সিসিএন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তনে
নিজস্ব প্রতিবেদক

এখন তথ্য প্রযুক্তির যুগ। এআইয়ের ব্যবহার শিখতে হবে। বিজ্ঞানকে কাজে না লাগালে দেশকে এগিয়ে নেওয়া যাবে না। ন্যায়ভিত্তিক ও স্থিতিশীল বাংলাদেশ গঠনে শিক্ষার্থীদের ভূমিকা নিতে হবে। আপনাদের উদ্ভাবনী শক্তিকে জাগ্রত করতে হবে। দেশ গড়ার কাজে মনোনিবেশ করতে হবে। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন গতকাল কুমিল্লার লালমাই পাহাড়ের কোলে অবস্থিত সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। এম সাখাওয়াত হোসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর ও রাষ্ট্রপতির মনোনীত প্রতিনিধি হিসেবে সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব ও ডিগ্রি প্রদান করেন।
সমাবর্তনে তিনি বলেন, আমরা নিয়ম মানি না। তাই এখনও দেশের ট্রাফিক ব্যবস্থা ঠিক করতে পারিনি। আমাদের দেশ আমাদেরকেই এগিয়ে নিতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মো. জামাল নাছের শিক্ষার্থীদের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি ঘোষণার প্রস্তাব উত্থাপন করেন।
সমাবর্তন বক্তা ছিলেন, অ্যাসোসিয়েশন অব প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিজ অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ড. সবুর খান। গেস্ট অব অনারের বক্তব্য রাখেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. সানোয়ার জাহান ভূঁইয়া, নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নূরুন্নাহার চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশিনের সদস্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন ও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল। বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য) প্রকৌশলী অধ্যাপক ড. মো. শাহ জাহান।
শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের উপদেষ্টা সাবেক সচিব মো. তাজুল ইসলাম। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. মো. তারিকুল ইসলাম চৌধুরী।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ফল ২০২৩ সেশন থেকে ফল ২০২৫ পর্যন্ত সময়কালে ডিগ্রির সকল যোগ্যতা সম্পন্নকারী প্রকৌশল অনুষদের অধীন বিএসসি ইন কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, বিএসসি ইন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোগ্রামের স্নাতক পর্যায়ের ২৩৪ জন, ব্যবসায় অনুষদের অধীন ব্যাচেলর অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন প্রোগ্রামের ১৭জন, লিবারেল আর্টস অনুষদের অধীন ব্যাচেলর অব ল'স (এলএলবি), মাস্টার অব ল'স (এলএলএম), ব্যাচেলর অব আর্টস ইন ইংলিশ প্রোগ্রামসমূহের স্নাতক পর্যায়ের ৬৭ জন এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ের ৯ জনসহ সর্বমোট ৩৫২ জন শিক্ষার্থীকে ডিগ্রি প্রদান করা হয়।

এদিকে সমাবর্তনে সর্বোচ্চ সিজিপিএ পেয়ে চ্যান্সেলর অ্যাওয়্যার্ড পেয়েছেন মোসাম্মৎ মাহমুদা আক্তার এবং তানজিদা চৌধুরী প্রমি। তাছাড়া বিওটি অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন দুজন , ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন তিনজন, ডিনস অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন সাতজন শিক্ষার্থী। সমার্তনের দ্বিতীয় পর্বে শিক্ষার্থী এবং অতিথি শিল্পীদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন শিক্ষার্থী ও অতিথিরা।
এর আগে সকালে সমাবর্তন অনুষ্ঠানে গাউন পড়ে আমন্ত্রিত অতিথি, শিক্ষক ও গ্র্যাজুয়েটরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক সংলগ্ন এলাকা থেকে পদযাত্রা করেন। এরপর সমাবর্তন মঞ্চে যান তাঁরা। সেখানে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এর আগে ২০২৩ সালে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সমাবর্তন হয়। প্রতিষ্ঠার এক দশক পেরিয়ে দুইটি সমাবর্তন করে এ বিশ্ববিদ্যালয়। লালমাই পাহাড়ে নিজস্ব জায়গায় এ বিশ্ববিদ্যালয় যাত্রা শুরু করে।

এখন তথ্য প্রযুক্তির যুগ। এআইয়ের ব্যবহার শিখতে হবে। বিজ্ঞানকে কাজে না লাগালে দেশকে এগিয়ে নেওয়া যাবে না। ন্যায়ভিত্তিক ও স্থিতিশীল বাংলাদেশ গঠনে শিক্ষার্থীদের ভূমিকা নিতে হবে। আপনাদের উদ্ভাবনী শক্তিকে জাগ্রত করতে হবে। দেশ গড়ার কাজে মনোনিবেশ করতে হবে। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন গতকাল কুমিল্লার লালমাই পাহাড়ের কোলে অবস্থিত সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। এম সাখাওয়াত হোসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর ও রাষ্ট্রপতির মনোনীত প্রতিনিধি হিসেবে সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব ও ডিগ্রি প্রদান করেন।
সমাবর্তনে তিনি বলেন, আমরা নিয়ম মানি না। তাই এখনও দেশের ট্রাফিক ব্যবস্থা ঠিক করতে পারিনি। আমাদের দেশ আমাদেরকেই এগিয়ে নিতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মো. জামাল নাছের শিক্ষার্থীদের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি ঘোষণার প্রস্তাব উত্থাপন করেন।
সমাবর্তন বক্তা ছিলেন, অ্যাসোসিয়েশন অব প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিজ অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ড. সবুর খান। গেস্ট অব অনারের বক্তব্য রাখেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. সানোয়ার জাহান ভূঁইয়া, নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নূরুন্নাহার চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশিনের সদস্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন ও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল। বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য) প্রকৌশলী অধ্যাপক ড. মো. শাহ জাহান।
শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের উপদেষ্টা সাবেক সচিব মো. তাজুল ইসলাম। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. মো. তারিকুল ইসলাম চৌধুরী।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ফল ২০২৩ সেশন থেকে ফল ২০২৫ পর্যন্ত সময়কালে ডিগ্রির সকল যোগ্যতা সম্পন্নকারী প্রকৌশল অনুষদের অধীন বিএসসি ইন কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, বিএসসি ইন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোগ্রামের স্নাতক পর্যায়ের ২৩৪ জন, ব্যবসায় অনুষদের অধীন ব্যাচেলর অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন প্রোগ্রামের ১৭জন, লিবারেল আর্টস অনুষদের অধীন ব্যাচেলর অব ল'স (এলএলবি), মাস্টার অব ল'স (এলএলএম), ব্যাচেলর অব আর্টস ইন ইংলিশ প্রোগ্রামসমূহের স্নাতক পর্যায়ের ৬৭ জন এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ের ৯ জনসহ সর্বমোট ৩৫২ জন শিক্ষার্থীকে ডিগ্রি প্রদান করা হয়।

এদিকে সমাবর্তনে সর্বোচ্চ সিজিপিএ পেয়ে চ্যান্সেলর অ্যাওয়্যার্ড পেয়েছেন মোসাম্মৎ মাহমুদা আক্তার এবং তানজিদা চৌধুরী প্রমি। তাছাড়া বিওটি অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন দুজন , ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন তিনজন, ডিনস অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন সাতজন শিক্ষার্থী। সমার্তনের দ্বিতীয় পর্বে শিক্ষার্থী এবং অতিথি শিল্পীদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন শিক্ষার্থী ও অতিথিরা।
এর আগে সকালে সমাবর্তন অনুষ্ঠানে গাউন পড়ে আমন্ত্রিত অতিথি, শিক্ষক ও গ্র্যাজুয়েটরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক সংলগ্ন এলাকা থেকে পদযাত্রা করেন। এরপর সমাবর্তন মঞ্চে যান তাঁরা। সেখানে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এর আগে ২০২৩ সালে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সমাবর্তন হয়। প্রতিষ্ঠার এক দশক পেরিয়ে দুইটি সমাবর্তন করে এ বিশ্ববিদ্যালয়। লালমাই পাহাড়ে নিজস্ব জায়গায় এ বিশ্ববিদ্যালয় যাত্রা শুরু করে।