আমার শহর ডেস্ক

শিক্ষার্থীদের রাস্তায় দাঁড় করিয়ে মন্ত্রী বা অতিথিকে শুভেচ্ছা জানানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ বলে কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, ভবিষ্যতে কোনো শিক্ষক বা প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের রোদে বা সড়কের পাশে দাঁড় করিয়ে সংবর্ধনা দেওয়ার আয়োজন করতে পারবে না।
আজ শুক্রবার দুপুরে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ নির্দেশনা দেন। অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে শিক্ষার্থীদের রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে মন্ত্রীকে সংবর্ধনা জানানোর দৃশ্য দেখে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
মন্ত্রী বলেন, আমাকে একজন সাধারণ মানুষের মতো চলাফেরা করতে হবে। আমার জন্য কোনো শিক্ষার্থীকে রাস্তায় দাঁড় করিয়ে রাখা যাবে না। কোনো শিক্ষক কখনো আমার জন্য শিক্ষার্থীদের দাঁড় করাবেন না।
তিনি আরও বলেন, আমি যেখানে যাবো, সেখানে কোনো শিক্ষক বা শিক্ষার্থীকে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না। শিক্ষার্থীদের কষ্ট দিয়ে কোনো ধরনের সংবর্ধনা বা শুভেচ্ছা আয়োজন করার প্রয়োজন নেই। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, তোমরা আর কখনো রোদের মধ্যে রাস্তায় দাঁড়াবে না। তোমাদের রাস্তায় এসে শুভেচ্ছা জানানোর দরকার নেই। আমি নিজেই স্কুলে স্কুলে গিয়ে তোমাদের সঙ্গে দেখা করবো।
পরে শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের পড়াশোনা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান রাসেল, উপজেলা বিএনপির সভাপতি খায়রুল আবেদিন স্বপন, কচুয়া থানার ওসি মো. বোরহান উদ্দিনসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা।

শিক্ষার্থীদের রাস্তায় দাঁড় করিয়ে মন্ত্রী বা অতিথিকে শুভেচ্ছা জানানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ বলে কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, ভবিষ্যতে কোনো শিক্ষক বা প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের রোদে বা সড়কের পাশে দাঁড় করিয়ে সংবর্ধনা দেওয়ার আয়োজন করতে পারবে না।
আজ শুক্রবার দুপুরে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ নির্দেশনা দেন। অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে শিক্ষার্থীদের রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে মন্ত্রীকে সংবর্ধনা জানানোর দৃশ্য দেখে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
মন্ত্রী বলেন, আমাকে একজন সাধারণ মানুষের মতো চলাফেরা করতে হবে। আমার জন্য কোনো শিক্ষার্থীকে রাস্তায় দাঁড় করিয়ে রাখা যাবে না। কোনো শিক্ষক কখনো আমার জন্য শিক্ষার্থীদের দাঁড় করাবেন না।
তিনি আরও বলেন, আমি যেখানে যাবো, সেখানে কোনো শিক্ষক বা শিক্ষার্থীকে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না। শিক্ষার্থীদের কষ্ট দিয়ে কোনো ধরনের সংবর্ধনা বা শুভেচ্ছা আয়োজন করার প্রয়োজন নেই। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, তোমরা আর কখনো রোদের মধ্যে রাস্তায় দাঁড়াবে না। তোমাদের রাস্তায় এসে শুভেচ্ছা জানানোর দরকার নেই। আমি নিজেই স্কুলে স্কুলে গিয়ে তোমাদের সঙ্গে দেখা করবো।
পরে শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের পড়াশোনা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান রাসেল, উপজেলা বিএনপির সভাপতি খায়রুল আবেদিন স্বপন, কচুয়া থানার ওসি মো. বোরহান উদ্দিনসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা।