে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসে।
তবে এর মধ্যেই অলোক দাস, সঞ্জিতা সাহা, উৎপল সাহা এবং ভাড়াটিয়া সোহাগ ও রাহিম, ইসলামেরসহ মোট ৬টি বসতঘর আগুনে পুড়ে যায়। এতে ঘরে থাকা আসবাবপত্র, বিভিন্ন মালামাল, নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা জানান, আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নির্ধারণে তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানভীর হোসেন বলেন, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। আগুনে কয়েকটি বসতঘর ও মালামালের গোডাউন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বুড়িচং উপজেলা সদরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৬টি বসতঘর ও ২টি গোডাউন ভস্মীভূত হয়েছে। এতে প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। গতকাল রোববার রাত প্রায় ১১টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
সরেজমিনে জানা যায়, উপজেলা সদর বাজারের প্রবেশমুখে অবস্থিত অলোক দাসের বাড়ির পেছনের একটি রান্নাঘরে প্রথমে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। স্থানীয়রা আগুন দেখতে পেয়ে তা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও অল্প সময়ের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা ব্যাপক আকার ধারণ করে এবং পাশের ঘরগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে।
এ সময় পাশেই অবস্থিত সাহা ফার্নিচার নামে একটি দোকানের দুটি গোডাউনে থাকা আসবাবপত্রেও আগুন ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে বুড়িচং ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। প্রায় এক ঘণ্টা চেষ্টার পর রাত ১২টার দিকে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসে।
তবে এর মধ্যেই অলোক দাস, সঞ্জিতা সাহা, উৎপল সাহা এবং ভাড়াটিয়া সোহাগ ও রাহিম, ইসলামেরসহ মোট ৬টি বসতঘর আগুনে পুড়ে যায়। এতে ঘরে থাকা আসবাবপত্র, বিভিন্ন মালামাল, নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা জানান, আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নির্ধারণে তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানভীর হোসেন বলেন, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। আগুনে কয়েকটি বসতঘর ও মালামালের গোডাউন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার উদ্যোগ নেওয়া হবে।