• কুমিল্লা সিটি করপোরেশন
  • কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
  • আদর্শ সদর
  • বরুড়া
  • লাকসাম
  • দাউদকান্দি
  • আরও
    • চৌদ্দগ্রাম
    • সদর দক্ষিণ
    • নাঙ্গলকোট
    • বুড়িচং
    • ব্রাহ্মণপাড়া
    • মনোহরগঞ্জ
    • লালমাই
    • চান্দিনা
    • মুরাদনগর
    • দেবীদ্বার
    • হোমনা
    • মেঘনা
    • তিতাস
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • বাংলাদেশ
  • অপরাধ
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • মতামত
  • খেলা
  • বিনোদন
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • ইপেপার
  • ইপেপার
facebooktwittertiktokpinterestyoutubelinkedininstagramgoogle
স্বত্ব: ©️ আমার শহর

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. গাজীউল হক ভূঁইয়া ( সোহাগ)।

নাহার প্লাজা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা-৩৫০০

ই-মেইল: [email protected]

ফোন: 01716197760

> কুমিল্লা জেলা
> নাঙ্গলকোট

তরমুজ চাষে সফল নাঙ্গলকোটের নজরুল

পাভেল রহমান, নাঙ্গলকোট
প্রকাশ : ০৫ জানুয়ারি ২০২৬, ১২: ১৯
logo

তরমুজ চাষে সফল নাঙ্গলকোটের নজরুল

পাভেল রহমান, নাঙ্গলকোট

প্রকাশ : ০৫ জানুয়ারি ২০২৬, ১২: ১৯
Photo

তরমুজ গাছের মাচার নেটে থোকা-থোকা তরমুজ ঝুলছে। ক্ষেতময় তরমুজের যেন মেলা বসেছে। পাইকার এবং খুচরা ক্রেতারদের কাছে ক্ষেত থেকে তরমুজ তুলে বিক্রয় করা হচ্ছে। কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের পেড়িয়া ইউনিয়নের তরুণ উদ্যোক্তা ও পরিশ্রমী যুবক নজরুল ইসলামের তরমুজ ক্ষেতে গিয়ে সর্বত্র গাছে-গাছে নেটে তরমুজ ঝুলতে দেখা যায়।

নজরুল তাঁর তরমুজ ক্ষেত থেকে সাড়ে ৩ লাখ টাকা থেকে ৪ লাখ টাকার তরমুজ বিক্রির আশা করছেন। ক্ষেত থেকে তরমুজ তুলে পিকআপভ্যানে করে ঢাকা, চট্রগ্রাম, ফেনী ও নোয়াখালীতে পাইকারদের নিকট প্রেরণ করছেন। আবার এলাকার অনেকে তরমুজ ক্ষেতে এসে পরিবারের জন্য তরমুজ ক্রয় করে নিয়ে যাচ্ছেন।

নজরুল জানান, গত চারবছর থেকে করলা, লাউ, শসা, ঝিঙা, টমেটো, বেগুন থেকে শুরু করে বিভিন্ন শাকসবজির আবাদ করে আসছেন। সবজি চাষে সফলতার পর গত এক বছর থেকে তরমুজের চাষাবাদ শুরু করে সফলতার মুখ দেখছেন। বর্তমানে লাগানো তরমুজ হারভেষ্ট করে বিক্রি করছেন। বগুড়া থেকে স্মাট বয় কালো জাতের তরমুজের বীজ এনে চারা উৎপাদন করে ৪০শতক জমিতে ১৫শ তরমুজের চারা রোপন করেন। মালচিং পদ্ধতিতে তিনি তরমুজের চারা রোপণ করেন। ৭০/৮০ দিনের মধ্যে স্মাট বয় জাতের কালো তরমুজ আসে। প্রতিটি গাছে ১টি অথবা ২টি করে তরমুজ ধরেছে। আবার অনেক গাছে ৩টি পর্যন্ত তরমুজ ধরেছে। তবে সেক্ষেত্রে তরমুজের সাইজ ছোট আকৃতির হয়েছে। প্রথমদিকে প্রতিটি তরমুজ ৫কেজি পর্যন্ত হয়েছে। বর্তমানে তার ক্ষেতে অধিকাংশ তরমুজ তিন কেজি থেকে সাড়ে তিনকেজি পর্যন্ত রয়েছে। তবে শেষ দিকে এসে অনেক তরমুজ ছোট আকারের হয়েছে। নজরুল ক্ষেত থেকে তরমুজ তুলে ঢাকা, চট্রগ্রাম, ফেনী, নোয়াখালীতে পিকআপ ভ্যানে করে পাইকারদের কাছে প্রেরণ করছেন। স্মার্ট বয় তরজুম চাষে তার প্রায় দেড় লাখ টাকা খরচ হয়ে বলে নজরুল জানান। খরচ বাদ দিয়ে নজরুল প্রায় ২লাখ টাকা আয়ের স্বপ্ন দেখছেন।

