• কুমিল্লা সিটি করপোরেশন
  • কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
  • আদর্শ সদর
  • বরুড়া
  • লাকসাম
  • দাউদকান্দি
  • আরও
    • চৌদ্দগ্রাম
    • সদর দক্ষিণ
    • নাঙ্গলকোট
    • বুড়িচং
    • ব্রাহ্মণপাড়া
    • মনোহরগঞ্জ
    • লালমাই
    • চান্দিনা
    • মুরাদনগর
    • দেবীদ্বার
    • হোমনা
    • মেঘনা
    • তিতাস
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • বাংলাদেশ
  • অপরাধ
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • মতামত
  • খেলা
  • বিনোদন
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • ইপেপার
  • ইপেপার
facebooktwittertiktokpinterestyoutubelinkedininstagramgoogle
স্বত্ব: ©️ আমার শহর

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. গাজীউল হক ভূঁইয়া ( সোহাগ)।

নাহার প্লাজা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা-৩৫০০

ই-মেইল: [email protected]

ফোন: 01716197760

> শিক্ষা

প্রাথমিক শিক্ষকদের দৈনন্দিন উপস্থিতি মনিটরিংয়ে জরুরি নির্দেশনা

আমার শহর ডেস্ক
প্রকাশ : ১২ জুন ২০২৬, ১৯: ৩২
logo

প্রাথমিক শিক্ষকদের দৈনন্দিন উপস্থিতি মনিটরিংয়ে জরুরি নির্দেশনা

আমার শহর ডেস্ক

প্রকাশ : ১২ জুন ২০২৬, ১৯: ৩২
Photo

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে কঠোর নজরদারি শুরু করছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর।

এ লক্ষ্যে আগামী ১৫ জুন থেকে দেশব্যাপী শিক্ষকদের দৈনন্দিন উপস্থিতি নিবিড়ভাবে মনিটরিংয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কার্যক্রম বাস্তবায়নে সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (এইউপিইও) ও থানা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের (এটিপিইও) জন্য ১১ দফা জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে অধিদফতর।

নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রতিটি কর্মদিবসে দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের উপস্থিতিসংক্রান্ত তথ্য নির্ধারিত সময়ে ক্লাস্টারভিত্তিক হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পাঠাতে হবে। এ ক্ষেত্রে সারাদেশের বিদ্যালয়গুলোর জন্য তথ্য পাঠানোর সময়সীমা সকাল ৯টা ২০ মিনিট নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে ঢাকা মহানগরীর বিদ্যালয়গুলোর ক্ষেত্রে এই সময়সীমা সকাল ৭টা ৫০ মিনিট।

নির্দেশনা অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সংশ্লিষ্ট ক্লাস্টার গ্রুপে এসএমএসের তথ্য পাঠানো নিশ্চিত করতে হবে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, সারাদেশের এইউপিইও এবং এটিপিইও প্রতিদিন সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটের মধ্যে শিক্ষকদের উপস্থিতি নিশ্চিতের তথ্য সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা থানা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠাবেন। আর ঢাকা মহানগরীর ক্ষেত্রে এ তথ্য সকাল ৮টা ১৫ মিনিটের মধ্যে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এরপর সারাদেশের উপজেলা ও থানা শিক্ষা কর্মকর্তারা প্রাপ্ত তথ্য সকাল ১০টা ১৫ মিনিটের মধ্যে এবং ঢাকা মহানগরীর থানা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটের মধ্যে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার উদ্দেশে নির্ধারিত হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পাঠাবেন।

শিক্ষকদের দৈনন্দিন উপস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের লক্ষ্যে গতকাল বৃহস্পতিবার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর থেকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে এ নির্দেশনা পাঠানো হয়।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রাথমিক শিক্ষার কার্যকারিতা অনেকাংশে নির্ভর করে পাঠ্যক্রমের সুষ্ঠু বাস্তবায়ন, শ্রেণিকক্ষে নিয়মিত পাঠদান, বিদ্যালয়ভিত্তিক নেতৃত্বের মানোন্নয়ন এবং শিক্ষার ধারাবাহিক পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর।

এ ক্ষেত্রে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের সময়মতো বিদ্যালয়ে উপস্থিতি শুধু প্রশাসনিক দায়িত্ব নয় বরং শিক্ষার গুণগত মান, শিক্ষার্থীদের শেখার সুযোগ এবং বিদ্যালয়ের প্রতি অভিভাবকদের আস্থার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত একটি মৌলিক শর্ত।

এ প্রেক্ষাপটে, প্রধান শিক্ষকের নেতৃত্বের কার্যকারিতা বৃদ্ধি, শ্রেণিকক্ষের পাঠদান কার্যক্রমে ধারাবাহিকতা বজায় এবং সামগ্রিকভাবে প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নের স্বার্থে সব প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকের যথাসময়ে বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকা এবং নির্ধারিত রুটিন অনুযায়ী শ্রেণি কার্যক্রম শুরু করা অত্যন্ত জরুরি।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর প্রণীত ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নিয়মিত উপস্থিতি পর্যবেক্ষণে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এ লক্ষ্যে আগামী ১৫ জুন থেকে দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকরা প্রতিদিন যথাসময়ে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হচ্ছেন কি না এবং নির্ধারিত রুটিন অনুযায়ী শ্রেণি কার্যক্রম শুরু করছেন কি না, তা নিবিড়ভাবে মনিটরিং করা হবে। শিক্ষকদের উপস্থিতি ও পাঠদান কার্যক্রমে শৃঙ্খলা নিশ্চিতের মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য বলে নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষার গুনগত মান বৃদ্ধির জন্য প্রত্যেকটি বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের উপস্থিতির তথ্য সংযুক্ত নির্দেশনা মোতাবেক যথাসময়ে ক্লাস্টার পর্যায় থেকে উপজেলা পর্যায়, উপজেলা পর্যায় থেকে জেলা এবং জেলা থেকে থেকে বিভাগীয় পর্যায় হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে শিক্ষকদের উপস্থিতির সঠিক তথ্য পাঠনোর জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। ১১ দফা নির্দেশনা-

১) প্রতিটি উপজেলার ক্লাস্টার পর্যায়ে সকল প্রধান শিক্ষকগণের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থাকবে এবং গ্রুপের এডমিন হবেন সংশ্লিষ্ট এইউপিইও/এটিপিইও।

২) প্রতি কর্মদিবসে প্রধান শিক্ষক সকাল ৯টা ২০ মিনিটের মধ্যে শিক্ষক উপস্থিতির তথ্য এসএমএসের মাধ্যমে ক্লাস্টার গ্রুপে পাঠাবেন (এসএমএস এর নমুনা সংযুক্ত)। তবে ঢাকা মহানগরীর জন্য ক্লাস্টার গ্রুপে এসএমএস পাঠনোর সময় সকাল ৭টা ৫০ মিনিট। কখনও সরকার নির্ধারিত সময়সূচি পরিবর্তন হলে বিদ্যালয় শুরু হওয়ার ২০ মিনিটের মধ্যে শিক্ষক উপস্থিতির তথ্য ক্লাস্টার গ্রুপে পাঠাতে হবে।

৩) সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সংশ্লিষ্ট ক্লাস্টারের সব বিদ্যালয়ের উপরোক্ত তথ্য সংগ্রহ করে একই ধারাবাহিকতায় সংখ্যাগুলো যোগ করবেন এবং সম্বন্বিত ফলাফল সকাল ৯:৪৫ মিনিটের মধ্যে উপজেলা বা থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর পাঠাবেন। ঢাকা মহানগরীতে সহকারী থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সংশ্লিষ্ট ক্লাস্টারের গ্রুপে ৮টা ১৫ মিনিটের মধ্যে পাঠাবেন।

৪) প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সব তথ্য এক করে উপজেলা পর্যায়ে একইভাবে সারসংক্ষেপ প্রস্তুত করবেন এবং সমন্বিত ফলাফল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের তত্ত¡াবধানে পরিচালিত হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সকাল ১০টা ১৫ মিনিটের মধ্যে পাঠাবেন। ঢাকা মহানগরীতে থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সংশ্লিষ্ট গ্রুপে ৮টা ৪৫ মিনিটের মধ্যে সাবমিট করবেন।

৫) জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জেলার সব উপজেলা বা থানার মোট উপস্থিত ও অনুপস্থিত শিক্ষকের সংখ্যা যোগ করে তা সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটের মধ্যে বিভাগীয় উপপরিচালকের পরিচালিত হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পাঠাবেন।

