নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লায় মাধ্যমিক ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নতুন বই বিতরণ করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার কুমিল্লার ১৭ উপজেলার ৪ হাজার ২০৪টি সরকারি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বই বিতরণ করা হয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে জাতীয় শোক ঘোষণা করায় এদিন কোথাও বই উৎসবের আয়োজন করা হয়নি। তবে আয়োজন না থাকলেও শিক্ষার্থীদের নতুন বই ঘিরে উচ্ছ্বাসের কমতি ছিল না।
সরেজমিন নগরের গুলবাগিচা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, প্রচণ্ড শীতেও শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা স্কুলের গেটে ভিড় জমিয়েছেন। শৃঙ্খলার জন্য শুধু ভেতরে শিক্ষার্থীদের প্রবেশ করতে দেয়া হয়। তাদের ক্লাসে বসিয়ে পর্যায়ক্রমে বই হাতে তুলে দেয়া হয়। বই পেয়ে শিক্ষার্থীদের ঘ্রাণ নিতে দেখা যায়। কেউ বইয়ের গায়ের ডিজাইনে হাত বুলিয়ে দেখছেন। তাদের চোখে মুখে খুশির ঝিলিক।
কাব্য, অভয়া দত্ত ও রাইসা বলেন, নতুন বছরের প্রথম দিনে বই পেয়ে তারা খুব খুশি। নতুন বই পড়তে তাদের ভালো লাগে। তারা বইয়ের যত্ন করবেন বলেও জানান।
প্রধান শিক্ষক হাসিনা আক্তার বলেন,আমাদের স্কুলের শিক্ষার্থী প্রায় এক হাজার। জাতীয় শোকের কারণে আমরা কোনো আয়োজন করিনি। তবে শিক্ষার্থীদের ক্লাসে বসিয়ে বই বিতরণ করেছি। শিক্ষার্থীরা নতুন বইয়ের জন্য সকালে অভিভাবকদের নিয়ে স্কুলে হাজির হয়েছে। বই পেয়ে তারা অনেক খুশি।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার তাপস কুমার পাল বলেন, কুমিল্লা জেলার ৪ হাজার ২০৪টি সরকারি ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাড়ে ৩১লাখ বই বিতরণ করা হয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে জাতীয় শোক ঘোষণা করায় এদিন কোথাও বই উৎসবের আয়োজন করা হয়নি। আমরা শুধু বিভিন্ন স্কুলে গিয়ে বিতরণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেছি।
এদিকে এ বছর কুমিল্লা জেলার মাধ্যমিকের ৮ লাখ ৮৯ হাজার ১১৪ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৬৩ লাখ ৪৮ হাজার ২০৮ টি বই বিতরণ করা হয়। এই জেলায় বই প্রাপ্তির হার প্রায় ৭১ শতাংশ। বইয়ের মোট চাহিদা ৮৯ লাখ ৪১ হাজার ১৩৮ টি।
এদিকে সকালে নবাব ফয়জুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা গেছে, শিক্ষার্থীরা সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছে মাঠে। সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা বই পাননি। ওদের পুরাতন বই দেওয়া হয়। নতুন বই এলে পরে দেওয়া হবে। প্রধান শিক্ষক রাশেদা আক্তার বলেন, বই যা এসেছে আমরা দিয়েছি। পড়াশোনা যাতে ব্যাহত না হয়, সেজন্য সপ্তম শ্রেণির বই আগের বারের গুলো আপাতত দিয়েছি। এবার ঘটা করে বই দিইনি।
জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা যা পেয়েছি, সব বই দিয়েছি। বাকি বই পর্যায়ক্রমে দেওয়া হবে।

কুমিল্লায় মাধ্যমিক ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নতুন বই বিতরণ করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার কুমিল্লার ১৭ উপজেলার ৪ হাজার ২০৪টি সরকারি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বই বিতরণ করা হয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে জাতীয় শোক ঘোষণা করায় এদিন কোথাও বই উৎসবের আয়োজন করা হয়নি। তবে আয়োজন না থাকলেও শিক্ষার্থীদের নতুন বই ঘিরে উচ্ছ্বাসের কমতি ছিল না।
সরেজমিন নগরের গুলবাগিচা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, প্রচণ্ড শীতেও শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা স্কুলের গেটে ভিড় জমিয়েছেন। শৃঙ্খলার জন্য শুধু ভেতরে শিক্ষার্থীদের প্রবেশ করতে দেয়া হয়। তাদের ক্লাসে বসিয়ে পর্যায়ক্রমে বই হাতে তুলে দেয়া হয়। বই পেয়ে শিক্ষার্থীদের ঘ্রাণ নিতে দেখা যায়। কেউ বইয়ের গায়ের ডিজাইনে হাত বুলিয়ে দেখছেন। তাদের চোখে মুখে খুশির ঝিলিক।
কাব্য, অভয়া দত্ত ও রাইসা বলেন, নতুন বছরের প্রথম দিনে বই পেয়ে তারা খুব খুশি। নতুন বই পড়তে তাদের ভালো লাগে। তারা বইয়ের যত্ন করবেন বলেও জানান।
প্রধান শিক্ষক হাসিনা আক্তার বলেন,আমাদের স্কুলের শিক্ষার্থী প্রায় এক হাজার। জাতীয় শোকের কারণে আমরা কোনো আয়োজন করিনি। তবে শিক্ষার্থীদের ক্লাসে বসিয়ে বই বিতরণ করেছি। শিক্ষার্থীরা নতুন বইয়ের জন্য সকালে অভিভাবকদের নিয়ে স্কুলে হাজির হয়েছে। বই পেয়ে তারা অনেক খুশি।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার তাপস কুমার পাল বলেন, কুমিল্লা জেলার ৪ হাজার ২০৪টি সরকারি ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাড়ে ৩১লাখ বই বিতরণ করা হয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে জাতীয় শোক ঘোষণা করায় এদিন কোথাও বই উৎসবের আয়োজন করা হয়নি। আমরা শুধু বিভিন্ন স্কুলে গিয়ে বিতরণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেছি।
এদিকে এ বছর কুমিল্লা জেলার মাধ্যমিকের ৮ লাখ ৮৯ হাজার ১১৪ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৬৩ লাখ ৪৮ হাজার ২০৮ টি বই বিতরণ করা হয়। এই জেলায় বই প্রাপ্তির হার প্রায় ৭১ শতাংশ। বইয়ের মোট চাহিদা ৮৯ লাখ ৪১ হাজার ১৩৮ টি।
এদিকে সকালে নবাব ফয়জুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা গেছে, শিক্ষার্থীরা সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছে মাঠে। সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা বই পাননি। ওদের পুরাতন বই দেওয়া হয়। নতুন বই এলে পরে দেওয়া হবে। প্রধান শিক্ষক রাশেদা আক্তার বলেন, বই যা এসেছে আমরা দিয়েছি। পড়াশোনা যাতে ব্যাহত না হয়, সেজন্য সপ্তম শ্রেণির বই আগের বারের গুলো আপাতত দিয়েছি। এবার ঘটা করে বই দিইনি।
জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা যা পেয়েছি, সব বই দিয়েছি। বাকি বই পর্যায়ক্রমে দেওয়া হবে।