নাঙ্গলকোটের মক্রবপুর
নিজস্ব প্রতিবেদক

যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান শেষে নাঙ্গলকোটের মক্রবপুরে কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট ও লালমাই) আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার অনুসারীদের হামলায় পাঁচ ব্যক্তি আহত হয়েছেন। এ সময় বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল গফুর ভূঁইয়ার অনুসারী ওমর ফারুকের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের শাটার কোপানো হয়। একই সঙ্গে ভাঙচুর করা হয়। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় মক্রবপুর বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনার জন্য বর্তমান সংসদ সদস্যের অনুসারীদের দায়ী করেছেন স্থানীয় যুবদল নেতারা। হামলাকারীরা নাঙ্গলকোট থেকে ৫০-৬০টি মোটরসাইকেলে এসে মক্রবপুর বাজারে মহড়া দেয়। এ সময় বাজারে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তখন পুলিশকে নিরব দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল মঙ্গলবার ২৭ অক্টোবর ছিল যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এ উপলক্ষে মক্রবপুর ইউনিয়নের যুবদলের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান হয়। বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল গফুর ভূঁইয়ার অনুসারীরা মক্রবপুর বাজার বিএনপি দলীয় কার্যালয়ে কেক কাটা, মিলাদ মাহফিল ও আনন্দ মিছিল করে। বিকেল চারটা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত এ কর্মসূচি হয়। কর্মসূচি শেষে মক্রবপুর ইউনিয়ন যুবদলের বর্তমান আহ্বায়ক ও ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী আলমগীর হোসেন মোল্লা ও ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সাইফুল মালেক সিপনের অনুসারীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়। খবর পেয়ে নাঙ্গলকোট থেকে বর্তমান সংসদ সদস্যের অনুসারী যুবদলের বহিষ্কৃত নেতা আবদুল মমিন ও নূর আহমেদের নেতৃত্বে ৫০-৬০টি মোটরসাইকেল করে মক্রবপুর বাজারে আসে। এরপর তারা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এক পর্যায়ে সাইফুল মালেক সিপনের চাচাতো ভাই যুবদল নেতা ওমর ফারুকের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের শাটার দা দিয়ে কোপানো হয়। এ সময় বাধা দিতে গেলে যুবদলের পাঁচ কর্মীকে কুপিয়ে জখম করা হয়। পরে তাঁদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।

মক্রবপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মাজহারুল ইসলাম সফু বলেন, সন্ধ্যায় মক্রবপুর বাজারে যুবদলের অনুষ্ঠান শেষ করে আমি দায়েমছাতি গ্রামে দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নিই। খবর পেয়ে বাজারে এসে দুই পক্ষকে দুই দিকে পুলিশের উপস্থিতিতে সরিয়ে দিই। এরপরেও নাঙ্গলকোট থেকে অস্ত্রসহ হামলাকারীরা এসে বাজারে অরাজকতা সৃষ্টি করে।

ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক আলমগীর হোসেন মোল্লা বলেন, উল্টো আমাদের উপর ওরা হামলা করে।

নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনূর ইসলাম বলেন, যুবদলের দুই পক্ষের মধ্যে ঝামেলা হয়েছে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে।

যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান শেষে নাঙ্গলকোটের মক্রবপুরে কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট ও লালমাই) আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার অনুসারীদের হামলায় পাঁচ ব্যক্তি আহত হয়েছেন। এ সময় বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল গফুর ভূঁইয়ার অনুসারী ওমর ফারুকের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের শাটার কোপানো হয়। একই সঙ্গে ভাঙচুর করা হয়। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় মক্রবপুর বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনার জন্য বর্তমান সংসদ সদস্যের অনুসারীদের দায়ী করেছেন স্থানীয় যুবদল নেতারা। হামলাকারীরা নাঙ্গলকোট থেকে ৫০-৬০টি মোটরসাইকেলে এসে মক্রবপুর বাজারে মহড়া দেয়। এ সময় বাজারে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তখন পুলিশকে নিরব দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল মঙ্গলবার ২৭ অক্টোবর ছিল যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এ উপলক্ষে মক্রবপুর ইউনিয়নের যুবদলের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান হয়। বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল গফুর ভূঁইয়ার অনুসারীরা মক্রবপুর বাজার বিএনপি দলীয় কার্যালয়ে কেক কাটা, মিলাদ মাহফিল ও আনন্দ মিছিল করে। বিকেল চারটা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত এ কর্মসূচি হয়। কর্মসূচি শেষে মক্রবপুর ইউনিয়ন যুবদলের বর্তমান আহ্বায়ক ও ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী আলমগীর হোসেন মোল্লা ও ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সাইফুল মালেক সিপনের অনুসারীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়। খবর পেয়ে নাঙ্গলকোট থেকে বর্তমান সংসদ সদস্যের অনুসারী যুবদলের বহিষ্কৃত নেতা আবদুল মমিন ও নূর আহমেদের নেতৃত্বে ৫০-৬০টি মোটরসাইকেল করে মক্রবপুর বাজারে আসে। এরপর তারা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এক পর্যায়ে সাইফুল মালেক সিপনের চাচাতো ভাই যুবদল নেতা ওমর ফারুকের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের শাটার দা দিয়ে কোপানো হয়। এ সময় বাধা দিতে গেলে যুবদলের পাঁচ কর্মীকে কুপিয়ে জখম করা হয়। পরে তাঁদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।

মক্রবপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মাজহারুল ইসলাম সফু বলেন, সন্ধ্যায় মক্রবপুর বাজারে যুবদলের অনুষ্ঠান শেষ করে আমি দায়েমছাতি গ্রামে দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নিই। খবর পেয়ে বাজারে এসে দুই পক্ষকে দুই দিকে পুলিশের উপস্থিতিতে সরিয়ে দিই। এরপরেও নাঙ্গলকোট থেকে অস্ত্রসহ হামলাকারীরা এসে বাজারে অরাজকতা সৃষ্টি করে।

ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক আলমগীর হোসেন মোল্লা বলেন, উল্টো আমাদের উপর ওরা হামলা করে।

নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনূর ইসলাম বলেন, যুবদলের দুই পক্ষের মধ্যে ঝামেলা হয়েছে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে।