নিজস্ব প্রতিবেদক

ডা. মোসলেহ উদ্দিন’স গোল্ড মেডেল পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. মো. ছিদ্দিকুর রহমান ও কুমিল্লা হাইস্কুলের ২০২৫ সালে এসএসসিতে জিপিএ ৫ প্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থী মো. তামিম সিদ্দিক। আজ রোববার সকাল ১০ টা ৩০ মিনিটে কুমিল্লা হাইস্কুল মাঠে ওই অনুষ্ঠান হয়।

এতে ছিদ্দিকুর রহমানকে আট আনা ও তামিম সিদ্দিককে চার আনার খাঁটি স্বর্নের মেডেল নিজস্ব তহবিল থেকে উপহার দেন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও কুমিল্লা হাইস্কুলের এসএসসি ১৯৭১ ব্যাচের শিক্ষার্থী অধ্যাপক ডা. মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ। তাঁদের সনদ ও ফুলেল শুভেচ্ছা দেওয়া হয়।

কুমিল্লা হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মো হুমায়ুন কবীরের সভাপতিত্বে ওই অনুষ্ঠান হয়।
এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আলী আশরাফ।
শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা হাইস্কুলের সাবেক শিক্ষার্থী বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক বদরুল হুদা জেনু, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক পরিচালক ডা. মো. আজিজুর রহমান সিদ্দিকী ও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক (জিএস) জাকির হোসেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন দৈনিক আমার শহর পত্রিকার সম্পাদক গাজীউল হক সোহাগ।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা হাইস্কুলের সাবেক শিক্ষক ও বর্তমানে বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মো. আবদুল মতিন, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের সাবেক অধ্যাপক সেলিনা রহমান অপেল, কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ হাসনাত আনোয়ার উদ্দীন আহমেদ, সাবেক কাউন্সিলর আবদুল মতিন, চিকিৎসক রতন, কুমিল্লা বাঁচাও মঞ্চের কুমিল্লা মহানগরের সদস্য সচিব নাসির উদ্দিন, বাপা কুমিল্লার সাবেক সাধারণ সম্পাদক মানবাধিকারকর্মী আলী আকবর মাসুম, কুমিল্লা কমার্স কলেজের অধ্যক্ষ হুমায়ুন কবীর মাসউদ ও কুমিল্লা আইডিয়াল কলেজের অধ্যক্ষ মো. মহিউদ্দিন লিটন।

অনুষ্ঠানের আয়োজক অধ্যাপক ডা. মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রফেসর ড. মো. ছিদ্দিকুর রহমান আমার আলোর স্পর্শ। তিনি না থাকলে আমি মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষাই দিতে পারতাম না। তিনি আমার জীবনের চেঞ্জমেকার। তিনি আমার এক জীবনের অহংকার। কুমিল্লা হাইস্কুলে তিনি ছিলেন আমাদের গর্ব। তিনি কুমিল্লা হাইস্কুলে সাত বছর শিক্ষকতা করেছেন। পরে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। এখন তিনি অবসরে আছেন। প্রফেসর ড. মো. ছিদ্দিকুর রহমান বলেন,‘ আমার ছাত্র মোসলেহ উদ্দিন অনেক বড় কাজ করেছে। আগামী বছর থেকে তাঁর সঙ্গে যুক্ত হয়ে এই বিদ্যালয়ের একজন ছাত্রীকে আমিও গোল্ড মেডেল দেব। ছাত্রের কাছ থেকে এই বয়সে এমন স্বীকৃতি আমার হৃদয়ে থাকবে।’
তিনি বলেন,‘ কুমিল্লা হাইস্কুলে আমার বহু স্মৃতি। এখানে সাত বছর শিক্ষকতা করার পর আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হই। সেখানে আমি শিক্ষকদের শিক্ষক ছিলাম। হাইস্কুলে আমার কর্মজীবনের শুরু। এখন আমি অস্তাচলের সূর্য, আর শিক্ষার্থীরা উদিত সূর্য। শিক্ষার লক্ষ কেবল ভালো ফল নয়, ভালো মানুষও তৈরি করা।’

কৃতী শিক্ষার্থী মো. তামিম সিদ্দিক বলেন,‘ এই পুরস্কার আমাকে প্রেরণা যোগাবে। খবরটি শোনার পর আমি অস্থির ছিলাম, কখন আসব। এই স্কুলে নবম শ্রেণিতে ভর্তি হই আমি। দুই বছরে শিক্ষকেরা আমাকে তৈরি করেছেন। এখন আমি নটরডেম কলেজে পড়ি।’
প্রতি বছর ডা. মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ এই স্বর্নপদক দেবেন।