৬) বিভাগীয় উপপরিচালকরা বিভাগের সব জেলার তথ্য একত্রিত করে বিভাগীয় সারসংক্ষেপ প্রস্তুত করবেন এবং দুপুর ১১টা ১৫ মিনিটের মধ্যে তা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পাঠাবেন এবং বিভাগের এক্সেল শিটে সন্নিবেশিত তথ্য ই-মেইলে পাঠাতে হবে।

৭) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ প্রতিদিন প্রাপ্ত শিক্ষক উপস্থিতির তথ্যগুলো সমন্বিত করে জাতীয় পর্যায়ে শিক্ষক উপস্থিতির দৈনন্দিন প্রতিবেদন প্রস্তুত করে মহাপরিচালক নিকট উপস্থাপন করবেন।

৮) উপজেলা বা থানা, জেলা, বিভাগীয় পর্যায়ে তথ্য সন্নিবেশনের ক্ষেত্রে পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ সরবরাহকৃত এমএস এক্সেল শিট ব্যবহার করতে হবে।

৯) উপজেলা পর্যায় থেকে বিভাগীয় পর্যায় উপপরিচালক পর্যন্ত বিনা অনুমতিতে অনুপস্থিত শিক্ষকের নামের তালিকা এতদসঙ্গে সরবরাহকৃত এক্সেল শিটে পাঠাতে করতে হবে।

১০) প্রধান শিক্ষকরা এসএমএম পাঠানোর পাশাপাশি শিক্ষক হাজিরা খাতার সংশ্লিষ্ট অংশের ছবি তুলে সহকারী উপজেলা বা থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের নিকট পাঠাবেনবেন। শিক্ষক উপস্থিতির মাসিক প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ের প্রেরণ এবং পরবর্তী কার্যক্রমের উদ্দেশ্যে শিক্ষক হাজিরা খাতার ছবি উপজেলা শিক্ষা অফিসে সংরক্ষণ করতে হবে।

১১) সঠিক এবং নির্ভুল তথ্য প্রদানে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা প্রধান শিক্ষক ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবেন।

Thumbnail image

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে কঠোর নজরদারি শুরু করছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর।

এ লক্ষ্যে আগামী ১৫ জুন থেকে দেশব্যাপী শিক্ষকদের দৈনন্দিন উপস্থিতি নিবিড়ভাবে মনিটরিংয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কার্যক্রম বাস্তবায়নে সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (এইউপিইও) ও থানা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের (এটিপিইও) জন্য ১১ দফা জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে অধিদফতর।

নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রতিটি কর্মদিবসে দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের উপস্থিতিসংক্রান্ত তথ্য নির্ধারিত সময়ে ক্লাস্টারভিত্তিক হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পাঠাতে হবে। এ ক্ষেত্রে সারাদেশের বিদ্যালয়গুলোর জন্য তথ্য পাঠানোর সময়সীমা সকাল ৯টা ২০ মিনিট নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে ঢাকা মহানগরীর বিদ্যালয়গুলোর ক্ষেত্রে এই সময়সীমা সকাল ৭টা ৫০ মিনিট।

নির্দেশনা অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সংশ্লিষ্ট ক্লাস্টার গ্রুপে এসএমএসের তথ্য পাঠানো নিশ্চিত করতে হবে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, সারাদেশের এইউপিইও এবং এটিপিইও প্রতিদিন সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটের মধ্যে শিক্ষকদের উপস্থিতি নিশ্চিতের তথ্য সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা থানা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠাবেন। আর ঢাকা মহানগরীর ক্ষেত্রে এ তথ্য সকাল ৮টা ১৫ মিনিটের মধ্যে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এরপর সারাদেশের উপজেলা ও থানা শিক্ষা কর্মকর্তারা প্রাপ্ত তথ্য সকাল ১০টা ১৫ মিনিটের মধ্যে এবং ঢাকা মহানগরীর থানা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটের মধ্যে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার উদ্দেশে নির্ধারিত হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পাঠাবেন।

শিক্ষকদের দৈনন্দিন উপস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের লক্ষ্যে গতকাল বৃহস্পতিবার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর থেকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে এ নির্দেশনা পাঠানো হয়।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রাথমিক শিক্ষার কার্যকারিতা অনেকাংশে নির্ভর করে পাঠ্যক্রমের সুষ্ঠু বাস্তবায়ন, শ্রেণিকক্ষে নিয়মিত পাঠদান, বিদ্যালয়ভিত্তিক নেতৃত্বের মানোন্নয়ন এবং শিক্ষার ধারাবাহিক পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর।