জানা যায়, নজরুল বগুড়া থেকে এগ্রো-১ কোম্পানীর তরমুজের বীজ সংগ্রহ করেন। ৪০ শতক জমিতে আইল করে মালচিং পেপারে তরমুজের চারা রোপণ করেন। তরমুজ ক্ষেতে পানি সরানোর জন্য চতুর্দিকে ড্রেনেজ ব্যবস্থা রেখেছেন। রাসায়নিক জৈব সারের পাশাপাশি এগ্রো-১ কোম্পানীর সার, কীটনাশক, ছত্রাকনাশক, অনুখাদ্য ও হরমোন ব্যবহার করেন। তরমুজ গাছ বড় হওয়ার সাথে-সাথে প্লাষ্টিক এবং সূতা দিয়ে মাচায় তরমুজ গাছ উপরে উঠিয়ে দিয়েছেন । ফল বড় হওয়া শুরু হলে নেট দিয়ে দেওয়া হয়। পরে নেটের মধ্যে তরমুজ বড় হতে থাকে। নজরুল জানান, তার বন্ধুরা তার তরমুজ ক্ষেতের ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকে দেওয়াতে দেশের বিভিন্নস্থানে তা ছড়িয়ে পড়ে। যার ফলে, ঢাকা, চট্রগ্রাম, ফেনী, নোয়াখালীসহ দেশের বিভিন্নস্থান থেকে পাইকারেরা তার সাথে যোগাযোগ করে তরমুজ ক্রয় করে নিয়ে যাচ্ছেন।

নজরুল জানান, পোকমাকড় দমনে বিভিন্ন কীটনাশক কোম্পানীর বিক্রিয় প্রতিনিধিদের সহযোগিতা নিয়েছেন। তিনি রোগবালাই দমন ও ফলন বৃদ্ধির জন্য এগ্রো-১ কোম্পানীর ছত্রাকনাশক পাইরোক্লোষ্ট্রোবিন ও ডাইমেথোমর্ক ব্যবহার করছেন। যাতে বিভিন্ন অনুখাদ্য ও সার রয়েছে। যা তরমুজ গাছের ফলন বৃদ্ধি এবং ছত্রাক ও পোকামাকড় দমনে সাহায্য করে।এছাড়া স্থানীয়ভাবে দায়িত্বরত উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তাও নিয়মিত খোঁজ-খবর নিয়ে তাকে সহায়তা করছেন। নজরুল ৪০শতক জমির পাশাপাশি আরো ৬০শতক জমিতে পাকিজা জাতের তরমুজের চারা রোপণ করেছেন। চারাগুলো আস্তে-আস্তে বড় হচ্ছে। পাকিজা জাতের তরমুজ আসতে প্রায় ৩মাস সময় লেগে যাবে। তরমুজ চাষে সফলতা দেখে নজরুল আরো ১৮০শতক জমিতে তরমুজ চাষের জন্য জমি তৈরি করছেন।