ডা. মোসলেহ উদ্দিন’স গোল্ড মেডেল পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. মো. ছিদ্দিকুর রহমান ও কুমিল্লা হাইস্কুলের ২০২৫ সালে এসএসসিতে জিপিএ ৫ প্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থী মো. তামিম সিদ্দিক। আজ রোববার সকাল ১০ টা ৩০ মিনিটে কুমিল্লা হাইস্কুল মাঠে ওই অনুষ্ঠান হয়।

এতে ছিদ্দিকুর রহমানকে আট আনা ও তামিম সিদ্দিককে চার আনার খাঁটি স্বর্নের মেডেল নিজস্ব তহবিল থেকে উপহার দেন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও কুমিল্লা হাইস্কুলের এসএসসি ১৯৭১ ব্যাচের শিক্ষার্থী অধ্যাপক ডা. মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ। তাঁদের সনদ ও ফুলেল শুভেচ্ছা দেওয়া হয়।

কুমিল্লা হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মো হুমায়ুন কবীরের সভাপতিত্বে ওই অনুষ্ঠান হয়।
এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আলী আশরাফ।
শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা হাইস্কুলের সাবেক শিক্ষার্থী বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক বদরুল হুদা জেনু, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক পরিচালক ডা. মো. আজিজুর রহমান সিদ্দিকী ও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক (জিএস) জাকির হোসেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন দৈনিক আমার শহর পত্রিকার সম্পাদক গাজীউল হক সোহাগ।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা হাইস্কুলের সাবেক শিক্ষক ও বর্তমানে বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মো. আবদুল মতিন, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের সাবেক অধ্যাপক সেলিনা রহমান অপেল, কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ হাসনাত আনোয়ার উদ্দীন আহমেদ, সাবেক কাউন্সিলর আবদুল মতিন, চিকিৎসক রতন, কুমিল্লা বাঁচাও মঞ্চের কুমিল্লা মহানগরের সদস্য সচিব নাসির উদ্দিন, বাপা কুমিল্লার সাবেক সাধারণ সম্পাদক মানবাধিকারকর্মী আলী আকবর মাসুম, কুমিল্লা কমার্স কলেজের অধ্যক্ষ হুমায়ুন কবীর মাসউদ ও কুমিল্লা আইডিয়াল কলেজের অধ্যক্ষ মো. মহিউদ্দিন লিটন।

অনুষ্ঠানের আয়োজক অধ্যাপক ডা. মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রফেসর ড. মো. ছিদ্দিকুর রহমান আমার আলোর স্পর্শ। তিনি না থাকলে আমি মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষাই দিতে পারতাম না। তিনি আমার জীবনের চেঞ্জমেকার। তিনি আমার এক জীবনের অহংকার। কুমিল্লা হাইস্কুলে তিনি ছিলেন আমাদের গর্ব। তিনি কুমিল্লা হাইস্কুলে সাত বছর শিক্ষকতা করেছেন। পরে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। এখন তিনি অবসরে আছেন। প্রফেসর ড. মো. ছিদ্দিকুর রহমান বলেন,‘ আমার ছাত্র মোসলেহ উদ্দিন অনেক বড় কাজ করেছে। আগামী বছর থেকে তাঁর সঙ্গে যুক্ত হয়ে এই বিদ্যালয়ের একজন ছাত্রীকে আমিও গোল্ড মেডেল দেব। ছাত্রের কাছ থেকে এই বয়সে এমন স্বীকৃতি আমার হৃদয়ে থাকবে।’
তিনি বলেন,‘ কুমিল্লা হাইস্কুলে আমার বহু স্মৃতি। এখানে সাত বছর শিক্ষকতা করার পর আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হই। সেখানে আমি শিক্ষকদের শিক্ষক ছিলাম। হাইস্কুলে আমার কর্মজীবনের শুরু। এখন আমি অস্তাচলের সূর্য, আর শিক্ষার্থীরা উদিত সূর্য। শিক্ষার লক্ষ কেবল ভালো ফল নয়, ভালো মানুষও তৈরি করা।’

কৃতী শিক্ষার্থী মো. তামিম সিদ্দিক বলেন,‘ এই পুরস্কার আমাকে প্রেরণা যোগাবে। খবরটি শোনার পর আমি অস্থির ছিলাম, কখন আসব। এই স্কুলে নবম শ্রেণিতে ভর্তি হই আমি। দুই বছরে শিক্ষকেরা আমাকে তৈরি করেছেন। এখন আমি নটরডেম কলেজে পড়ি।’
প্রতি বছর ডা. মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ এই স্বর্নপদক দেবেন।