এ ক্ষেত্রে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের সময়মতো বিদ্যালয়ে উপস্থিতি শুধু প্রশাসনিক দায়িত্ব নয় বরং শিক্ষার গুণগত মান, শিক্ষার্থীদের শেখার সুযোগ এবং বিদ্যালয়ের প্রতি অভিভাবকদের আস্থার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত একটি মৌলিক শর্ত।

এ প্রেক্ষাপটে, প্রধান শিক্ষকের নেতৃত্বের কার্যকারিতা বৃদ্ধি, শ্রেণিকক্ষের পাঠদান কার্যক্রমে ধারাবাহিকতা বজায় এবং সামগ্রিকভাবে প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নের স্বার্থে সব প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকের যথাসময়ে বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকা এবং নির্ধারিত রুটিন অনুযায়ী শ্রেণি কার্যক্রম শুরু করা অত্যন্ত জরুরি।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর প্রণীত ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নিয়মিত উপস্থিতি পর্যবেক্ষণে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এ লক্ষ্যে আগামী ১৫ জুন থেকে দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকরা প্রতিদিন যথাসময়ে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হচ্ছেন কি না এবং নির্ধারিত রুটিন অনুযায়ী শ্রেণি কার্যক্রম শুরু করছেন কি না, তা নিবিড়ভাবে মনিটরিং করা হবে। শিক্ষকদের উপস্থিতি ও পাঠদান কার্যক্রমে শৃঙ্খলা নিশ্চিতের মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য বলে নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষার গুনগত মান বৃদ্ধির জন্য প্রত্যেকটি বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের উপস্থিতির তথ্য সংযুক্ত নির্দেশনা মোতাবেক যথাসময়ে ক্লাস্টার পর্যায় থেকে উপজেলা পর্যায়, উপজেলা পর্যায় থেকে জেলা এবং জেলা থেকে থেকে বিভাগীয় পর্যায় হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে শিক্ষকদের উপস্থিতির সঠিক তথ্য পাঠনোর জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। ১১ দফা নির্দেশনা-

১) প্রতিটি উপজেলার ক্লাস্টার পর্যায়ে সকল প্রধান শিক্ষকগণের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থাকবে এবং গ্রুপের এডমিন হবেন সংশ্লিষ্ট এইউপিইও/এটিপিইও।

২) প্রতি কর্মদিবসে প্রধান শিক্ষক সকাল ৯টা ২০ মিনিটের মধ্যে শিক্ষক উপস্থিতির তথ্য এসএমএসের মাধ্যমে ক্লাস্টার গ্রুপে পাঠাবেন (এসএমএস এর নমুনা সংযুক্ত)। তবে ঢাকা মহানগরীর জন্য ক্লাস্টার গ্রুপে এসএমএস পাঠনোর সময় সকাল ৭টা ৫০ মিনিট। কখনও সরকার নির্ধারিত সময়সূচি পরিবর্তন হলে বিদ্যালয় শুরু হওয়ার ২০ মিনিটের মধ্যে শিক্ষক উপস্থিতির তথ্য ক্লাস্টার গ্রুপে পাঠাতে হবে।

৩) সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সংশ্লিষ্ট ক্লাস্টারের সব বিদ্যালয়ের উপরোক্ত তথ্য সংগ্রহ করে একই ধারাবাহিকতায় সংখ্যাগুলো যোগ করবেন এবং সম্বন্বিত ফলাফল সকাল ৯:৪৫ মিনিটের মধ্যে উপজেলা বা থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর পাঠাবেন। ঢাকা মহানগরীতে সহকারী থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সংশ্লিষ্ট ক্লাস্টারের গ্রুপে ৮টা ১৫ মিনিটের মধ্যে পাঠাবেন।

৪) প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সব তথ্য এক করে উপজেলা পর্যায়ে একইভাবে সারসংক্ষেপ প্রস্তুত করবেন এবং সমন্বিত ফলাফল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের তত্ত¡াবধানে পরিচালিত হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সকাল ১০টা ১৫ মিনিটের মধ্যে পাঠাবেন। ঢাকা মহানগরীতে থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সংশ্লিষ্ট গ্রুপে ৮টা ৪৫ মিনিটের মধ্যে সাবমিট করবেন।

