তিতাস প্রতিনিধি

কুমিল্লার তিতাসে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করার অভিযোগ উঠেছে। আজ সোমবার উপজেলার ভিটিকান্দি ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি পদ থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার হওয়া মো. ফরিদ সরকার স্থানীয় সাংবাদিকের কাছে এমন অভিযোগ করেন।
২০২৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর মো. ফরিদ সরকারকে আহ্বায়ক ও মো. মাজহারুল ইসলাম খোকাকে সদস্য সচিব করে ৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি অনুমোদন দিয়েছিল উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি। পরবর্তীতে ওই উপজেলা কমিটি ইউনিয়ন কাউন্সিলের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দলীয় প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা না করে স্বতন্ত্রপ্রার্থীর পক্ষে কাজ করা এবং দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ এনে ভিটিকান্দি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. ফরিদ সরকার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. হানিফ মুন্সী ও সাংগঠনিক সম্পাদক যুবরাজ ইসলাম রাসেলকে দলীয় সদস্যপদ বাতিলসহ স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়।
দল থেকে বহিষ্কৃত নেতা মো. ফরিদ সরকার অভিযোগ তুলে বলেন, তিতাস উপজেলা প্রতিষ্ঠার আগ থেকে আমি বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। গত সংসদ নির্বাচনে আমি দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার পরও মিথ্যা অভিযোগ এনে আমাকে বহিষ্কার করেছে। তিনি আরো বলেন, কমিটি গঠনের সময় আমার কাছ থেকে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. ওসমান গণি ভূঁইয়া ও সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান সেলিম ভূঁইয়া ১৭ লাখ টাকা নিয়েছিলেন। বিষয়টি আমি তাৎক্ষণিক বিএনপির অভিভাবক ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন স্যারকে জানিয়ে ছিলাম। বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের জন্য তিনি স্থানীয় সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়ার হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. ওসমান গণি ভূঁইয়া ও সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান সেলিম ভূঁইয়া বলেন, ভিটিকান্দি ইউনিয়নে যাদের বহিষ্কার করা হয়েছে তারা বিএনপির লোক হলেও গত সংসদ নির্বাচনে একটি চক্রের মাধ্যমে দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে কাজ করেছে এমন প্রমাণের ভিত্তিতে তাদেরকে বহিষ্কার করা হয়েছে। টাকা লেনদেনের বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।

কুমিল্লার তিতাসে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করার অভিযোগ উঠেছে। আজ সোমবার উপজেলার ভিটিকান্দি ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি পদ থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার হওয়া মো. ফরিদ সরকার স্থানীয় সাংবাদিকের কাছে এমন অভিযোগ করেন।
২০২৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর মো. ফরিদ সরকারকে আহ্বায়ক ও মো. মাজহারুল ইসলাম খোকাকে সদস্য সচিব করে ৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি অনুমোদন দিয়েছিল উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি। পরবর্তীতে ওই উপজেলা কমিটি ইউনিয়ন কাউন্সিলের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দলীয় প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা না করে স্বতন্ত্রপ্রার্থীর পক্ষে কাজ করা এবং দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ এনে ভিটিকান্দি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. ফরিদ সরকার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. হানিফ মুন্সী ও সাংগঠনিক সম্পাদক যুবরাজ ইসলাম রাসেলকে দলীয় সদস্যপদ বাতিলসহ স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়।
দল থেকে বহিষ্কৃত নেতা মো. ফরিদ সরকার অভিযোগ তুলে বলেন, তিতাস উপজেলা প্রতিষ্ঠার আগ থেকে আমি বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। গত সংসদ নির্বাচনে আমি দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার পরও মিথ্যা অভিযোগ এনে আমাকে বহিষ্কার করেছে। তিনি আরো বলেন, কমিটি গঠনের সময় আমার কাছ থেকে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. ওসমান গণি ভূঁইয়া ও সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান সেলিম ভূঁইয়া ১৭ লাখ টাকা নিয়েছিলেন। বিষয়টি আমি তাৎক্ষণিক বিএনপির অভিভাবক ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন স্যারকে জানিয়ে ছিলাম। বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের জন্য তিনি স্থানীয় সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়ার হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. ওসমান গণি ভূঁইয়া ও সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান সেলিম ভূঁইয়া বলেন, ভিটিকান্দি ইউনিয়নে যাদের বহিষ্কার করা হয়েছে তারা বিএনপির লোক হলেও গত সংসদ নির্বাচনে একটি চক্রের মাধ্যমে দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে কাজ করেছে এমন প্রমাণের ভিত্তিতে তাদেরকে বহিষ্কার করা হয়েছে। টাকা লেনদেনের বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।