শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) সাংবাদিকদের সংগঠন ‘শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাব’ তিন দশকে পদার্পণ করেছে। এ উপলক্ষে সংগঠনটির ২০তম কার্যনির্বাহী কমিটির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে দিনব্যাপী তিন দশক পূর্তি উদযাপন ও প্রথম পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান। আয়োজন উপলক্ষে ক্যাম্পাসের সাবেক সাংবাদিকদের পদচারনায় মুখর হয়ে উঠেছে ক্যাম্পাস।

আজ শনিবার সকাল ৯টা থেকে শাবিপ্রবির গোল চত্বরে কেক কাটা ও আনন্দ র্যালির মাধ্যমে শুরু হয় কর্মসূচি। এরপর মিনি অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় শাবি প্রেসক্লাবের ২০ তম কমিটির সভাপতি জুবায়েদুল হক রবিনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক নাঈম আহমদ শুভর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এম সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী, সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নিজাম উদ্দিন, লিডিং ইউনিভার্সিটি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তাজউদ্দিন, নর্থইস্ট ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবাল, শাবিপ্রবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাজেদুল করিম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইসমাইল হোসেন ও যবিপ্রবির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. হোসেন আল মামুন। স্বাগত বক্তব্য দেন প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ইমাম হাসান মুক্তি, প্রেসক্লাবের সাবেক সহসভাপতি দৈনিক আমার শহর পত্রিকার সম্পাদক গাজীউল হক সোহাগ, সমকালের যুগ্ম বার্তা সম্পাদক রমা প্রসাদ সরকার বাবু, যুগান্তরের কান্ট্রি এডিটর নাঈম, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল, সময় সংবাদের সহ সম্পাদক টোটন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক রশিদুল সোহাগ, মাসুদ করিম লিটন।

এছাড়াও শাবি প্রেসক্লাবের সাবেক ও বর্তমান সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে শাবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এম সরওয়ারউদ্দীন চৌধুরী বলেন, 'দায়িত্ব, আস্থা ও গৌরবের পথ পেরিয়ে তিন দশকে পদার্পণ করেছে প্রেসক্লাব। যাত্রার শুরু থেকেই প্রেসক্লাবের সাংবাদিকরা বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের অধিকার ও নানা অসংগতির বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। প্রেসক্লাবের সাবেক সদস্যদের অনেকেই বর্তমানে দেশের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত আছেন। তিন দশক ধরে সংগঠনটি তার ঐতিহ্য, পেশাদারিত্ব ও সাংবাদিকতার মান বজায় রেখে চলেছে। আমরা আশা করবো ভবিষ্যতেও সেই ধারাবাহিকতা অব্যহত থাকবে।'
এদিকে আয়োজক সূত্রে জানা যায়, পুনর্মিলনী উপলক্ষে আনন্দ শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা, স্মৃতিচারণ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ নানা আয়োজন রাখা হয়েছে। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সংগঠনের সদস্যরা পারফর্ম করবেন। এতে প্রেসক্লাবের সাবেক ও বর্তমান সদস্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও আমন্ত্রিত অতিথিরা অংশ নেবেন।
প্রোগ্রামটিতে সহযোগী হিসেবে রয়েছে মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি, লিডিং ইউনিভার্সিটি, সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটি, নর্থ ইস্ট মেডিকেল কলেজ, সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ, স্টেপ ফুটওয়্যার, সামুজা ফাউন্ডেশন, ঢালী গ্রুপ, বনসাই ফুডস, আমিন মোহাম্মদ গ্রুপ, ইবনে সিনা, থ্রি লিফ টেকনোলজিস, সিলেট সিটি কর্পোরেশন প্রমুখ।
এতে বেভারেজ পার্টনার হিসেবে রয়েছে প্রাণ। স্পেশাল পার্টনার হিসেবে রয়েছে ইউএস বাংলা এয়ারলাইনস এবং বেলাভূমি রিসোর্ট এবং প্রিন্টিং পার্টনার হিসেবে রয়েছে রয়্যাল এড
উল্লেখ্য, শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে ক্যাম্পাস সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে একটি দায়িত্বশীল ও শক্তিশালী সংগঠন হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। তিন দশকের এই পথচলায় সংগঠনটি শাবিপ্রবির ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।

সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) সাংবাদিকদের সংগঠন ‘শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাব’ তিন দশকে পদার্পণ করেছে। এ উপলক্ষে সংগঠনটির ২০তম কার্যনির্বাহী কমিটির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে দিনব্যাপী তিন দশক পূর্তি উদযাপন ও প্রথম পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান। আয়োজন উপলক্ষে ক্যাম্পাসের সাবেক সাংবাদিকদের পদচারনায় মুখর হয়ে উঠেছে ক্যাম্পাস।

আজ শনিবার সকাল ৯টা থেকে শাবিপ্রবির গোল চত্বরে কেক কাটা ও আনন্দ র্যালির মাধ্যমে শুরু হয় কর্মসূচি। এরপর মিনি অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় শাবি প্রেসক্লাবের ২০ তম কমিটির সভাপতি জুবায়েদুল হক রবিনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক নাঈম আহমদ শুভর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এম সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী, সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নিজাম উদ্দিন, লিডিং ইউনিভার্সিটি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তাজউদ্দিন, নর্থইস্ট ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবাল, শাবিপ্রবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাজেদুল করিম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইসমাইল হোসেন ও যবিপ্রবির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. হোসেন আল মামুন। স্বাগত বক্তব্য দেন প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ইমাম হাসান মুক্তি, প্রেসক্লাবের সাবেক সহসভাপতি দৈনিক আমার শহর পত্রিকার সম্পাদক গাজীউল হক সোহাগ, সমকালের যুগ্ম বার্তা সম্পাদক রমা প্রসাদ সরকার বাবু, যুগান্তরের কান্ট্রি এডিটর নাঈম, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল, সময় সংবাদের সহ সম্পাদক টোটন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক রশিদুল সোহাগ, মাসুদ করিম লিটন।

এছাড়াও শাবি প্রেসক্লাবের সাবেক ও বর্তমান সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে শাবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এম সরওয়ারউদ্দীন চৌধুরী বলেন, 'দায়িত্ব, আস্থা ও গৌরবের পথ পেরিয়ে তিন দশকে পদার্পণ করেছে প্রেসক্লাব। যাত্রার শুরু থেকেই প্রেসক্লাবের সাংবাদিকরা বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের অধিকার ও নানা অসংগতির বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। প্রেসক্লাবের সাবেক সদস্যদের অনেকেই বর্তমানে দেশের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত আছেন। তিন দশক ধরে সংগঠনটি তার ঐতিহ্য, পেশাদারিত্ব ও সাংবাদিকতার মান বজায় রেখে চলেছে। আমরা আশা করবো ভবিষ্যতেও সেই ধারাবাহিকতা অব্যহত থাকবে।'
এদিকে আয়োজক সূত্রে জানা যায়, পুনর্মিলনী উপলক্ষে আনন্দ শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা, স্মৃতিচারণ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ নানা আয়োজন রাখা হয়েছে। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সংগঠনের সদস্যরা পারফর্ম করবেন। এতে প্রেসক্লাবের সাবেক ও বর্তমান সদস্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও আমন্ত্রিত অতিথিরা অংশ নেবেন।
প্রোগ্রামটিতে সহযোগী হিসেবে রয়েছে মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি, লিডিং ইউনিভার্সিটি, সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটি, নর্থ ইস্ট মেডিকেল কলেজ, সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ, স্টেপ ফুটওয়্যার, সামুজা ফাউন্ডেশন, ঢালী গ্রুপ, বনসাই ফুডস, আমিন মোহাম্মদ গ্রুপ, ইবনে সিনা, থ্রি লিফ টেকনোলজিস, সিলেট সিটি কর্পোরেশন প্রমুখ।
এতে বেভারেজ পার্টনার হিসেবে রয়েছে প্রাণ। স্পেশাল পার্টনার হিসেবে রয়েছে ইউএস বাংলা এয়ারলাইনস এবং বেলাভূমি রিসোর্ট এবং প্রিন্টিং পার্টনার হিসেবে রয়েছে রয়্যাল এড
উল্লেখ্য, শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে ক্যাম্পাস সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে একটি দায়িত্বশীল ও শক্তিশালী সংগঠন হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। তিন দশকের এই পথচলায় সংগঠনটি শাবিপ্রবির ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।