৫) জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জেলার সব উপজেলা বা থানার মোট উপস্থিত ও অনুপস্থিত শিক্ষকের সংখ্যা যোগ করে তা সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটের মধ্যে বিভাগীয় উপপরিচালকের পরিচালিত হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পাঠাবেন।

৬) বিভাগীয় উপপরিচালকরা বিভাগের সব জেলার তথ্য একত্রিত করে বিভাগীয় সারসংক্ষেপ প্রস্তুত করবেন এবং দুপুর ১১টা ১৫ মিনিটের মধ্যে তা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পাঠাবেন এবং বিভাগের এক্সেল শিটে সন্নিবেশিত তথ্য ই-মেইলে পাঠাতে হবে।

৭) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ প্রতিদিন প্রাপ্ত শিক্ষক উপস্থিতির তথ্যগুলো সমন্বিত করে জাতীয় পর্যায়ে শিক্ষক উপস্থিতির দৈনন্দিন প্রতিবেদন প্রস্তুত করে মহাপরিচালক নিকট উপস্থাপন করবেন।

৮) উপজেলা বা থানা, জেলা, বিভাগীয় পর্যায়ে তথ্য সন্নিবেশনের ক্ষেত্রে পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ সরবরাহকৃত এমএস এক্সেল শিট ব্যবহার করতে হবে।

৯) উপজেলা পর্যায় থেকে বিভাগীয় পর্যায় উপপরিচালক পর্যন্ত বিনা অনুমতিতে অনুপস্থিত শিক্ষকের নামের তালিকা এতদসঙ্গে সরবরাহকৃত এক্সেল শিটে পাঠাতে করতে হবে।

১০) প্রধান শিক্ষকরা এসএমএম পাঠানোর পাশাপাশি শিক্ষক হাজিরা খাতার সংশ্লিষ্ট অংশের ছবি তুলে সহকারী উপজেলা বা থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের নিকট পাঠাবেনবেন। শিক্ষক উপস্থিতির মাসিক প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ের প্রেরণ এবং পরবর্তী কার্যক্রমের উদ্দেশ্যে শিক্ষক হাজিরা খাতার ছবি উপজেলা শিক্ষা অফিসে সংরক্ষণ করতে হবে।

১১) সঠিক এবং নির্ভুল তথ্য প্রদানে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা প্রধান শিক্ষক ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবেন।

বিষয়:

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

১

প্রাথমিক শিক্ষকদের দৈনন্দিন উপস্থিতি মনিটরিংয়ে জরুরি নির্দেশনা

২

বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে শিক্ষাই হবে প্রধান চালিকাশক্তি: শিক্ষামন্ত্রী

৩

বাংলা-ইতিহাস-দর্শনে অনার্স বাদের খবর ভিত্তিহীন: শিক্ষামন্ত্রী

৪

এইচএসসির প্রবেশপত্র বিতরণ শুরু ১৫ জুন

৫

আগামী বছরের এসএসসি পরীক্ষার সময়সূচিতে পরিবর্তন আসতে পারে: শিক্ষামন্ত্রী

সম্পর্কিত

বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে শিক্ষাই হবে প্রধান চালিকাশক্তি: শিক্ষামন্ত্রী

বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে শিক্ষাই হবে প্রধান চালিকাশক্তি: শিক্ষামন্ত্রী

৩ দিন আগে
বাংলা-ইতিহাস-দর্শনে অনার্স বাদের খবর ভিত্তিহীন: শিক্ষামন্ত্রী

বাংলা-ইতিহাস-দর্শনে অনার্স বাদের খবর ভিত্তিহীন: শিক্ষামন্ত্রী

৫ দিন আগে
এইচএসসির প্রবেশপত্র বিতরণ শুরু ১৫ জুন

এইচএসসির প্রবেশপত্র বিতরণ শুরু ১৫ জুন

৬ দিন আগে
আগামী বছরের এসএসসি পরীক্ষার সময়সূচিতে পরিবর্তন আসতে পারে: শিক্ষামন্ত্রী

আগামী বছরের এসএসসি পরীক্ষার সময়সূচিতে পরিবর্তন আসতে পারে: শিক্ষামন্ত্রী

১২ দিন আগে