নজরুল আরও বলেন, প্রথমে তার বাবাকে দিয়ে মাছ ছাষ শুরু করেন। দুই লাখ টাকা ঋণ নিয়ে মাছ চাষে বিনিয়োগ করেন। কিন্তু তার বাবা মাছ চাষে বিনিয়োগকৃত সম্পূর্ণ টাকা লস দিয়ে ব্যবসা গুটিয়ে বিদেশ চলে যান। পরবর্তীতে গত চার বছর পূর্বে এনজিও থেকে আবার ৫০হাজার টাকা ঋণের কিস্তি নিয়ে সবজির আবাদ শুরু করেন। এক পর্যায়ে লাউ, ঝিঙ্গা, করলা, টমোটে, বেগুনসহ বিভিন্ন সবজির চাষাবাদে ব্যবসা বাড়াতে গিয়ে আরো ১০লাখ টাকা ঋণ নেন। বর্তমান তার ব্যবসায় পুঁজি রয়েছে প্রায় ১৮ লাখ টাকা। নজরুল সবজি এবং তরমুজ আবাদের পাশাপাশি বাণিজ্যিক ভিত্তিতে কবুতর এবং ছাগল পালন করছেন। নজরুলের নিজস্ব কোন জমি নেই। জমির মালিকদের থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকাতে জমি বন্ধক অথবা এক বছরের জন্য খাজনা দিয়ে জমি নিয়ে তরমুজ চাষাবাদসহ অন্যান্য সবজির আবাদ করছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ উজ্জ্বল হোসেন বলেন, আমরা নজরুললকে তরমুজ চাষে মালিচিং পেপার, বীজ, সেক্স ফেরোমন ফাঁদ এবং হলুদ ফাঁদ প্রদানসহ সব ধরণের সহযোগিতা করে আসছি। বর্তমানে এ আর মালিক সিডের তরমুজের বীজও প্রদান করেছি। যা সে নতুনভাবে চারা রোপণ করেছে। তার যখন যে সমস্যা হচ্ছে, আমাদেরকে জানালে তাৎক্ষনিক তাকে সবধরণের সহযোগিতা করা হচ্ছে।

Thumbnail image

তরমুজ গাছের মাচার নেটে থোকা-থোকা তরমুজ ঝুলছে। ক্ষেতময় তরমুজের যেন মেলা বসেছে। পাইকার এবং খুচরা ক্রেতারদের কাছে ক্ষেত থেকে তরমুজ তুলে বিক্রয় করা হচ্ছে। কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের পেড়িয়া ইউনিয়নের তরুণ উদ্যোক্তা ও পরিশ্রমী যুবক নজরুল ইসলামের তরমুজ ক্ষেতে গিয়ে সর্বত্র গাছে-গাছে নেটে তরমুজ ঝুলতে দেখা যায়।

নজরুল তাঁর তরমুজ ক্ষেত থেকে সাড়ে ৩ লাখ টাকা থেকে ৪ লাখ টাকার তরমুজ বিক্রির আশা করছেন। ক্ষেত থেকে তরমুজ তুলে পিকআপভ্যানে করে ঢাকা, চট্রগ্রাম, ফেনী ও নোয়াখালীতে পাইকারদের নিকট প্রেরণ করছেন। আবার এলাকার অনেকে তরমুজ ক্ষেতে এসে পরিবারের জন্য তরমুজ ক্রয় করে নিয়ে যাচ্ছেন।

নজরুল জানান, গত চারবছর থেকে করলা, লাউ, শসা, ঝিঙা, টমেটো, বেগুন থেকে শুরু করে বিভিন্ন শাকসবজির আবাদ করে আসছেন। সবজি চাষে সফলতার পর গত এক বছর থেকে তরমুজের চাষাবাদ শুরু করে সফলতার মুখ দেখছেন। বর্তমানে লাগানো তরমুজ হারভেষ্ট করে বিক্রি করছেন। বগুড়া থেকে স্মাট বয় কালো জাতের তরমুজের বীজ এনে চারা উৎপাদন করে ৪০শতক জমিতে ১৫শ তরমুজের চারা রোপন করেন। মালচিং পদ্ধতিতে তিনি তরমুজের চারা রোপণ করেন। ৭০/৮০ দিনের মধ্যে স্মাট বয় জাতের কালো তরমুজ আসে। প্রতিটি গাছে ১টি অথবা ২টি করে তরমুজ ধরেছে। আবার অনেক গাছে ৩টি পর্যন্ত তরমুজ ধরেছে। তবে সেক্ষেত্রে তরমুজের সাইজ ছোট আকৃতির হয়েছে। প্রথমদিকে প্রতিটি তরমুজ ৫কেজি পর্যন্ত হয়েছে। বর্তমানে তার ক্ষেতে অধিকাংশ তরমুজ তিন কেজি থেকে সাড়ে তিনকেজি পর্যন্ত রয়েছে। তবে শেষ দিকে এসে অনেক তরমুজ ছোট আকারের হয়েছে। নজরুল ক্ষেত থেকে তরমুজ তুলে ঢাকা, চট্রগ্রাম, ফেনী, নোয়াখালীতে পিকআপ ভ্যানে করে পাইকারদের কাছে প্রেরণ করছেন। স্মার্ট বয় তরজুম চাষে তার প্রায় দেড় লাখ টাকা খরচ হয়ে বলে নজরুল জানান। খরচ বাদ দিয়ে নজরুল প্রায় ২লাখ টাকা আয়ের স্বপ্ন দেখছেন।

জানা যায়, নজরুল বগুড়া থেকে এগ্রো-১ কোম্পানীর তরমুজের বীজ সংগ্রহ করেন। ৪০ শতক জমিতে আইল করে মালচিং পেপারে তরমুজের চারা রোপণ করেন। তরমুজ ক্ষেতে পানি সরানোর জন্য চতুর্দিকে ড্রেনেজ ব্যবস্থা রেখেছেন। রাসায়নিক জৈব সারের পাশাপাশি এগ্রো-১ কোম্পানীর সার, কীটনাশক, ছত্রাকনাশক, অনুখাদ্য ও হরমোন ব্যবহার করেন। তরমুজ গাছ বড় হওয়ার সাথে-সাথে প্লাষ্টিক এবং সূতা দিয়ে মাচায় তরমুজ গাছ উপরে উঠিয়ে দিয়েছেন । ফল বড় হওয়া শুরু হলে নেট দিয়ে দেওয়া হয়। পরে নেটের মধ্যে তরমুজ বড় হতে থাকে। নজরুল জানান, তার বন্ধুরা তার তরমুজ ক্ষেতের ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকে দেওয়াতে দেশের বিভিন্নস্থানে তা ছড়িয়ে পড়ে। যার ফলে, ঢাকা, চট্রগ্রাম, ফেনী, নোয়াখালীসহ দেশের বিভিন্নস্থান থেকে পাইকারেরা তার সাথে যোগাযোগ করে তরমুজ ক্রয় করে নিয়ে যাচ্ছেন।

নজরুল জানান, পোকমাকড় দমনে বিভিন্ন কীটনাশক কোম্পানীর বিক্রিয় প্রতিনিধিদের সহযোগিতা নিয়েছেন। তিনি রোগবালাই দমন ও ফলন বৃদ্ধির জন্য এগ্রো-১ কোম্পানীর ছত্রাকনাশক পাইরোক্লোষ্ট্রোবিন ও ডাইমেথোমর্ক ব্যবহার করছেন। যাতে বিভিন্ন অনুখাদ্য ও সার রয়েছে। যা তরমুজ গাছের ফলন বৃদ্ধি এবং ছত্রাক ও পোকামাকড় দমনে সাহায্য করে।এছাড়া স্থানীয়ভাবে দায়িত্বরত উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তাও নিয়মিত খোঁজ-খবর নিয়ে তাকে সহায়তা করছেন। নজরুল ৪০শতক জমির পাশাপাশি আরো ৬০শতক জমিতে পাকিজা জাতের তরমুজের চারা রোপণ করেছেন। চারাগুলো আস্তে-আস্তে বড় হচ্ছে। পাকিজা জাতের তরমুজ আসতে প্রায় ৩মাস সময় লেগে যাবে। তরমুজ চাষে সফলতা দেখে নজরুল আরো ১৮০শতক জমিতে তরমুজ চাষের জন্য জমি তৈরি করছেন।

নজরুল আরও বলেন, প্রথমে তার বাবাকে দিয়ে মাছ ছাষ শুরু করেন। দুই লাখ টাকা ঋণ নিয়ে মাছ চাষে বিনিয়োগ করেন। কিন্তু তার বাবা মাছ চাষে বিনিয়োগকৃত সম্পূর্ণ টাকা লস দিয়ে ব্যবসা গুটিয়ে বিদেশ চলে যান। পরবর্তীতে গত চার বছর পূর্বে এনজিও থেকে আবার ৫০হাজার টাকা ঋণের কিস্তি নিয়ে সবজির আবাদ শুরু করেন। এক পর্যায়ে লাউ, ঝিঙ্গা, করলা, টমোটে, বেগুনসহ বিভিন্ন সবজির চাষাবাদে ব্যবসা বাড়াতে গিয়ে আরো ১০লাখ টাকা ঋণ নেন। বর্তমান তার ব্যবসায় পুঁজি রয়েছে প্রায় ১৮ লাখ টাকা। নজরুল সবজি এবং তরমুজ আবাদের পাশাপাশি বাণিজ্যিক ভিত্তিতে কবুতর এবং ছাগল পালন করছেন। নজরুলের নিজস্ব কোন জমি নেই। জমির মালিকদের থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকাতে জমি বন্ধক অথবা এক বছরের জন্য খাজনা দিয়ে জমি নিয়ে তরমুজ চাষাবাদসহ অন্যান্য সবজির আবাদ করছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ উজ্জ্বল হোসেন বলেন, আমরা নজরুললকে তরমুজ চাষে মালিচিং পেপার, বীজ, সেক্স ফেরোমন ফাঁদ এবং হলুদ ফাঁদ প্রদানসহ সব ধরণের সহযোগিতা করে আসছি। বর্তমানে এ আর মালিক সিডের তরমুজের বীজও প্রদান করেছি। যা সে নতুনভাবে চারা রোপণ করেছে। তার যখন যে সমস্যা হচ্ছে, আমাদেরকে জানালে তাৎক্ষনিক তাকে সবধরণের সহযোগিতা করা হচ্ছে।

বিষয়:

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

১

ভাষাসৈনিক অজিত গুহ মহাবিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

২

দাউদকান্দিতে সড়ক দুর্ঘটনায় চারজনের মৃত্যুতে বাস মালিক গ্রেপ্তার

৩

হোমনা ও তিতাস উপজেলা নিয়েই কুমিল্লা-২ আসন, সীমানা নিয়ে ইসির সিদ্ধান্ত বহাল

৪

এ দেশের মানুষ নিজেদের অধিকার রক্ষায় বারবার রক্ত দিয়েছে : ড. সায়মা

৫

কুমিল্লাস্থ বরুড়া উপজেলা উন্নয়ন সমিতির সভাপতি মোজাম্মেল সম্পাদক জাহিদ

সম্পর্কিত

ভাষাসৈনিক অজিত গুহ মহাবিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

ভাষাসৈনিক অজিত গুহ মহাবিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

৭ ঘণ্টা আগে
দাউদকান্দিতে সড়ক দুর্ঘটনায় চারজনের মৃত্যুতে বাস মালিক গ্রেপ্তার

দাউদকান্দিতে সড়ক দুর্ঘটনায় চারজনের মৃত্যুতে বাস মালিক গ্রেপ্তার

১২ ঘণ্টা আগে
হোমনা ও তিতাস উপজেলা নিয়েই কুমিল্লা-২ আসন,  সীমানা নিয়ে ইসির সিদ্ধান্ত বহাল

হোমনা ও তিতাস উপজেলা নিয়েই কুমিল্লা-২ আসন, সীমানা নিয়ে ইসির সিদ্ধান্ত বহাল

১২ ঘণ্টা আগে
এ দেশের মানুষ নিজেদের অধিকার রক্ষায় বারবার রক্ত দিয়েছে : ড. সায়মা

এ দেশের মানুষ নিজেদের অধিকার রক্ষায় বারবার রক্ত দিয়েছে : ড. সায়মা

১৬ ঘণ্টা আগে